
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইংরেজি শাখার কৃতী শিক্ষার্থীদের গ্রাজুয়েশন সিরিমনি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে আয়োজিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে সনদপত্র দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম কাউন্সেলর খোন্দকার সিরাজুস সালেকিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব শ্রম নাজমুল হাসান, স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান খান, স্কুল পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ নাসির উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আসাদুজ্জামান, সদস্য ডা. শেখ মিজানুর রহমান, সুমন উর রশিদ ও আব্দুল আরিফ খান।

প্রধান অতিথি খোন্দকার সিরাজুস সালেকিন তার বক্তব্যে প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে মেধাবী এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখছে এবং স্কুলের সুনাম বয়ে আনছে। তিনি ধন্যবাদ জানান শিক্ষক ও অভিভাবকদের।
স্কুলের চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, স্কুলের শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে সকল প্রকার উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। আলহামদুলিল্লাহ আমরা এসএমসিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরে এই প্রথম আমাদের অনুষ্ঠান। আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের মতো করে সুন্দর একটা পরিবেশে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে আমাদের শিক্ষার্থীদের গ্রাজুয়েশন সনদ দেওয়ার।

তিনি বলেন, আমি আনন্দের সাথে বলতে চাই, আজকের এই গ্রাজুয়েশন সিরিমনিতে আমাদের আইজিসিএসই–এর ৪ জন শিক্ষার্থী ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে ছিলেন এবং আরেকজন ছিলেন এ লেভেলের। আমরা এবার প্রথম এসএমসি ঘোষণা করেছি, যারা ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে থাকবে। ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং হয় তিন ক্যাটাগরিতে। একটি টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড , আরেকটি টপ ইন দ্য কান্ট্রি এবং আরেকটি হলো টপ ইন দ্য রিজিওন। আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের জন্য ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের জন্য ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিগত দিনে কোটি টাকা দিয়েছিল অনুদান হিসেবে। আমরা এসএমসির দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল আমাদের বিগত দিনের কোটি টাকার হিসাব চেয়েছিলেন। তা আমরা প্রোভাইট করতে সক্ষম হয়েছি। যখন আমরা স্কুলের নিজস্ব একটা ভবন ক্রয় করার জন্য সরকার থেকে অনুদান চাই, কনস্যুলেট আমাদের কাছ থেকে এই হিসাবটা চায় এবং আলহামদুলিল্লাহ আমরা এই হিসাবটা দিতে পেরেছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে আশা করি বাংলাদেশ সরকার যেভাবে প্রবাসীদের কথা চিন্তা করছে, প্রবাসীদের উন্নয়নের কথা বলছে, বাংলাদেশ সরকার যদি প্রবাসীদের জন্য কিছু করতে চায় তবে এটি একটি বড় সুযোগ সৌদি আরবের জেদ্দার এই স্কুলটির নিজস্ব ভবন করে দেওয়া। যদি আমরা তা অর্জন করতে পারি তবে আমরা গর্বিত হবো।

অভিভাবকদের কয়েকজন বলেন, আমরা আজ গভীর গর্ব ও আনন্দ অনুভব করছি। আমাদের বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষার্থী দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং অর্জন করেছে, যা আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক ও গৌরবের বিষয়।
যদিও আমাদের প্রত্যাশা আরও অধিক ছিল, তবে অতীতের শিক্ষাগত মান ও কাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে হয়তো সেই প্রত্যাশা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা অতীতের সীমাবদ্ধতাকে পেছনে রেখে ভবিষ্যতের দিকে নতুন আশা ও দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের বর্তমান স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি (এসএমসি) এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের জন্য আরও বৃহৎ সাফল্য উপহার দেবে।

এই সাফল্যের পেছনে যারা নিরলসভাবে শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করেছেন—সম্মানিত এসএমসি সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকাকৃন্দ এবং সকল নন-টিচিং স্টাফ—তাদের প্রতি আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
বিশেষভাবে সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত ও সফল। এ ধরনের মানসম্মত ও অনুপ্রেরণামূলক আয়োজন অতীতে আমরা খুব কমই দেখার সুযোগ পেয়েছি। এই অনুষ্ঠান আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে।
অনুষ্ঠানটি ছাত্রছাত্রীদের বাবা-মার অংশগ্রহণে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
নৈশভোজের মাধ্যমে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইংরেজি শাখার কৃতী শিক্ষার্থীদের গ্রাজুয়েশন সিরিমনি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে আয়োজিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে সনদপত্র দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম কাউন্সেলর খোন্দকার সিরাজুস সালেকিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব শ্রম নাজমুল হাসান, স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান খান, স্কুল পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ নাসির উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আসাদুজ্জামান, সদস্য ডা. শেখ মিজানুর রহমান, সুমন উর রশিদ ও আব্দুল আরিফ খান।

