
বিডিজেন ডেস্ক

ব্রিটেনের স্থানীয় নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক রানা রহমান। তার বিজয়কে ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন সেখানকার অধিবাসীরা। ইংল্যান্ডের সাউথ শিল্ডস এলাকার বিয়াকন ও বেন্টস ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। গত ৭ মে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া, এই ফলাফল যুক্তরাজ্যের স্থানীয় রাজনীতিতে বিকল্প ধারার উত্থান এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজে অভিবাসী নেতৃত্বের গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।
নির্বাচনের পর প্রতিক্রিয়ায় রানা রহমান বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক আবাসন এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে তিনি অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবেন তিনি।
রানা রহমানের এ জয় প্রবাসে বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্বের সক্ষমতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশিদের এ রাজনৈতিক অগ্রগতি ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক, কমিউনিটি উন্নয়ন এবং তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সেখানকার অধিবাসীরা।
রানা রহমান হবিগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

ব্রিটেনের স্থানীয় নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক রানা রহমান। তার বিজয়কে ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন সেখানকার অধিবাসীরা। ইংল্যান্ডের সাউথ শিল্ডস এলাকার বিয়াকন ও বেন্টস ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। গত ৭ মে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া, এই ফলাফল যুক্তরাজ্যের স্থানীয় রাজনীতিতে বিকল্প ধারার উত্থান এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজে অভিবাসী নেতৃত্বের গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।
নির্বাচনের পর প্রতিক্রিয়ায় রানা রহমান বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক আবাসন এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে তিনি অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবেন তিনি।
রানা রহমানের এ জয় প্রবাসে বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্বের সক্ষমতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশিদের এ রাজনৈতিক অগ্রগতি ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক, কমিউনিটি উন্নয়ন এবং তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সেখানকার অধিবাসীরা।
রানা রহমান হবিগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।