logo
খবর

দেড় বছর ধরে বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, নতুন শর্তে আবারও সিন্ডিকেটের আশঙ্কা

প্রতিবেদক, বিডিজেন১ দিন আগে
Copied!
দেড় বছর ধরে বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, নতুন শর্তে আবারও সিন্ডিকেটের আশঙ্কা
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ২০২৪ সালের মে মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। বন্ধ হওয়ার আগে চুক্তি অনুসারে ১৭ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারেনি। এদিকে নতুন করে কর্মী নেওয়ার জন্য গত বছর ১০ মানদণ্ড নির্ধারণ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দিয়েছিল মালয়েশিয়া। মন্ত্রণালয় সেই মানদণ্ডটি ২৯ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করে। এই শর্তগুলোর কারণে আগের সিন্ডিকেটই আবার সক্রিয় হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহত্তম এই শ্রমবাজার চালুর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে আগের সিন্ডিকেটই। এর পেছেন আছে দুই দেশের শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রভাবশালী গোষ্ঠী।

বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির কয়েকজন মালিক জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নানা কারণে বন্ধ হলেও মূল সমস্যা হলো সিন্ডিকেট। ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর নতুন করে মালয়েশিয়া থেকে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে তাতে আবার আগের সিন্ডিকেট সদস্যরাই শ্রমশক্তি পাঠানোর সুযোগ পাবেন।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রম বাজারের ইতিহাস

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুসারে বাংলাদেশ থেকে প্রথম ১৯৭৮ সালে ২৩ জন কর্মী মালয়েশিয়া যায়। এরপর বিচ্ছিন্নভাবে কয়েক বছরে আরও ৫০০ জনের বেশি কর্মী যায়। ১৯৯২ সালে প্রথম দুই দেশের জনশক্তি নিয়োগের চুক্তি হলে ১০ হাজারের বেশি কর্মী যায়। এরপর ১৯৯৩ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ কর্মী দেশটিতে যায়। ১৯৯৭ সালে অনিয়ম পন্থায় কর্মী যাচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় দেশটিতে। ২০০১ সালে আরেক দফা কর্মী নেওয়া বন্ধ হয়। ২০০৬ সালের শেষে এসে কলিং ভিসায় রেকর্ড পরিমাণ কর্মী দেশটিতে যায়। পরে ২০০৯ সালে আবার কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় দেশটি। ২০১২ সালে সরকারিভাবে কর্মী পাঠাতে দুই দেশের মধ্যে জিটুজি চুক্তি হয়। এই চুক্তি ব্যর্থ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকার সমঝোতা স্মারকে সই করে। তবে এই চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘন্টা পরই মালয়েশিয়া আবার কর্মী না নেওয়ার ঘোষণা দেয়। ২০১৭ সালে প্রায় এক লাখ কর্মী মালয়েশিয়ায় যায়। পরে নানা অভিযোগে ২০১৮ সালে সেটিও বন্ধ করে মালয়েশিয়ার তৎকালীন মাহাথির মোহাম্মদের সরকার। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার সরকার আবার কর্মী প্রেরণ বিষয়ক একটি সমঝোতা স্বারক সই করে। কিন্তু তারপরও কর্মী নিয়োগ বন্ধ ছিল। পরে একটি সমঝোতা চুক্তির আওতায় মালয়েশিয়ার ঠিক করে দেওয়া ১০২টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে কর্মী নিয়োগ শুরু হয়। তারপর সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশের জন্য আবারও বন্ধ হয় বাজারটি।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট যেভাবে এসেছে

২০১৫ সালের আগে নানা অভিযোগ ও কারণে দফায় দফায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়। ওই বছর ১০টি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়েছিল মালয়েশিয়া। এটা সিন্ডিকেট নামে পরিচিতি পায়। জিটুজি প্লাস নামের এই পদ্ধতিতে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেয় দেশটি। তারপর ২০২২ সালের আগস্টে আবার শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হয়। সব এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত রাখার আন্দোলন হলেও তা করা হয়নি শেষ পর্যন্ত। প্রথমে ২৫ এজেন্সি দায়িত্ব পেলেও পরে এটি বাড়িয়ে ১০০ এজেন্সি করা হয়। ২০২৪ সালের মে মাসে এই শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর নতুন করে কর্মী পাঠানোর জন্য ১০টি শর্ত দিয়েছে মালয়েশিয়া। এসব শর্তের মাধ্যমে আবারও সূক্ষ্মভাবে সিন্ডিকেট সদস্যরা কাজ করতে পারবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সিন্ডিকেটের মূল হোতা হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দেশটির এক নাগরিক। বাংলাদেশে তার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের কয়েকজন। এ ছাড়া, দুই দেশের রাজনৈতিক প্রভাবশালীরাও এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। যারা মূলত কর্মী নিবন্ধন, ভিসা ক্রয়সহ নানা কাজে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে থাকেন এবং টাকা পাচারের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মালয়েশিয়ার নতুন শর্তে যেভাবে আবার সিন্ডিকেট হতে পারে

