
বিডিজেন ডেস্ক

নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন কার্যক্রম জোরদার করতে আরও ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে পিকেএসএফ। এর ফলে চলতি অর্থবছরে এ খাতে প্রতিষ্ঠানটির মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পিকেএসএফ।
গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের ২৬৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সভায় ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের উন্নয়নে আরও ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে এ খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ালো ৫ হাজার ৭৪১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এ অর্থের সঙ্গে নিজস্ব তহবিল ও অন্য উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংযুক্ত করে সহযোগী সংস্থাগুলো মাঠ পর্যায়ে প্রায় ২০ গুণ বেশি অর্থ বিতরণ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রাজধানীর শ্যামলীতেত পিকেএসএফ ভবন-২-এ অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। এতে উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সহিদ আকতার হোসাইন, নূরুন নাহার, ফারজানা চৌধুরী, ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম, লীলা রশিদ এবং পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো, ফজলুল কাদের।

নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন কার্যক্রম জোরদার করতে আরও ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে পিকেএসএফ। এর ফলে চলতি অর্থবছরে এ খাতে প্রতিষ্ঠানটির মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পিকেএসএফ।
গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের ২৬৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সভায় ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের উন্নয়নে আরও ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে এ খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ালো ৫ হাজার ৭৪১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এ অর্থের সঙ্গে নিজস্ব তহবিল ও অন্য উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংযুক্ত করে সহযোগী সংস্থাগুলো মাঠ পর্যায়ে প্রায় ২০ গুণ বেশি অর্থ বিতরণ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রাজধানীর শ্যামলীতেত পিকেএসএফ ভবন-২-এ অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। এতে উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সহিদ আকতার হোসাইন, নূরুন নাহার, ফারজানা চৌধুরী, ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম, লীলা রশিদ এবং পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো, ফজলুল কাদের।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।