
সহিদুল আলম স্বপন

বলো তো
স্বাধীনতার শব্দ কেমন?
বুলেটের শব্দ?
চিৎকার?
নাকি নিঃশ্বাস?
না
স্বাধীনতার শব্দ হলো
সমস্ত নদীর বুকের ঢেউ,
যা সময়কেই থামিয়ে বলে,
“শোনো, আমরা জেগে উঠেছি।”
আজ শহরের প্রতিটি মোড়ে
মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে নীরব…
কিন্তু তাদের চোখ বলে দেয়
যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি–
স্বপ্নের যুদ্ধ, সত্যের যুদ্ধ,
দেশ গড়ার যুদ্ধ!
আমি দেখি এক তরুণের হাত
পতাকা ছুঁয়ে থমকে যায়
যেন এক মুহূর্তে
ইতিহাস তার বুকে ঢুকে পড়ে
ধুকধুক ধুকধুক করে।
আর আমরা সবাই মিলেই চিৎকার করি
“জয়!”
শুধু শব্দ নয়,
এ এক উত্তাল ঢেউ,
এক শব্দ-ভূমিকম্প,
যা বুকের ভেতর তোলপাড় করে দেয়।
১৬ ডিসেম্বর
এটা স্মৃতি নয়
এটা বিদ্যুৎ,
স্পার্ক,
লাইটনিং!
যা আমাদের মনে করিয়ে দেয়
আমরা স্বাধীন,
আর স্বাধীন তাই আমাদের সবচেয়ে বড় কবিতা।
*সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড-

বলো তো
স্বাধীনতার শব্দ কেমন?
বুলেটের শব্দ?
চিৎকার?
নাকি নিঃশ্বাস?
না
স্বাধীনতার শব্দ হলো
সমস্ত নদীর বুকের ঢেউ,
যা সময়কেই থামিয়ে বলে,
“শোনো, আমরা জেগে উঠেছি।”
আজ শহরের প্রতিটি মোড়ে
মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে নীরব…
কিন্তু তাদের চোখ বলে দেয়
যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি–
স্বপ্নের যুদ্ধ, সত্যের যুদ্ধ,
দেশ গড়ার যুদ্ধ!
আমি দেখি এক তরুণের হাত
পতাকা ছুঁয়ে থমকে যায়
যেন এক মুহূর্তে
ইতিহাস তার বুকে ঢুকে পড়ে
ধুকধুক ধুকধুক করে।
আর আমরা সবাই মিলেই চিৎকার করি
“জয়!”
শুধু শব্দ নয়,
এ এক উত্তাল ঢেউ,
এক শব্দ-ভূমিকম্প,
যা বুকের ভেতর তোলপাড় করে দেয়।
১৬ ডিসেম্বর
এটা স্মৃতি নয়
এটা বিদ্যুৎ,
স্পার্ক,
লাইটনিং!
যা আমাদের মনে করিয়ে দেয়
আমরা স্বাধীন,
আর স্বাধীন তাই আমাদের সবচেয়ে বড় কবিতা।
*সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড-
বাণিজ্য ও সামাজিক সম্পর্কও ধীরে ধীরে শহরের কেন্দ্র ছেড়ে সরে গেছে। বড় শপিং মল, আউটলেট, নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক অঞ্চল—সবই সুবিধাজনক ও কার্যকর। কিন্তু সেখানে নেই অপ্রত্যাশিত দেখা হওয়ার আনন্দ, ধীরে বসে থাকার অবকাশ, বা হঠাৎ আলাপের উষ্ণতা।
আজ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র তার অভিবাসন নীতিতে কঠোর পরিবর্তন এনেছে। অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। মেক্সিকো সীমান্তে ব্যয়বহুল প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ বাস্তবতা হলো—এই ভূখণ্ডের আদি অধিবাসী ছিল আদিবাসী জনগোষ্ঠী; ইউরোপীয় বসতিস্থাপনকারীরাও একসময় অভিবাসী ছিল।
প্রযুক্তি, রাজনীতি ও সমাজের সন্ধিক্ষণে—বাংলাদেশ কি প্রস্তুত এআই যুগের জন্য?
রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জন্য প্রথম ও প্রধান বিষয় হলো প্রস্তুতি। বিদেশি সাংবাদিকের সামনে দাঁড়ানো মানে ব্যক্তিগত মতামত দেওয়া নয়; বরং দেশের রাজনৈতিক অবস্থান, দাবি ও বাস্তবতাকে প্রতিনিধিত্ব করা। সে ক্ষেত্রে ভাষাগত দুর্বলতা কোনো অজুহাত হতে পারে না।