
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

জীবন-জীবিকার তাগিদে বা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রবাসে পাড়ি দিতে হয় হাজারো তরুণদের। কারও কারও বিভিন্ন খেলায় প্রতিভা থাকলেও তা পরখ করার সুযোগ পান না প্রবাসে পাড়ি জমানোর জন্য। মালয়েশিয়াপ্রবাসী ক্রিকেট প্রতিভাবানদের জন্য আয়োজিত হতে যাচ্ছে টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। 'বিডি এক্সপ্যাট চ্যাম্পিয়নশিপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৫' নামে এ টুর্নামেন্টে অংশ নেবে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড় দিয়ে গড়া ক্রিকেট দল।
গত শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানী কুয়ালালামপুরের ইয়াহালা রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন আয়োজক বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেসের সভাপতি মো সাইফুদ্দিন।
টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রবাসী খেলোয়াড়দের উৎসাহ জোগাতে পুরো টুর্নামেন্টে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক উপস্থিত থাকবেন বলে ঘোষণা দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ টুর্নামেন্টকে ঘিরে ইতিমধ্যে ব্যাপক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজক কমিটির আমন্ত্রনে সাড়া দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার ইচ্ছে পোষণ করেছেন কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার মো. শামিম আহসান।
একইসঙ্গে মালয়েশিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এমসিএ) সঙ্গেও যোগাযোগ অব্যহত রেখেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান বিডি স্পোর্টস। এমসিএর পরামর্শে রাজধানী কুয়ালালামপুর ও এর আশপাশের আন্তর্জাতিকমানের ৩টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো। আইসিসি'র নিয়ম মেনে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞ আম্পিয়াররা। ৩০ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এ টুর্নামেন্ট।
সংবাদ সম্মেলন থেকে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে আগ্রহীদের ১৫ আগস্টের মধ্যে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বলা হয়। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ট্রফির পাশাপাশি প্রাইজমানি ৩৫০০ রিঙ্গিত বা এক লাখ ৫ হাজার টাকা ও রানার আপ দলের জন্য ২০০০ রিঙ্গিত বা ৭০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া প্রতিটি খেলায় সেরা খেলোয়াড় এবং টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ পুরস্কার।

খেলাপ্রিয় প্রবাসী দর্শকদের মাঠে এসে বিনামুল্যে খেলা উপভোগের আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। একইসঙ্গে যারা মাঠে আসতে পারবেন না তাদের জন্য ফেসবুক ও ইউটিউবে সরাসরি প্রতিটি খেলা দেখানোরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে আয়োজকদের পক্ষ থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেসের সহসভাপতি মো. রাফিজ রহমান রাসেল, আব্দুল মোবিন ভুঁইয়া ও সোহাগ আহমেদ, টুর্নামেন্ট পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, প্রযুক্তি পরিচালাক জুবায়ের রহমান, আম্পায়ার ও স্কোরার কমিটির আহবায়ক শাহাজাহান আলম, পরিচালক রায়হান, লজিস্টিক পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, লজিস্টিক ম্যানেজার মো. রফিক, মিডিয়া ও জনসংযোগ পরিচালক বাপ্পী কুমার দাসসহ বিভিন্ন দলের অধিনায়ক ও খেলোয়াড়েরা।
টুর্নামেন্ট'কে ঘিরে প্রবাসীদের ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দিপনা ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে এ আয়োজনকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা চান আয়োজক বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেসের পরিচালনা কমিটি।
টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে হবে +৬০১২৫২২৬০৫৬, +৬০১১১৪৩৬০৭০৫, +৫০১৯৮০৯০১০৮ এর যেকোনো নম্বরে।

জীবন-জীবিকার তাগিদে বা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রবাসে পাড়ি দিতে হয় হাজারো তরুণদের। কারও কারও বিভিন্ন খেলায় প্রতিভা থাকলেও তা পরখ করার সুযোগ পান না প্রবাসে পাড়ি জমানোর জন্য। মালয়েশিয়াপ্রবাসী ক্রিকেট প্রতিভাবানদের জন্য আয়োজিত হতে যাচ্ছে টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। 'বিডি এক্সপ্যাট চ্যাম্পিয়নশিপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৫' নামে এ টুর্নামেন্টে অংশ নেবে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড় দিয়ে গড়া ক্রিকেট দল।
গত শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানী কুয়ালালামপুরের ইয়াহালা রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন আয়োজক বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেসের সভাপতি মো সাইফুদ্দিন।
টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রবাসী খেলোয়াড়দের উৎসাহ জোগাতে পুরো টুর্নামেন্টে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক উপস্থিত থাকবেন বলে ঘোষণা দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ টুর্নামেন্টকে ঘিরে ইতিমধ্যে ব্যাপক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজক কমিটির আমন্ত্রনে সাড়া দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার ইচ্ছে পোষণ করেছেন কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার মো. শামিম আহসান।
একইসঙ্গে মালয়েশিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এমসিএ) সঙ্গেও যোগাযোগ অব্যহত রেখেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান বিডি স্পোর্টস। এমসিএর পরামর্শে রাজধানী কুয়ালালামপুর ও এর আশপাশের আন্তর্জাতিকমানের ৩টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো। আইসিসি'র নিয়ম মেনে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞ আম্পিয়াররা। ৩০ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এ টুর্নামেন্ট।
সংবাদ সম্মেলন থেকে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে আগ্রহীদের ১৫ আগস্টের মধ্যে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বলা হয়। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ট্রফির পাশাপাশি প্রাইজমানি ৩৫০০ রিঙ্গিত বা এক লাখ ৫ হাজার টাকা ও রানার আপ দলের জন্য ২০০০ রিঙ্গিত বা ৭০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া প্রতিটি খেলায় সেরা খেলোয়াড় এবং টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ পুরস্কার।

খেলাপ্রিয় প্রবাসী দর্শকদের মাঠে এসে বিনামুল্যে খেলা উপভোগের আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। একইসঙ্গে যারা মাঠে আসতে পারবেন না তাদের জন্য ফেসবুক ও ইউটিউবে সরাসরি প্রতিটি খেলা দেখানোরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে আয়োজকদের পক্ষ থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেসের সহসভাপতি মো. রাফিজ রহমান রাসেল, আব্দুল মোবিন ভুঁইয়া ও সোহাগ আহমেদ, টুর্নামেন্ট পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, প্রযুক্তি পরিচালাক জুবায়ের রহমান, আম্পায়ার ও স্কোরার কমিটির আহবায়ক শাহাজাহান আলম, পরিচালক রায়হান, লজিস্টিক পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, লজিস্টিক ম্যানেজার মো. রফিক, মিডিয়া ও জনসংযোগ পরিচালক বাপ্পী কুমার দাসসহ বিভিন্ন দলের অধিনায়ক ও খেলোয়াড়েরা।
টুর্নামেন্ট'কে ঘিরে প্রবাসীদের ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দিপনা ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে এ আয়োজনকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা চান আয়োজক বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেসের পরিচালনা কমিটি।
টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে হবে +৬০১২৫২২৬০৫৬, +৬০১১১৪৩৬০৭০৫, +৫০১৯৮০৯০১০৮ এর যেকোনো নম্বরে।
বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রকাশনা সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান অপূর্ব শর্মা বলেন, আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাগুলো কেবল বই বিক্রির পরিসর নয়; বরং এগুলো প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।
বাংলাদেশে ক্যানসারের ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরে এম এ মুহিত প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।