পৃথিবীতে হাজার সম্পর্কের ভিড়ে কিছু সম্পর্ক থাকে স্বীকৃত। আবার কিছু সম্পর্ক থাকে অস্বীকৃত। আবার দেখুন পৃথিবীর আনন্দময় জিনিসগুলো ফ্রিতে কিংবা মাগনা পাওয়া যায়। যেমন জোছনা, বৃষ্টির নাচন, ফুলের সুবাস, নদীর কুলকুল ধ্বনি, ঝরনার ধ্বনি, ময়ূরের পেখম নৃত্য। অথচ আমরা এশিয়ানরাই জীবনের নিশ্চয়তা নিয়ে বেশি ভাবি।
মধ্যবিত্ত শ্রেণির অধিকাংশ মানুষ সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে দৃঢ়। তারা হয়তো প্রতিদিন সমাজের অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো তারা সেই অনিয়মের অংশ হতে চায় না। এটাই তাদের সম্মানের জায়গা।
আলোচনার কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল ভূখণ্ড লেনদেনের সম্ভাবনা, বিশেষ করে পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল রাশিয়াকে হস্তান্তর। শান্তি ও যুদ্ধ সমাপ্তির প্রচেষ্টা হিসেবে এর উদ্দেশ্য থাকতে পারে, কিন্তু এই ধরনের ভূখণ্ড লেনদেনের পরিণতি গভীরভাবে মূল্যায়ন করা আবশ্যক।
আমেরিকার এক স্টেটে (রাজ্য) এক বাঙাল থাকতে এসেছে। এসে রেস্টুরেন্টে চাকরি নিয়েছে। মাঝে মাঝে পার্কে বেড়াতে যায়। পার্কে রাজহাঁস ঘুরে বেড়ায়। দুনিয়ার অন্য দেশের দর্শনার্থীরা হাঁস দেখে মুগ্ধ হয়, ছবি তোলে। বাঙালের মনে প্রশ্ন আসে, ‘একটি যদি ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলি, সমস্যা কী? কেউতো দেখছে না। আর দেখলেই বা কী?
পৃথিবীতে হাজার সম্পর্কের ভিড়ে কিছু সম্পর্ক থাকে স্বীকৃত। আবার কিছু সম্পর্ক থাকে অস্বীকৃত। আবার দেখুন পৃথিবীর আনন্দময় জিনিসগুলো ফ্রিতে কিংবা মাগনা পাওয়া যায়। যেমন জোছনা, বৃষ্টির নাচন, ফুলের সুবাস, নদীর কুলকুল ধ্বনি, ঝরনার ধ্বনি, ময়ূরের পেখম নৃত্য। অথচ আমরা এশিয়ানরাই জীবনের নিশ্চয়তা নিয়ে বেশি ভাবি।
২ দিন আগেআমেরিকার এক স্টেটে (রাজ্য) এক বাঙাল থাকতে এসেছে। এসে রেস্টুরেন্টে চাকরি নিয়েছে। মাঝে মাঝে পার্কে বেড়াতে যায়। পার্কে রাজহাঁস ঘুরে বেড়ায়। দুনিয়ার অন্য দেশের দর্শনার্থীরা হাঁস দেখে মুগ্ধ হয়, ছবি তোলে। বাঙালের মনে প্রশ্ন আসে, ‘একটি যদি ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলি, সমস্যা কী? কেউতো দেখছে না। আর দেখলেই বা কী?
