
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ সমিতির নারী উইংয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসন্ত উৎসব।
বাংলাদেশে বসন্ত আসে রং, গানে আর হাসিতে। প্রবাসের মাটিতেও যেন সেই দেশি আবহ, বসন্তের রঙ আর সংস্কৃতির উষ্ণতা অনুভব করা যায় সে লক্ষ্যে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করতে বাংলাদেশ সমিতির নারী উইং বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আবুধাবির আল বাহিয়া পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্নাঢ্য এ আয়োজনে ছিল বাঙালিয়ানা স্বাদের চিতই পিঠা, পুলী পিঠা, মুগ পাকন, সাজ পিঠা, নকশি পিঠা, দুধ চিতই, চিড়ার মোয়া, মুড়ির মোয়াসহ ২৫ রকমের বাহারি পিঠার উৎসব, বাসন্তী রঙের সাজগোজ, ফটো সেশন, গল্প আড্ডা, গানের আসর, খানাপিনাসহ আরও অনেক কিছু। বাসন্তী রঙের ফুলে ফুলে সাজানো আসরে বাসন্তী রঙের শাড়ি পড়া উচ্ছ্বসিত প্রবাসী নারীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে উৎসব পরিণত এক টুকরো বাংলাদেশে।

অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা জানান, বসন্ত উৎসব শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, দেশীয় সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক আন্তরিক প্রচেষ্টা। উৎসবে আগতরা এত সুন্দর একটি আয়োজন উপহার দেওয়ার জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি বহির্বিশ্বে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশ সমিতির উদ্যোগে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ সমিতির নারী উইংয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসন্ত উৎসব।
বাংলাদেশে বসন্ত আসে রং, গানে আর হাসিতে। প্রবাসের মাটিতেও যেন সেই দেশি আবহ, বসন্তের রঙ আর সংস্কৃতির উষ্ণতা অনুভব করা যায় সে লক্ষ্যে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করতে বাংলাদেশ সমিতির নারী উইং বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আবুধাবির আল বাহিয়া পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্নাঢ্য এ আয়োজনে ছিল বাঙালিয়ানা স্বাদের চিতই পিঠা, পুলী পিঠা, মুগ পাকন, সাজ পিঠা, নকশি পিঠা, দুধ চিতই, চিড়ার মোয়া, মুড়ির মোয়াসহ ২৫ রকমের বাহারি পিঠার উৎসব, বাসন্তী রঙের সাজগোজ, ফটো সেশন, গল্প আড্ডা, গানের আসর, খানাপিনাসহ আরও অনেক কিছু। বাসন্তী রঙের ফুলে ফুলে সাজানো আসরে বাসন্তী রঙের শাড়ি পড়া উচ্ছ্বসিত প্রবাসী নারীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে উৎসব পরিণত এক টুকরো বাংলাদেশে।

অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা জানান, বসন্ত উৎসব শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, দেশীয় সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক আন্তরিক প্রচেষ্টা। উৎসবে আগতরা এত সুন্দর একটি আয়োজন উপহার দেওয়ার জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি বহির্বিশ্বে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশ সমিতির উদ্যোগে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে বাংলাদেশের নিরীহ, নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মানুষের ওপর পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত ইতিহাসের জঘন্যতম বর্বরোচিত গণহত্যাকে স্মরণ করে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে জীবন উৎসর্গকারী সকল সূর্য সন্তান, সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
দিবসটি উপলক্ষে কনসাল জেনারেলের সভাপতিত্বে কনস্যুলেট মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণীসমূহ পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর দিবসের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে প্রথমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর স্কুলে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।