
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজকে (বায়রা) একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হলে যথাযথ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে দায়িত্ব প্রদানের পাশাপাশি সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ তুলে ধরার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের প্রার্থী ফাতিমা খাতুন।
আগামী ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বায়রার দ্বিবার্ষিক (২০২৬-২০২৮) নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) বায়রার পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের প্রার্থীদের অংশগ্রহণে এই সংলাপের আয়োজন করে।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে ১০ হাজার বর্গফুটের অফিসসহ যেসব শর্ত আরোপ করা হয়েছে তা আসলে সিন্ডিকেট এবং বৃহৎ রিক্রুটিং এজেন্সির স্বার্থেই রক্ষিত হবে বলে মনে করেন সাধারণ সদস্যরা। গতকাল এক সভায় লটারির মাধ্যমে প্রধান পদে নির্বাচনের বিষয়টি সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
নির্বাচনে প্রার্থী ফখরুল ইসলাম বলেন, সাধারণ সদস্যরা বায়রার বিভিন্ন কমিটিতে যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব ও গুরুত্ব পাচ্ছেন না। তিনি অঙ্গীকার করেন, তারা নির্বাচনে জিততে পারলে, বায়রার বিভিন্ন কমিটি অন্তর্ভুক্তিতে সাধারণ সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বায়রার নিজস্ব আরবিট্রেশন ব্যবস্থাকে সচল এবং সংগঠনের কর্মীদের কল্যাণে একটি স্বতন্ত্র তহবিল গঠন করবেন।
দিদারুল হক (নির্বাচনে প্রার্থী) দালাল নির্ভরতা বন্ধ করতে সরকার ও বায়রার সমন্বয়ে একটি কার্যকর ডিজিটাল সিস্টেম গড়ে তুলবেন বলে অঙ্গীকার করেন।
রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধি রিয়াজ-উল-ইসলাম (নির্বাচন প্রার্থী), বলেন, বায়রার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলো বর্তমানে কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। এসব প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবেন বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
রেহানা পারভিন (সাবেক কমিটির প্রতিনিধি) বলেন, আগের কমিটিতে যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেখা যেত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রাধান্য থাকে। আগামী নির্বাচনে এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চান তারা।
সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি শাকিল আকতার চৌধুরী বলেন, বায়রা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য লিখিত নির্বাচনী ইশতেহার থাকা জরুরি। তিনি এই বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করতে আহ্বান জানান নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের।
সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সির যথাযথ নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সুপারিশ ছিল তাদের সংখ্যা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কমিয়ে আনা। তা না হয়ে এ বছরে আরও ২৬৫ টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স দেওয়া হয়। ফলে রিক্রুটিং এজেন্সির পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বশীল ব্যবহারে বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
সংলাপটি পরিচালনা করেন রামরুর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনীম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, রাজনীতি, আমলাতন্ত্র এবং গুটিকতক রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যকার আঁতাত বন্ধ করার বিষয়টি এ বছর নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হওয়া প্রয়োজন।
সংলাপে উপস্থিত ছিলেন বায়রা নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী প্রার্থী, সংগঠনটির সাবেক কমিটি সদস্য, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজকে (বায়রা) একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হলে যথাযথ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে দায়িত্ব প্রদানের পাশাপাশি সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ তুলে ধরার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের প্রার্থী ফাতিমা খাতুন।
আগামী ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বায়রার দ্বিবার্ষিক (২০২৬-২০২৮) নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) বায়রার পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের প্রার্থীদের অংশগ্রহণে এই সংলাপের আয়োজন করে।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে ১০ হাজার বর্গফুটের অফিসসহ যেসব শর্ত আরোপ করা হয়েছে তা আসলে সিন্ডিকেট এবং বৃহৎ রিক্রুটিং এজেন্সির স্বার্থেই রক্ষিত হবে বলে মনে করেন সাধারণ সদস্যরা। গতকাল এক সভায় লটারির মাধ্যমে প্রধান পদে নির্বাচনের বিষয়টি সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
নির্বাচনে প্রার্থী ফখরুল ইসলাম বলেন, সাধারণ সদস্যরা বায়রার বিভিন্ন কমিটিতে যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব ও গুরুত্ব পাচ্ছেন না। তিনি অঙ্গীকার করেন, তারা নির্বাচনে জিততে পারলে, বায়রার বিভিন্ন কমিটি অন্তর্ভুক্তিতে সাধারণ সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বায়রার নিজস্ব আরবিট্রেশন ব্যবস্থাকে সচল এবং সংগঠনের কর্মীদের কল্যাণে একটি স্বতন্ত্র তহবিল গঠন করবেন।
দিদারুল হক (নির্বাচনে প্রার্থী) দালাল নির্ভরতা বন্ধ করতে সরকার ও বায়রার সমন্বয়ে একটি কার্যকর ডিজিটাল সিস্টেম গড়ে তুলবেন বলে অঙ্গীকার করেন।
রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধি রিয়াজ-উল-ইসলাম (নির্বাচন প্রার্থী), বলেন, বায়রার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলো বর্তমানে কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। এসব প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবেন বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
রেহানা পারভিন (সাবেক কমিটির প্রতিনিধি) বলেন, আগের কমিটিতে যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেখা যেত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রাধান্য থাকে। আগামী নির্বাচনে এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চান তারা।
সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি শাকিল আকতার চৌধুরী বলেন, বায়রা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য লিখিত নির্বাচনী ইশতেহার থাকা জরুরি। তিনি এই বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করতে আহ্বান জানান নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের।
সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সির যথাযথ নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সুপারিশ ছিল তাদের সংখ্যা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কমিয়ে আনা। তা না হয়ে এ বছরে আরও ২৬৫ টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স দেওয়া হয়। ফলে রিক্রুটিং এজেন্সির পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বশীল ব্যবহারে বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
সংলাপটি পরিচালনা করেন রামরুর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনীম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, রাজনীতি, আমলাতন্ত্র এবং গুটিকতক রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যকার আঁতাত বন্ধ করার বিষয়টি এ বছর নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হওয়া প্রয়োজন।
সংলাপে উপস্থিত ছিলেন বায়রা নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী প্রার্থী, সংগঠনটির সাবেক কমিটি সদস্য, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।