১৪ দিন আগেএকটা দোদুল্যমান সময় পার করছি এই যেমন ধরুন আমি একজন মানুষ অথচ স্বভাবে ঠিক নদীর মতো সম্ভবত তাই যুগল দেখলেই এখন এড়িয়ে চলি,
একটা নামহীন স্রোত বয়ে যায়, যেখানে তুমি আর আমি একই জলে মিলিনি কখনো। তার উপস্থিতি—একটা নীরব শব্দ, যা বুনো পাখির ডানার মতো হাওয়া কাটে মনে।
শান্তি ধার নেওয়ার জিনিস নয়। শান্তি পারস্পরিক বিষয়। আকাশ দেখলে যাদের দম আটকে যায় তাদের জন্য সাত রঙ কোনোভাবেই ভালো নয়।
জুলাই এসে দাঁড়ায় দরজায়/ ভিজে পাথরের মতো মাথা নিচু করে।/আগস্ট পেছন থেকে কাঁধে হাত রাখে—/আগস্ট পেছন থেকে কাঁধে হাত রাখে—/তাদের মুখে শব্দ নেই,/ শুধু কান্না আর কান্নার অনুবাদ।
বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক উত্তাপ ততই বাড়ছে। দেশে বসবাসরত মানুষদের মতোই ইউরোপে বসবাসকারী লাখ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকও এই নির্বাচন নিয়ে গভীরভাবে ভাবছেন, আলোচনা করছেন এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে আশা-আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
রাতে নাইট ডিউটি শুরু করব, আধা ঘণ্টা আগে দেখি, বন্ধু (নামটা ধরে নিলাম কিনারি) হাজির। কঠিন মেয়ে সে। কথা দিয়ে কাঁদিয়ে দিতে পারে টাইপের। আমার জন্য কফি নিয়ে এসেছে। বহুদিন পর একসঙ্গে কাজ করব। মধুর গলায় বলল, ফারহানা তুমি ইদানীং বোলিং করতে যাও না, মুভি নাইটেও দেখলাম না আমাদের সঙ্গে।
গণতন্ত্রের শক্তি: ক্ষমতার উৎস জনগণ—এই ধারণা এখনো বিশ্বের বহু দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফরাসি বিপ্লব দেখিয়েছে, শোষণের বিরুদ্ধে সংগঠিত জনগণই পারে শাসকের ভাগ্য নির্ধারণ করতে।
কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম ছাড়াও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো আমার প্রিয় একটা স্বভাব। সেটা কোনো মেলা হোক, গ্র্যাজুয়েশন পার্টি হোক বা হোক কোনো হাসপাতালের কক্ষ।
ভালোবাসার এই দেশে মাহমুদ খলিল, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ষ্টুডেন্ট অ্যাকটিভিস্ট মানে ক্যাম্পাসে লিড নেগেশিয়েটর, প্রো প্যালেস্টাইন। তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার লিগ্যাল রাইট আছে। কিন্তু তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর স্ত্রী সন্তানসম্ভাবা।
এই মানবিকতা আমেরিকানদের জন্য নতুন নয়। ক্যালিফোর্নিয়াতে নিজেকে কখনো ইমিগ্র্যান্ট মনে হয়নি নিজেকে। মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। হাত বাড়িয়ে দেয় সাহায্যে।
আমেরিকায় আসার আমার ২৫ বছর পূর্ণ হলো। সময়ের হিসাবে এটি অনেক লম্বা একটা সময়। প্রথম প্রথম এখানে এসে অনেক লাভ–লোকসানের হিসাব করতাম। একটা পর্যায়ে দেশে ফেরত যাবারও ইচ্ছা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর যাওয়া হয়ে ওঠেনি। তাই জীবনকে এখানে অন্যভাবে সাজিয়ে নিয়েছি।
একাকিত্ব একটি জটিল ও বহুমাত্রিক মানসিক সমস্যা। এটি মানুষের মনোজগতে গভীর প্রভাব ফেলে। এটি শুধুমাত্র শারীরিক বিচ্ছিন্নতা বা একা থাকার অনুভূতি নয়, বরং মানসিক ও আবেগিক বিচ্ছিন্নতার অনুভূতিও তৈরি করে। তবে একাকিত্বকে শুধু নেতিবাচক হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই।
বিশ্ব মা দিবসের প্রাক্কালে পুলিশ অফিসার পলাশ চলে গেলেন। মা একটা অপরূপ শব্দ, একটা অনন্য সম্পর্ক যেটা পৃথিবীর সুন্দরতম সম্পর্কের একটা। নিজের জীবন বাজি রেখে মা সন্তানের জন্ম দেন, তিল তিল করে বড় করে তোলেন।
১৪৩১ সালের শেষের ৬ দিন গেল ঝড়ের মতো। না সান ডিয়েগো শহরে ঝড় শুরু হয়নি। হয়েছে ব্যক্তিগত জীবনে। আমি সাধারণ মানুষ, সব সময় রাডারের নিচে থাকতে চাই। কিন্তু সেলিব্রিটিদের জীবনের ফ্যান্সি সমস্যা আমার ঘাড়ে এসে পড়ে।
সম্ভবত কবিতা হলো ঘোমটা পরা সেই বউ, যাকে দেখে পাঠক বিভ্রান্ত হবে। সঠিকের কাছাকাছি যাবে, কিন্তু একদম সঠিক কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে পারবে না। অনেকটা শহীদ কাদরীর ‘কোথাও শান্তি পাবে না পাবে না পাবে না’র পরিস্থিতি।