
বিডিজেন ডেস্ক

ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র হিসেবে চতুর্থ মেয়াদে বিজয় অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক লুৎফুর রহমান। দেশটির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রবল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তিনি। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি ব্রিটেনের ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাহী মেয়র হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছেন।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
এবারের নির্বাচনে নির্বাহী মেয়র পদে প্রার্থী ছিলেন ৯ জন। ভোটার ছিলেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৩০ জন। আর ভোট প্রদানের হার ছিল ৪২ দশমিক ১ শতাংশ।
লুৎফুর রহমানের আদি নিবাস সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায়। তবে তার শৈশব ও বেড়ে ওঠা পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসেই। এখানকার স্থানীয় স্কুলগুলোর পাঠ চুকিয়ে তিনি আইনশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৯৭ সালে সলিসিটর হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন। ২০০২ সালে স্পিটালফিল্ডস ও বাংলাটাউন ওয়ার্ড থেকে লেবার পার্টির কাউন্সিলর হিসেবে প্রথম রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। ২০১০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সরাসরি নির্বাচিত মেয়র হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন। পরবর্তীকালে লেবার পার্টির মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক দল ‘অ্যাস্পায়ার’ গঠন করেন এবং তৃণমূল মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যান।
বিজয়ের পর সাংবাদিকদের লুৎফুর রহমান বলেন, “এই বিজয় টাওয়ার হ্যামলেটসের আপামর জনসাধারণের।”

ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র হিসেবে চতুর্থ মেয়াদে বিজয় অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক লুৎফুর রহমান। দেশটির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রবল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তিনি। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি ব্রিটেনের ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাহী মেয়র হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছেন।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
এবারের নির্বাচনে নির্বাহী মেয়র পদে প্রার্থী ছিলেন ৯ জন। ভোটার ছিলেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৩০ জন। আর ভোট প্রদানের হার ছিল ৪২ দশমিক ১ শতাংশ।
লুৎফুর রহমানের আদি নিবাস সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায়। তবে তার শৈশব ও বেড়ে ওঠা পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসেই। এখানকার স্থানীয় স্কুলগুলোর পাঠ চুকিয়ে তিনি আইনশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৯৭ সালে সলিসিটর হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন। ২০০২ সালে স্পিটালফিল্ডস ও বাংলাটাউন ওয়ার্ড থেকে লেবার পার্টির কাউন্সিলর হিসেবে প্রথম রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। ২০১০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সরাসরি নির্বাচিত মেয়র হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন। পরবর্তীকালে লেবার পার্টির মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক দল ‘অ্যাস্পায়ার’ গঠন করেন এবং তৃণমূল মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যান।
বিজয়ের পর সাংবাদিকদের লুৎফুর রহমান বলেন, “এই বিজয় টাওয়ার হ্যামলেটসের আপামর জনসাধারণের।”
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।