স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ফোন একটু পুরোনো হলেই নানা সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- ফোন গরম হয়ে যাওয়া, গতি ধীর হওয়া, হ্যাং হওয়া, চার্জ হতে বেশি সময় নেওয়া সহ নানান সমস্যা।
আপনার স্মার্টফোনের ইন্টারনেট স্পিড মাঝে মাঝে বিভিন্ন কারণে কমতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে সহজেই সমস্যার সমাধান করতে পারেন-
যে কোনো জিনিসের মেয়াদ শেষ হওয়ার অর্থ হলো সেটি আর ব্যবহারযোগ্য নয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করে কতক্ষণ সেই পণ্য ব্যবহার করা যাবে। আপনি জানেন কি, আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের এক্সপায়ারি ডেট আসলে কবে?
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উন্নত হচ্ছে মানুষের জীবনধারা। মানুষকে সুযোগ-সুবিধা দিতে আসছে বিভিন্ন প্রযুক্তি। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট-স্মার্টফোন ছাড়া একটি মুহূর্ত ভাবা যায় না। স্মার্টফোন বিশ্বকে আমাদের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। তবে ব্যবহারের কিছু ভুলে আপনার ফোনটির আয়ু দ্রুত কমতে পারে। ফলে দ্রুতই ফোনটি নষ্ট হয়ে
আপনার কাছে থাকা পুরোনো স্মার্টফোন বিক্রি করেও আপনি অনেক বড় বিপদে পড়তে পারেন। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? যে ফোন বিক্রি করে কীভাবে বিপদে পড়বেন। আসলে আপনি ফোন বিক্রি করার পর সেটা যদি কোনো দুষ্টু লোকের হাতে পরে তাহলে আপনার ফোনে ডাটা বা ছবি চুরি করে সে আপনাকে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে।
স্মার্টফোনে নানা ধরনের অ্যাপ থাকে। এসব অ্যাপ দিয়েই বিভিন্ন কাজ করা হয়। তবে অ্যাপ ডাউনলোড করার সময় কিছু বিষয়ে খেয়াল না রাখলে প্রতারকদের খপ্পরে পড়তে পারেন।
স্মার্টফোন আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছে। এখন আমরা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা যে কারও সঙ্গে কেবল একটি বাটন চেপেই যোগাযোগ করতে পারি। সেকেন্ডের মধ্যে ইন্টারনেট থেকে যেকোনো ধরনের তথ্য পেতে পারি। এতসব সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি আরেকটি বাস্তবতা হলো যে, স্মার্টফোন আমাদের কিছু গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে
শরীরে কিছু লক্ষণ দেখে যেমন রোগের ধারণা পাওয়া যায়। ঠিক তেমনি মোবাইল ফোনে কিছু লক্ষণ দেখে ধারণা করা যেতে পারে তা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে কি না। এখন প্রশ্ন হলো, কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন যে আপনার ফোন যে ভাইরাসে আক্রান্ত?
এখন আমরা প্রয়োজনীয় সকল তথ্যই সংরক্ষণ করে রাখছি আমাদের পারসোনাল মোবাইল ফোনে। একবার মোবাইল হ্যাক হলে আপনার সব তথ্যতো আপনি হারাবেনই সেইসঙ্গে সেসব তথ্য চলে যাবে অন্যের হাতে।
ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হ্যাকাররা ফাঁদ পেতে রাখে। শুধু টাকাপয়সা নেওয়াই নয় স্মার্টফোন কব্জা করে আপনার অজান্তেই সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য তারা হাতিয়ে নিতে পারে নিমেষে। তা হলে উপায়?
ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক অ্যাপ একসঙ্গে চলে। এর কারণেও ফোন অনেক সময়ে হ্যাং হয়ে যায়। তাই কাজ হয়ে গেলে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপগুলোকে বন্ধ করতে ভুলবেন না। অ্যাপ বন্ধ করার পরে ট্যাবগুলো ক্লিয়ার করে দেবেন। এতে ফোন ভালো চলবে।
আপনি দিনে কতবার স্মার্টফোন চার্জ করেন? একবার কিংবা দুবার। স্মার্টফোন একবার চার্জ দিলে কতটুকু বিদ্যুৎ খরচ হয়, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল। চলুন জেনে নিই স্মার্টফোন একবার চার্জ করতে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়।
প্রথমেই ফোনটি বন্ধ করে নিন। এতে ফোনের ভেতর ইলেকট্রিক পরিবহন বন্ধ হয়ে যাবে। কোনো কারণে কিছু সমস্যা হলেও ফোনের ততটা ক্ষতি হবে না।...