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু করতে প্রচেষ্টা ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়া থেকে ১০টি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রিক্রুইটমেন্ট এজেন্সিদের তালিকা চাওয়া হয়। এর প্রক্ষিতে একদিন পর ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি (বায়রা) বরাবর একটি চিঠি ইস্যু করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। চিঠিতে যেসব এজেন্সি শর্ত পূরণ করতে পারবে এমন এজেন্সিদের নিবন্ধন করতে বলা হয়।

শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল লাইসেন্স প্রাপ্তির পর ন্যূনতম ৫ বছর সন্তোষজনক কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা; বিগত ৫ বছরে বিদেশে ন্যূনপক্ষে ৩ হাজার কর্মী প্রেরণের প্রমাণ; বিগত ৫ বছরের মধ্যে অন্তত ৩টি ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্য দেশে কর্মী প্রেরণ ও কর্মসংস্থানের অভিজ্ঞতা; সামগ্রিক সুবিধাদিসহ রিক্রুটিং এজেন্সির নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন কেন্দ্র; এজেন্সির অনুকূলে পৃথক পৃথক ৫ জন আন্তর্জাতিক নিয়োগকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত সন্তোষজনকভাবে অভিবাসন কার্যক্রম সম্পাদানের প্রশংসাপত্র; রিক্রুটিং এজেন্সির অবশ্যই কমপক্ষে ৩ বছর যাবৎ পরিচালিত ন্যূনপক্ষে ১০ হাজার বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট একটি স্থায়ী অফিস থাকতে হবে ইত্যাদি।

শর্তগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সর্বশেষ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছিল যে ১০২টি এজেন্সি, তাদের কারও কারও পক্ষেও এই শর্ত পূরণ করা সম্ভব হবে না। তবে বেশির ভাগসহ কিছু বড় এজেন্সি এই শর্ত পূরণ করতে পারবে। এই শর্তের কারণে আবারও সূক্ষ্মভাবে সিন্ডিকেট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বায়রার সদস্য এক রিক্রুটিং এজেন্সি মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এসব শর্ত অল্প কিছু এজেন্সি রয়েছে যারা পূরণ করতে পারবে। ইতিপূর্বে যেনব এজেন্সি সিন্ডিকেট করে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছিল তারা পূরণ করতে পারবে। আসলে আরও সূক্ষ্ম সিন্ডিকেট করার জন্যই এসব শর্ত। তার প্রশ্ন মালয়েশিয়া কেন কর্মী নেওয়ার জন্য এমন অদ্ভুত শর্ত দেবে। সরকারের এসব বিষয়ে কূটনৈতিক কার্যক্রম শক্তভাবে করা উচিত।

জনশক্তি প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠান আদিব এয়ার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের সত্ত্বাধিকারী কে এম মোবারক উল্লাহ (শিমুল) বলেন, বাংলাদেশের কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে শ্রমবাজার খুলছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হওয়ার পর মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একটি সভা হয়। সেখানে তারা প্রাথমিকভাবে কিছু শ্রমিক নেওয়ার কথা জানালেও আমাদের দেশ থেকে অনেক পরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এ ছাড়া, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার জন্য বর্তমানে যেসব শর্ত দিয়েছে, সেসব বিষয় কূটনীতিকভাবে আরও সহজ করা উচিত। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে কূটনীতিক ব্যর্থতা আছে সেটি বোঝা যাচ্ছে, কারণ অন্য দেশ থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যাচ্ছে। কিন্তু আমরা এখনো পাঠাতে পারছি না।

নাম প্রকাশ না করে আরেক রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মালিক বলেন, বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার এমন হয়েছে যে, ঘুষ বা অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কর্মী পাঠানো প্রায় অসম্ভব। কারণ অতীতে যাতবার বন্ধ হয়েছে ততবার আরও বেশি টাকা দিয়ে এই বাজারে জনশিক্ত পাঠানো হয়েছে। ফলে তারা ধরেই নিয়েছে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব। ফলে এই সিন্ডিকেট ভাঙ্গা অনেকটায় অসম্ভব।

রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধের পর আবার নতুন করে খোলার জন্য এক ধরনের চুক্তি হচ্ছে বলে শুনেছি। তবে এখানেও আবার সিন্ডিকেট হবে। কারণ যেসব শর্তে এই শ্রমবাজার খোলার প্রক্রিয়া হচ্ছে তাদের আবার নির্দিষ্ট কিছু এজেন্সিরা কর্মী পাঠাতে পারবে। আমরা এমন অস্বচ্ছ ভাবে কর্মী পাঠানোর পক্ষে নই। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ার কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ ও ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বিডিজেনকে বলেন, গত দেড় বছর ধরে মালয়েশিয়ার কর্মী নিয়োগ বন্ধ। এখন আবার এজেন্সি বাছাইয়ের নামে যেসব শর্ত দেখা যাচ্ছে তাতে আবারও গুটিকয়েকের হাতে ব্যবসা চলে যাবে। আসলে মালয়েশিয়ার কর্মী নিয়োগে কোনোভাবেই সিন্ডিকেট থাকা উচিত নয়। স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ছাড়া কর্মী পাঠানো উচিত হবে না। দুই সরকার এ ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থানে থাকলে মালয়েশিয়া অবশ্যই সচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী নিতে বাধ্য হবে।

তিনি বলেন, গত চার দশক ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া দেখলে বোঝা যায় প্রতিবার কোনো না কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মে এই শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। এরপর নতুন পদ্ধতির নামে আগের চেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। গত এক দশকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলে গেছে সিন্ডিকেটের কবলে, যার পেছনে দুই দেশের একটা চক্র জড়িত। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই চক্রের কেউ জড়িত থাকলে দুর্নীতি ও টাকা পাচার হতেই থাকবে। সর্বশান্ত হবে সাধারণ মানুষ।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া বিডিজেনকে বলেন, আমরা কোনো সিন্ডিকেট বুঝি না। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার স্বচ্ছ করার জন্য কাজ করছি। আমরা চাই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে এজেন্সিদের প্রতিযোগিতা হোক। নতুন করে কর্মী পাঠানোর জন্য মালয়েশিয়ার ১০টি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রিক্রুইটমেন্ট এজেন্সিদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তবে তাদের সব শর্ত খুব কম এজেন্সি পূরণ করতে পারবে। তাই ৩ থেকে ৪টি শর্ত পূরণ করতে পারে এমন সব এজেন্সিদের তালিকাও আমরা করেছি। দ্রুতই আমরা সেই তালিকা প্রেরণ করব।

আরও দেখুন

২ দিনের মধ্যে গ্রাহকের হিসাবে রেমিট্যান্স জমার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

২ দিনের মধ্যে গ্রাহকের হিসাবে রেমিট্যান্স জমার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

নতুন নির্দেশনার আওতায় অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্সের (অভ্যন্তরীণ প্রবাসী আয়) বার্তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদ ইলেকট্রনিক মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে।

২১ ঘণ্টা আগে

দেড় বছর ধরে বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, নতুন শর্তে আবারও সিন্ডিকেটের আশঙ্কা

দেড় বছর ধরে বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, নতুন শর্তে আবারও সিন্ডিকেটের আশঙ্কা

বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির কয়েকজন মালিক জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নানা কারণে বন্ধ হলেও মূল সমস্যা হলো সিন্ডিকেট। ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর নতুন করে মালয়েশিয়া থেকে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে তাতে আবার আগের সিন্ডিকেট সদস্যরাই শ্রমশক্তি পাঠানোর সুযোগ পাবেন।

১ দিন আগে

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবকের মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবকের মৃত্যু

গত মঙ্গলবার রাতে রিয়াদ শহরের আল আরিথ দিয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে ফুড ডেলিভারি দিতে যাওয়ার পথে পেছন থেকে আসা দ্রুত গতির একটি প্রাইভেটকার বাবলুকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এতে তার মাথা থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

১ দিন আগে

সাধারণ মানুষদের জন্য দূতাবাসের সামনের দরজা খোলা থাকে না: ড. শহিদুল আলম

সাধারণ মানুষদের জন্য দূতাবাসের সামনের দরজা খোলা থাকে না: ড. শহিদুল আলম

শহিদুল আলম বলেন, অভিবাসীদের সবার আগে মানুষ হিসেব দেখা প্রয়োজন। আমি বিভিন্ন সময় নানা জায়গা ও দেশে গিয়েছি। বিদেশে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরসহ অনেক জায়গায় অভিবাসীদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়, তাতে বোঝা যায় আমরা কীভাবে তাদের দেখি।

২ দিন আগে