
বিডিজেন ডেস্ক

বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) আয়োজিত আন্তর্জাতিক সভায় অংশগ্রহণের অনুমোদন পেয়েছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গবেষক শাহাবুদ্দিন শুভ।
আগামী ১৮–১৯ মে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত ইউনেসকোর সদর দপ্তরে এই আন্তর্জাতিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, গবেষক, সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকেরা অংশগ্রহণ করবেন।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে বিশ্বপর্যায়ের আলোচনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই সভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদী।

বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) আয়োজিত আন্তর্জাতিক সভায় অংশগ্রহণের অনুমোদন পেয়েছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গবেষক শাহাবুদ্দিন শুভ।
আগামী ১৮–১৯ মে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত ইউনেসকোর সদর দপ্তরে এই আন্তর্জাতিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, গবেষক, সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকেরা অংশগ্রহণ করবেন।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে বিশ্বপর্যায়ের আলোচনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই সভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদী।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।