প্রধান অতিথি খোন্দকার সিরাজুস সালেকিন তার বক্তব্যে প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে মেধাবী এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখছে এবং স্কুলের সুনাম বয়ে আনছে। তিনি ধন্যবাদ জানান শিক্ষক ও অভিভাবকদের।
স্কুলের চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, স্কুলের শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে সকল প্রকার উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। আলহামদুলিল্লাহ আমরা এসএমসিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরে এই প্রথম আমাদের অনুষ্ঠান। আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের মতো করে সুন্দর একটা পরিবেশে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে আমাদের শিক্ষার্থীদের গ্রাজুয়েশন সনদ দেওয়ার।

তিনি বলেন, আমি আনন্দের সাথে বলতে চাই, আজকের এই গ্রাজুয়েশন সিরিমনিতে আমাদের আইজিসিএসই–এর ৪ জন শিক্ষার্থী ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে ছিলেন এবং আরেকজন ছিলেন এ লেভেলের। আমরা এবার প্রথম এসএমসি ঘোষণা করেছি, যারা ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে থাকবে। ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং হয় তিন ক্যাটাগরিতে। একটি টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড , আরেকটি টপ ইন দ্য কান্ট্রি এবং আরেকটি হলো টপ ইন দ্য রিজিওন। আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের জন্য ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের জন্য ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিগত দিনে কোটি টাকা দিয়েছিল অনুদান হিসেবে। আমরা এসএমসির দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল আমাদের বিগত দিনের কোটি টাকার হিসাব চেয়েছিলেন। তা আমরা প্রোভাইট করতে সক্ষম হয়েছি। যখন আমরা স্কুলের নিজস্ব একটা ভবন ক্রয় করার জন্য সরকার থেকে অনুদান চাই, কনস্যুলেট আমাদের কাছ থেকে এই হিসাবটা চায় এবং আলহামদুলিল্লাহ আমরা এই হিসাবটা দিতে পেরেছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে আশা করি বাংলাদেশ সরকার যেভাবে প্রবাসীদের কথা চিন্তা করছে, প্রবাসীদের উন্নয়নের কথা বলছে, বাংলাদেশ সরকার যদি প্রবাসীদের জন্য কিছু করতে চায় তবে এটি একটি বড় সুযোগ সৌদি আরবের জেদ্দার এই স্কুলটির নিজস্ব ভবন করে দেওয়া। যদি আমরা তা অর্জন করতে পারি তবে আমরা গর্বিত হবো।

অভিভাবকদের কয়েকজন বলেন, আমরা আজ গভীর গর্ব ও আনন্দ অনুভব করছি। আমাদের বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষার্থী দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং অর্জন করেছে, যা আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক ও গৌরবের বিষয়।
যদিও আমাদের প্রত্যাশা আরও অধিক ছিল, তবে অতীতের শিক্ষাগত মান ও কাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে হয়তো সেই প্রত্যাশা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা অতীতের সীমাবদ্ধতাকে পেছনে রেখে ভবিষ্যতের দিকে নতুন আশা ও দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের বর্তমান স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি (এসএমসি) এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের জন্য আরও বৃহৎ সাফল্য উপহার দেবে।

এই সাফল্যের পেছনে যারা নিরলসভাবে শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করেছেন—সম্মানিত এসএমসি সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকাকৃন্দ এবং সকল নন-টিচিং স্টাফ—তাদের প্রতি আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
বিশেষভাবে সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত ও সফল। এ ধরনের মানসম্মত ও অনুপ্রেরণামূলক আয়োজন অতীতে আমরা খুব কমই দেখার সুযোগ পেয়েছি। এই অনুষ্ঠান আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে।
অনুষ্ঠানটি ছাত্রছাত্রীদের বাবা-মার অংশগ্রহণে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
নৈশভোজের মাধ্যমে শেষ হয় অনুষ্ঠান।
বক্তারা বিদায়ী প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের পেশাদারত্ব, সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে তার গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৯ দিন আগে