অন্তর্বর্তী সরকারের আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।
বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা, ভোটারদের একটি অংশকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করাসহ গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে— এমন সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলতে বাংলাদেশকে পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে বর্তমান সরকার শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের বিধান বাদ দেওয়া, দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করা, সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও বেতন বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছেন সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইনজীবীরা।
টঙ্গীর তুরাগ নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম তীরের কামারপুর, আব্দুল্লাহপুর, উত্তরা সেক্টর-১০ ও এর আশেপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে প্রস্তাব পাস করেছে। ব্যাপক তর্ক-বিতর্কের পর বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রস্তাবটি পাস হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ৩৪টি, বিপক্ষে পড়েছে ১৯টি।
বাংলাদেশের ৫৭ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়ার পক্ষে, অন্যদিকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ।