
কাজী ইনসানুল হক, টোকিও, জাপান

কোনো একক জেলা নয়, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার প্রবাসীদের সমন্বয়ে জাপানে শুরু হলো উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপানের পথচলা।
গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী টোকিওর বৈরী আবহাওয়া অগ্রাহ্য করে জাপনপ্রবাসী উত্তরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী সমবেত হয়ে ‘উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপানের সূচনালগ্নে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন।

জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে যা ৫০ হাজার হতে আর বেশি দিন লাগবে না। পরিসংখানে দেখা গেছে, ২০১৩ সালে সংখ্যটি ছিল মাত্র ৯ হাজার ১১৫ জন। ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয় ৩১ হাজার ৫০০ জন। একই বছরের ডিসেম্বরে তা ৩৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এই উর্ধগতির সূচক বাড়ছে নতুন শিক্ষার্থী, টেকনিক্যাল ইর্ন্টানশিপ প্রোগ্রাম (টিআইপি) ও স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামে (এসএসডব্লিউ) আসার সূত্রে।

বেসরকারি সূত্রে জাপানে উত্তরবঙ্গের প্রবাসীর সংখা হাজারের মতো। উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপানে আমাদের সদস্য সংখা প্রায় ৩০০। এর মানে বিপুলসংখ্যক উত্তরবঙ্গের প্রবাসীদের কাছে আমরা এখনো পৌঁছাতে পারিনি।
সংগঠনের সূচনা দিনে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে আমরা একটি চমৎকার দিন কাটাই। সবার সঙ্গে পরিচিতি, মতবিনিময় এবং সব শেষে সবার মতামতের ভিত্তিতে দুই বছরের জন্য পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়।

নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন—মুন্সি রোকেয়া সুলতানা (রেনু), কাজী ইনসানুল হক, বিমান পোদ্দার, কাজী আসগর আহমেদ সানি, আব্দুস সামাদ কামাল।
পরিচালনা পর্ষদ—সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর জাকির হোসেন; সহ সভাপতি শাহীন মিজানুর রহমান ও আবু সালেহ্ মো. জিনিয়াস; সাধারণ সম্পাদক এস এম জি মোস্তফা; যুগ্ম সম্পাদক সুমন জায়েদি. জাহিদ চৌধুরী, সোমা রুমানা, এম ডি আলম (মাহি), রুহানী আকিয়ামা, মাবুদ সরকার, কামরুজ্জামান, আসাদ জামান ও সায়েদ আহমেদ হোসাইন অমিত; কোষাধ্যক্ষ মো. মাহমুদুল ইসলাম ইকো।
এ ছাড়াও প্রত্যেক জেলা থেকে একজন পুরুষ ও একজন নারীকে নিয়ে মোট ৩২ সদস্যের একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক সম্পাদকের টিম গঠন করা হয়।

জাপানে বসবাসরত প্রবাসীদের আমন্ত্রণ করে আগামী ৩ মাসের মধ্যে নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সব শেষে সারা জাপানে ছড়িয়ে থাকা উত্তরবঙ্গের সকল প্রবাসী ভাই–বোনদের কাছে আমাদের এই সংগঠনের বার্তা পৌঁছে দিয়ে সর্বোচ্চসংখক সদস্য নিবন্ধন করে দেশের জন্য তাদের মূল্যবান জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর আশা ব্যাক্ত করা হয়।

কোনো একক জেলা নয়, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার প্রবাসীদের সমন্বয়ে জাপানে শুরু হলো উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপানের পথচলা।
গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী টোকিওর বৈরী আবহাওয়া অগ্রাহ্য করে জাপনপ্রবাসী উত্তরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী সমবেত হয়ে ‘উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপানের সূচনালগ্নে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন।

জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে যা ৫০ হাজার হতে আর বেশি দিন লাগবে না। পরিসংখানে দেখা গেছে, ২০১৩ সালে সংখ্যটি ছিল মাত্র ৯ হাজার ১১৫ জন। ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয় ৩১ হাজার ৫০০ জন। একই বছরের ডিসেম্বরে তা ৩৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এই উর্ধগতির সূচক বাড়ছে নতুন শিক্ষার্থী, টেকনিক্যাল ইর্ন্টানশিপ প্রোগ্রাম (টিআইপি) ও স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামে (এসএসডব্লিউ) আসার সূত্রে।

বেসরকারি সূত্রে জাপানে উত্তরবঙ্গের প্রবাসীর সংখা হাজারের মতো। উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপানে আমাদের সদস্য সংখা প্রায় ৩০০। এর মানে বিপুলসংখ্যক উত্তরবঙ্গের প্রবাসীদের কাছে আমরা এখনো পৌঁছাতে পারিনি।
সংগঠনের সূচনা দিনে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে আমরা একটি চমৎকার দিন কাটাই। সবার সঙ্গে পরিচিতি, মতবিনিময় এবং সব শেষে সবার মতামতের ভিত্তিতে দুই বছরের জন্য পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়।

নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন—মুন্সি রোকেয়া সুলতানা (রেনু), কাজী ইনসানুল হক, বিমান পোদ্দার, কাজী আসগর আহমেদ সানি, আব্দুস সামাদ কামাল।
পরিচালনা পর্ষদ—সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর জাকির হোসেন; সহ সভাপতি শাহীন মিজানুর রহমান ও আবু সালেহ্ মো. জিনিয়াস; সাধারণ সম্পাদক এস এম জি মোস্তফা; যুগ্ম সম্পাদক সুমন জায়েদি. জাহিদ চৌধুরী, সোমা রুমানা, এম ডি আলম (মাহি), রুহানী আকিয়ামা, মাবুদ সরকার, কামরুজ্জামান, আসাদ জামান ও সায়েদ আহমেদ হোসাইন অমিত; কোষাধ্যক্ষ মো. মাহমুদুল ইসলাম ইকো।
এ ছাড়াও প্রত্যেক জেলা থেকে একজন পুরুষ ও একজন নারীকে নিয়ে মোট ৩২ সদস্যের একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক সম্পাদকের টিম গঠন করা হয়।

জাপানে বসবাসরত প্রবাসীদের আমন্ত্রণ করে আগামী ৩ মাসের মধ্যে নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সব শেষে সারা জাপানে ছড়িয়ে থাকা উত্তরবঙ্গের সকল প্রবাসী ভাই–বোনদের কাছে আমাদের এই সংগঠনের বার্তা পৌঁছে দিয়ে সর্বোচ্চসংখক সদস্য নিবন্ধন করে দেশের জন্য তাদের মূল্যবান জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর আশা ব্যাক্ত করা হয়।
নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন—মুন্সি রোকেয়া সুলতানা (রেনু), কাজী ইনসানুল হক, বিমান পোদ্দার, কাজী আসগর আহমেদ সানি, আব্দুস সামাদ কামাল।
বাংলাদেশে বসন্ত আসে রং, গানে আর হাসিতে। প্রবাসের মাটিতেও যেন সেই দেশি আবহ, বসন্তের রঙ আর সংস্কৃতির উষ্ণতা অনুভব করা যায় সে লক্ষ্যে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করতে বাংলাদেশ সমিতির নারী উইং বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি আরও বলেন, নিউইর্য়কে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ও নাগরিক অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তার মধ্যে নির্বাচিত বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধির অভাব, সিটির সরকারি উচ্চপদে বাংলাদেশিদের সীমিত উপস্থিতি এবং পরিবার ও তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কমিউনিটি সেন্টারের অভাব উল্লেখযোগ্য।
এবারের তিন দিনব্যাপী এনএমএফ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যানবেরা (বিএএসি) সবকটি অঙ্গনে তাদের উপস্থিতি তুলে ধরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বাংলাদেশি খাবারের ষ্টলের মাধ্যমে যা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও শিল্পসত্তাকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে সুচারুভাবে তুলে ধরে।

তিনি আরও বলেন, নিউইর্য়কে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ও নাগরিক অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তার মধ্যে নির্বাচিত বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধির অভাব, সিটির সরকারি উচ্চপদে বাংলাদেশিদের সীমিত উপস্থিতি এবং পরিবার ও তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কমিউনিটি সেন্টারের অভাব উল্লেখযোগ্য।
১ দিন আগে
এবারের তিন দিনব্যাপী এনএমএফ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যানবেরা (বিএএসি) সবকটি অঙ্গনে তাদের উপস্থিতি তুলে ধরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বাংলাদেশি খাবারের ষ্টলের মাধ্যমে যা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও শিল্পসত্তাকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে সুচারুভাবে তুলে ধরে।
২ দিন আগে