
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের নিয়ে গঠিত কোরিয়া–বাংলা প্রেসক্লাবের ২০২৫ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী সিউলের স্থানীয় একটি হোটেলে কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় প্রত্যক্ষ ভোটে সময় টেলিভিশনের দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ হানিফ সভাপতি এবং সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিনিধি সালেহ আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
পরে সদস্যদের মতামত ও সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ১২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কামরুল হাসন (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কমিউনিটি স্কুল, কোরিয়া)।
প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ইজাজ (চ্যানেল টোয়েন্টিফোর), দপ্তর সম্পাদক রনি জামান (জাগো নিউজ) অর্থ সম্পাদক আল আমিন মৃধা (বাংলা ভিশন), প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এম এ মাহবুব (সম্পাদক, চাঁপাই নিউজ ডটকম)। এ ছাড়া সাধারণ সদস্যরা হলেন আমিনুল মোগল, মীর সজল, ফারুক হোসাইন, এম মনির হোসেন, যায়েদ হোসেন, এফ কে মিরাজ প্রমুখ।
সভাপতি বলেন, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের একঝাঁক তরুণ সাংবাদিক ও লেখককে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছি আমরা। আমাদের অঙ্গিকার “সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল আস্থায় পথচলা”। সাংবাদিকতাকে কোরিয়ার বুকে আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাব। এই কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাব এগিয়ে যাবে বহুদূর।’
সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আপনাদের সবার সহযোগিতা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আর কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাব সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে আমার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ইনশা আল্লাহ।’
প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সব সদস্যের মতামতে কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের সাংবিধানিক কাঠামোর আলোকে কমিটির দুই বছরের মেয়াদ ২০২৫ সাল থেকে এক বছর করার সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশি অভিবাসী সাংবাদিকদের নিয়ে কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর। বিজ্ঞপ্তি

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের নিয়ে গঠিত কোরিয়া–বাংলা প্রেসক্লাবের ২০২৫ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী সিউলের স্থানীয় একটি হোটেলে কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় প্রত্যক্ষ ভোটে সময় টেলিভিশনের দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ হানিফ সভাপতি এবং সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিনিধি সালেহ আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
পরে সদস্যদের মতামত ও সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ১২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কামরুল হাসন (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কমিউনিটি স্কুল, কোরিয়া)।
প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ইজাজ (চ্যানেল টোয়েন্টিফোর), দপ্তর সম্পাদক রনি জামান (জাগো নিউজ) অর্থ সম্পাদক আল আমিন মৃধা (বাংলা ভিশন), প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এম এ মাহবুব (সম্পাদক, চাঁপাই নিউজ ডটকম)। এ ছাড়া সাধারণ সদস্যরা হলেন আমিনুল মোগল, মীর সজল, ফারুক হোসাইন, এম মনির হোসেন, যায়েদ হোসেন, এফ কে মিরাজ প্রমুখ।
সভাপতি বলেন, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের একঝাঁক তরুণ সাংবাদিক ও লেখককে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছি আমরা। আমাদের অঙ্গিকার “সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল আস্থায় পথচলা”। সাংবাদিকতাকে কোরিয়ার বুকে আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাব। এই কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাব এগিয়ে যাবে বহুদূর।’
সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আপনাদের সবার সহযোগিতা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আর কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাব সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে আমার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ইনশা আল্লাহ।’
প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সব সদস্যের মতামতে কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের সাংবিধানিক কাঠামোর আলোকে কমিটির দুই বছরের মেয়াদ ২০২৫ সাল থেকে এক বছর করার সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশি অভিবাসী সাংবাদিকদের নিয়ে কোরিয়া-বাংলা প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তারা বর্তমান বিশ্বে সাংবাদিকতার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার, মতপ্রকাশের ওপর চাপ এবং নির্যাতিত সাংবাদিকদের সুরক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের চেম্বার অব কমার্সের ঐতিহাসিক প্রধান কার্যালয়ের ছাদে, যা শতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠান।
আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, যারা ডেটা সেন্টার বা বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এ ধরনের উদ্ভাবনী ধারণা প্রকল্পের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সফরকালে হাইকমিশনার ভিক্টোরিয়া বাজ্যের গভর্নরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ভিক্টোরিয়া সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।