
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা থেকে

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদ্যাপন করেছে।এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জেদ্দা কনস্যুলেটের অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত করা হয়। এরপর জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি বিশেষ ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা পর্বে ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসান জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ওপর বক্তব্য দেন।
ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন ও জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি শোষণমুক্ত ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন আমাদের শোষণমুক্ত, ন্যয়ভিত্তিক ও বৈষম্যমুক্ত সমাজগঠনে উজ্জীবিত করবে।
ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল সৌদি প্রবাসীদের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের কষ্টার্জিত আয়ে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এবং জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পেছনে প্রবাসীদের নীরব ভূমিকা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক। তারা শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকে নয়, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়েও পরিবর্তনের পক্ষে কাজ করেছেন। আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়ে বহু প্রবাসী সচেতনভাবে রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করে সরকারের অর্থনৈতিক প্রবাহে চাপ সৃষ্টি করেন, যা আন্দোলনের গতি বাড়িয়ে দেয়। প্রবাসীদের এমন ভূমিকা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও মন্তব্য করেছেন। প্রবাসী শ্রমিকেরা দেশ গড়ার কারিগর। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে তারা বড় ভূমিকা পালন করেছিল। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ভূমিকাও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সকলকে সৌদি আইন মেনে সকল প্রকার অবৈধ কাজ হতে বিরত থাকতে এবং বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণের আহবান জানান।
পরিশেষে, জুলাই-আগস্ট গণঅভুত্থানে শহিদদের রূহের মাগফিরাত এবং দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেদ্দাস্থ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় বাংলাদেশি সাংবাদিকবৃন্দসহ জেদ্দা প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদ্যাপন করেছে।এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জেদ্দা কনস্যুলেটের অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত করা হয়। এরপর জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি বিশেষ ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা পর্বে ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসান জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ওপর বক্তব্য দেন।
ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন ও জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি শোষণমুক্ত ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন আমাদের শোষণমুক্ত, ন্যয়ভিত্তিক ও বৈষম্যমুক্ত সমাজগঠনে উজ্জীবিত করবে।
ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল সৌদি প্রবাসীদের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের কষ্টার্জিত আয়ে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এবং জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পেছনে প্রবাসীদের নীরব ভূমিকা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক। তারা শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকে নয়, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়েও পরিবর্তনের পক্ষে কাজ করেছেন। আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়ে বহু প্রবাসী সচেতনভাবে রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করে সরকারের অর্থনৈতিক প্রবাহে চাপ সৃষ্টি করেন, যা আন্দোলনের গতি বাড়িয়ে দেয়। প্রবাসীদের এমন ভূমিকা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও মন্তব্য করেছেন। প্রবাসী শ্রমিকেরা দেশ গড়ার কারিগর। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে তারা বড় ভূমিকা পালন করেছিল। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ভূমিকাও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সকলকে সৌদি আইন মেনে সকল প্রকার অবৈধ কাজ হতে বিরত থাকতে এবং বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণের আহবান জানান।
পরিশেষে, জুলাই-আগস্ট গণঅভুত্থানে শহিদদের রূহের মাগফিরাত এবং দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেদ্দাস্থ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় বাংলাদেশি সাংবাদিকবৃন্দসহ জেদ্দা প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে