

বিডিজেন ডেস্ক

তুরস্কে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত পরামর্শমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বুধবার (১ জুলাই) রাজধানী আঙ্কারায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তুরস্কে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক। সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেখার রহমান।
আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে অংশ নেন বাসকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান উনাল এবং আঙ্কারার ডিপ্লোম্যাটিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সিগমা ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. আহমেদ দোলান।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার, প্রতিরক্ষা শিল্পে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রকৌশলী, গবেষক ও উদ্ভাবকদের দক্ষতা কাজে লাগানোর বিষয়।
বিশেষজ্ঞরা তুরস্কের আত্মনির্ভরশীল প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা, মানবসম্পদে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং দেশীয় উদ্ভাবনের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তুত করা বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক গবেষণা প্রশ্নপত্র নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও ব্যবহারিক সুপারিশ গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রাণবন্ত মতবিনিময় করেন। বৈঠকে দেওয়া সুপারিশগুলো বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও কার্যকর করা এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশল প্রণয়নে সহায়ক হবে বলে মত দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সংলাপ ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

তুরস্কে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত পরামর্শমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বুধবার (১ জুলাই) রাজধানী আঙ্কারায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তুরস্কে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক। সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেখার রহমান।
আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে অংশ নেন বাসকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান উনাল এবং আঙ্কারার ডিপ্লোম্যাটিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সিগমা ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. আহমেদ দোলান।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার, প্রতিরক্ষা শিল্পে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রকৌশলী, গবেষক ও উদ্ভাবকদের দক্ষতা কাজে লাগানোর বিষয়।
বিশেষজ্ঞরা তুরস্কের আত্মনির্ভরশীল প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা, মানবসম্পদে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং দেশীয় উদ্ভাবনের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তুত করা বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক গবেষণা প্রশ্নপত্র নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও ব্যবহারিক সুপারিশ গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রাণবন্ত মতবিনিময় করেন। বৈঠকে দেওয়া সুপারিশগুলো বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও কার্যকর করা এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশল প্রণয়নে সহায়ক হবে বলে মত দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সংলাপ ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।