প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০টি শর্তের মধ্যে ৭টা পূরণ করেছে ২৬০ টি এজেন্সি এবং ৬টি পূরণ করেছে ১৬৩টি এজেন্সি। এই তালিকার মধ্যে থেকে মালয়েশিয়া যাদের কাজের সুযোগ দেবে তারাই কর্মী পাঠাতে পারবে।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির কয়েকজন মালিক জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নানা কারণে বন্ধ হলেও মূল সমস্যা হলো সিন্ডিকেট। ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর নতুন করে মালয়েশিয়া থেকে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে তাতে আবার আগের সিন্ডিকেট সদস্যরাই শ্রমশক্তি পাঠানোর সুযোগ পাবেন।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণকারী বিদেশি নিয়োগ এজেন্টদের একটি চক্র আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ ছাড়াই আবার সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ উঠেছে।