অনেকেই ঘুমের সময় মুঠোফোন কাছাকাছি রাখেন। এ অভ্যাস বাদ দিতে হবে। এ জন্য মুঠোফোন সাইলেন্ট বা ভাইব্রেশন বন্ধ করে ঘুমানোর জায়গা থেকে দূরে রাখতে হবে।
আমাদের মুঠোফোনের নিচে অংশে থাকা ছোট্ট ছিদ্রটি হল ক্যানসেলিং মাইক্রোফোন। সহজ ভাবে বলতে গেলে এটা সেই মাইক্রোফোন, যেটা আমরা ফোনে কথা বলার সময় কাজ করে।
ব্যবহার না করলেও অনেক অ্যাপ ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সব সময় চালু থাকে। ফলে ফোনে ইন্টারনেট চালু থাকলে অ্যাপগুলোও ডেটা খরচ করতে থাকে। আর তাই মোবাইল ডেটা সাশ্রয় করতে চাইলে প্রথমেই ব্যাকগ্রাউন্ডে সচল থাকা অ্যাপগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
পানিতে পড়লে বা ভিজে গেলে প্রথমেই স্মার্টফোন দ্রুত বন্ধ করতে হবে। স্মার্টফোনে সুরক্ষা কেস লাগানো থাকলে সেটিও খুলতে হবে। সম্ভব হলে সিম কার্ড, ব্যাটারি ও মাইক্রো-এসডি কার্ডও খুলে ফেলুন।
স্মার্টফোনে ৫০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে চার্জ থাকা ভালো। চার্জের পরিমাণ ৫০ শতাংশের চেয়ে কমে গেলে চার্জ দিতে হবে। তবে চার্জ ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হয়ে গেলে চার্জার খুলে ফেলবেন।
ইনস্টায় তথ্য হাতিয়ে নিয়ে হ্যাকিং, স্ক্যাম ও অনলাইনে আড়িপাতার মতো নানা ঘটনা ঘটছে। তবে কিছু নিরাপত্তা ফিচার ব্যবহার করে ইনস্টাগ্রামের অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখা সম্ভব বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। এর একটি হলো লোকেশন অ্যাকসেস বন্ধ করা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উন্নত হচ্ছে মানুষের জীবনধারা। মানুষকে সুযোগ-সুবিধা দিতে আসছে বিভিন্ন প্রযুক্তি। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট-স্মার্টফোন ছাড়া একটি মুহূর্ত ভাবা যায় না। স্মার্টফোন বিশ্বকে আমাদের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। তবে ব্যবহারের কিছু ভুলে আপনার ফোনটির আয়ু দ্রুত কমতে পারে। ফলে দ্রুতই ফোনটি নষ্ট হয়ে
২৪ জানুয়ারি ২০২৫আপনার কাছে থাকা পুরোনো স্মার্টফোন বিক্রি করেও আপনি অনেক বড় বিপদে পড়তে পারেন। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? যে ফোন বিক্রি করে কীভাবে বিপদে পড়বেন। আসলে আপনি ফোন বিক্রি করার পর সেটা যদি কোনো দুষ্টু লোকের হাতে পরে তাহলে আপনার ফোনে ডাটা বা ছবি চুরি করে সে আপনাকে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে।
১৬ জানুয়ারি ২০২৫স্মার্টফোন আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছে। এখন আমরা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা যে কারও সঙ্গে কেবল একটি বাটন চেপেই যোগাযোগ করতে পারি। সেকেন্ডের মধ্যে ইন্টারনেট থেকে যেকোনো ধরনের তথ্য পেতে পারি। এতসব সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি আরেকটি বাস্তবতা হলো যে, স্মার্টফোন আমাদের কিছু গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে
৩০ ডিসেম্বর ২০২৪