

অমবস্যা কিম্বা পূর্ণিমার চাঁদ/ যেমন তোলে সমুদ্রের বুক কাঁপিয়ে জোয়ার ভাটা/ তেমনি তুমিও তোল আমার বুকে/ বহুদিন জলশূন্য নদী

টাই বেঁধে যতই স্মার্ট লাগুক, গলার ভেতর মনে হয় কোনো অদৃশ্য হাত আস্তে আস্তে খুন করছে, আবার ভাবি, এ হয়তো প্রিয়তমা স্ত্রী তানিয়ার সরু দুই হাত, হাজার গোস্সাতেও খুন করবে না।

আজ যখন বলা হচ্ছে, “এটি আদর্শিক নয়, কেবল নির্বাচনী সমঝোতা”— তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যদি আদর্শ বিসর্জন দিতে হয়, তাহলে এনসিপি আর অন্যদের থেকে আলাদা থাকল কোথায়?

হাহাকার টইটুম্বুর এই জীবন,/ আমি দুপুরের প্রখর/ সোনালি বিকেল/ আমি সন্ধ্যার তারা/ বিছানার গন্ধ
নেলসন ম্যান্ডেলা দীর্ঘ কারাবাসের পর প্রতিশোধ নয়, সমঝোতার রাজনীতি বেছে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। ইরানে আয়াতুল্লাহ খোমেনির নির্বাসন ও প্রত্যাবর্তন রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কাঠামোই বদলে দেয়। প্রত্যাবর্তন কখনো স্থিতি আনে, কখনো নতুন সংকট সৃষ্টি করে।

যারা মনে করেন শক্ত হাতে শাসনই স্থিতিশীলতা আনে, তারা ভুলে যান—দমন দিয়ে নীরবতা আনা যায়, কিন্তু আস্থা তৈরি করা যায় না। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, ভয়ভিত্তিক ও ব্যক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে টেকে না। কারণ সেখানে ভুল সংশোধনের শান্তিপূর্ণ পথ এবং ক্ষমতার ওপর কার্যকর নজরদারি থাকে না।

প্রথমেই আমরা প্রবেশ করি প্রায় এক হাজার আসনবিশিষ্ট গ্র্যান্ড থিয়েটারে। হলটিতে ঢোকার মুহূর্তেই আমার চোখ আটকে যায়। বিশাল হলেও কোথাও ভারী লাগেনি। বরং পুরো জায়গাটি আধুনিক, পরিমিত ও দৃষ্টিনন্দন।

এই সময় বাইরের জীবন কমে আসে, কিন্তু ঘরের ভেতরের জীবন সমৃদ্ধ হয়। মানুষ কম কথা বলে, কিন্তু গভীরভাবে ভাবে। মিডিয়ায় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা বাড়ে। আলোচনায় আসে শীতকালের বিষণ্নতা, আত্মযত্ন ও সামাজিক সংযোগের গুরুত্ব।

আমরা এখন/ দূরে দাঁড়িয়ে/ হাতে স্লোগান,/ কিন্তু বুকে সাহসের অভাব।

আমি দেখি এক তরুণের হাত/ পতাকা ছুঁয়ে থমকে যায়/ যেন এক মুহূর্তে/ ইতিহাস তার বুকে ঢুকে পড়ে/ ধুকধুক ধুকধুক করে।

আমার আজও মনে পড়ে/ আমাদের বাড়ির আঙ্গিনায় নীল অপরাজিতার কথা/ মনে পড়ে কোকিলের গেয়ে চলা উচ্চাঙ্গ সংগীতের কথা/ মনে পড়ে বানভাসি মানুষের অজস্র দুঃখের কথা,

একটি সভ্য দেশে এ ধরনের বর্বরতা কখনোই কাম্য নয় এবং কখনো এটা আশা করিনি। অস্ট্রেলিয়া একটি শান্তিপূর্ণ দেশ; এখানে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আশা করা যায় না। ধর্মীয় বিদ্বেষ ধেকে এ ধরনের বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানাচ্ছি। এ ধরনের ঘটনা শুধু ইহুদির জন্য নয়, আমাদের সবার জন্যই উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশেরও একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিদেশের মাটিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে, যা অনেকেরই অজানা। প্রতিষ্ঠানটির নাম বাংলাদেশ স্কুল মাস্কাট। এটি ইংরেজি মাধ্যম অ্যাডেক্সসেল কারিকুলামের অধীনে পরিচালিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ওমানের রাজধানী মাস্কাটের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই স্কুল।

কিছু না বলা শব্দ জমে থাকে বুকে,/ হিমেল নিঃশ্বাসে জমাট বাঁধে প্রশ্ন,/ আমি হাত বাড়াই নিশ্চিত দিনের দিকে—/ কিন্তু আঙুলে ধরা পড়ে শুধু অনিশ্চয়তা।

ন্যায়ের পথে হাঁটাই ইতিহাসে স্থায়ী হওয়ার একমাত্র উপায়। ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, দেহ থেমে যেতে পারে, কিন্তু আদর্শ টিকে থাকে। জননীতি সেই আদর্শেরই নাম, যেখানে ক্ষমতার চেয়ে মানুষের মর্যাদা বড়, আর ভোটের চেয়েও সম্মান মূল্যবান।

সাহিত্য কর্ম আর সমাজ সংস্কারক তাকে পরিণত বয়সে তার স্বামী দেখে যেতে পারেননি। কত আনন্দিতই না তিনি হতেন। আসলে নারী বা পুরুষ অনেকে অপরের পরিপূরক, প্রতিদ্বন্দ্বী নন, এটা যত তাড়াতাড়ি সবাই বোঝেন ততই ভালো।

বুলাকআজ প্রায় ৮ হাজার ৫০০ বাংলা বই আছে। ফরাসি ও ইংরেজি অনুবাদ এবং কলকাতার বই মিলিয়ে এই সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এখানে রয়েছে—বাংলা ছাপাখানার প্রারম্ভিক বাংলা মুদ্রণ, দুর্লভ পাণ্ডুলিপি, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রকাশিত অসংখ্য গবেষণাধর্মী বই।

লন্ডন তখন ছিল প্রাণচঞ্চল—নাট্যশালা, সংগীত, কবি, রাজনীতি, শিল্প—সব মিলিয়ে এক মাথা ঘোরানো পৃথিবী। সেখানে প্রথমে উইলিয়াম খুব সাধারণ কাজ করত—কেউ বলে ঘোড়ার দেখাশোনা, কেউ বলে মঞ্চ সাজানোর কাজ। কিন্তু তার মন লিখতে চাইত, আর চোখ ছিল ভবিষ্যতের দিকে।

বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও গবেষণায় বিনিয়োগ এখনো সন্তোষজনক নয়। তবে কৃষিক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম লক্ষ করা যায়। অন্য ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন গবেষণা থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ, খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় এখনো বড় ঘাটতি আছে।
