
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

বাতাসে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা, কারা যেন ডাকিলো পিছে, বসন্ত এসে গেছে’—ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে বর্ণাঢ্য বসন্ত উৎসব ও বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারী) আবুধাবির আল বাহিয়ার একটি ফার্ম হাউজে অনুষ্ঠিত জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদূত তারেক আহমেদ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিণী ও সমিতির সভাপতি উম্মে রুম্মান আহমেদ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান শাহনাজ আক্তার রানু।

আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ সভাপতি নাজনীন এজাজ ও সাধারণ সম্পাদক নওরীনসহ সমিতির অন্য নেতৃবৃন্দ, বিমানের রিজওনাল ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন, জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার রেজাউল হক, প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন চৌধুরী, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আফজাল হোসেন ভুঁইয়া, প্রকৌশলী ইজাজ কলিম, প্রকৌশলী হামিদুল হক, প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজাউল হাসান ও সিআইপি ওমর ফারুক প্রমুখ।
অতিথিরা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজনের প্রশংসার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল- পিঠা উৎসব, কাপল ফ্যাশন শো, লেডিস ফ্যাশন শো, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, র্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণী।

বাতাসে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা, কারা যেন ডাকিলো পিছে, বসন্ত এসে গেছে’—ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে বর্ণাঢ্য বসন্ত উৎসব ও বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারী) আবুধাবির আল বাহিয়ার একটি ফার্ম হাউজে অনুষ্ঠিত জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদূত তারেক আহমেদ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিণী ও সমিতির সভাপতি উম্মে রুম্মান আহমেদ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান শাহনাজ আক্তার রানু।

আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ সভাপতি নাজনীন এজাজ ও সাধারণ সম্পাদক নওরীনসহ সমিতির অন্য নেতৃবৃন্দ, বিমানের রিজওনাল ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন, জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার রেজাউল হক, প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন চৌধুরী, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আফজাল হোসেন ভুঁইয়া, প্রকৌশলী ইজাজ কলিম, প্রকৌশলী হামিদুল হক, প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজাউল হাসান ও সিআইপি ওমর ফারুক প্রমুখ।
অতিথিরা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজনের প্রশংসার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল- পিঠা উৎসব, কাপল ফ্যাশন শো, লেডিস ফ্যাশন শো, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, র্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণী।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।