
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন প্রবাসী সাংবাদিকেরা।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দুবাইয়ের আল মতিনা রয়েল নাইট রেস্টুরেন্টের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার। সঞ্চালনা করেন ইত্তেফাকের প্রতিনিধি এস এম ফয়জুল্লাহ শহীদ। স্বাগত বক্তব্য দেন গাজী টিভির ফখরুদ্দিন মুন্না।
বক্তব্য দেন নাসিম উদ্দিন আকাশ, নওশের আলী, ওবায়দুল হক মানিক, মোহাম্মদ সেলিম, মাসুম বিল্লাহ রায়হান, মো. মনির হোসেন, আবুল কালাম, মো. আলিনুর, শরীয়ত উল্লাহ সবুজ ও সাইদুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বিদায়ী প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের পেশাদারত্ব, সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে তার গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তারা বলেন, সাংবাদিক ও কনস্যুলেটের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
আলোচনা শেষে প্রবাসী সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, দীর্ঘ দুই বছরের কর্মকালে আমি সকল সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। প্রবাসে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা আমার কাজকে অনেক সহজ করেছে।
তিনি আরও বলেন, তার দায়িত্বকালে প্রবাসী সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে যে আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও পেশাদারত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তা সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রবাসী সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে তিনি সবসময় সহযোগিতা করেছেন এবং বাংলাদেশ ও প্রবাসী গণমাধ্যমের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন প্রবাসী সাংবাদিকেরা।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দুবাইয়ের আল মতিনা রয়েল নাইট রেস্টুরেন্টের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার। সঞ্চালনা করেন ইত্তেফাকের প্রতিনিধি এস এম ফয়জুল্লাহ শহীদ। স্বাগত বক্তব্য দেন গাজী টিভির ফখরুদ্দিন মুন্না।
বক্তব্য দেন নাসিম উদ্দিন আকাশ, নওশের আলী, ওবায়দুল হক মানিক, মোহাম্মদ সেলিম, মাসুম বিল্লাহ রায়হান, মো. মনির হোসেন, আবুল কালাম, মো. আলিনুর, শরীয়ত উল্লাহ সবুজ ও সাইদুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বিদায়ী প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের পেশাদারত্ব, সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে তার গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তারা বলেন, সাংবাদিক ও কনস্যুলেটের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
আলোচনা শেষে প্রবাসী সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, দীর্ঘ দুই বছরের কর্মকালে আমি সকল সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। প্রবাসে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা আমার কাজকে অনেক সহজ করেছে।
তিনি আরও বলেন, তার দায়িত্বকালে প্রবাসী সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে যে আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও পেশাদারত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তা সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রবাসী সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে তিনি সবসময় সহযোগিতা করেছেন এবং বাংলাদেশ ও প্রবাসী গণমাধ্যমের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।