
বিডিজেন ডেস্ক

কোস্টারিকার প্রেসিডেন্ট রোদ্রিগো চাভেস রব্লেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে সংযুক্ত বাংলাদেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সান হোসের ন্যাশনাল থিয়েটার হলে আয়োজিত এক সংবর্ধনায় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
প্রেসিডেন্ট চাভেস বিশ্বব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঢাকায় তার সফরের কথা স্মরণ করেন এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত মুশফিক প্রেসিডেন্টের আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী কোস্টারিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. ম্যারি মুনিতে আংগারমুলারের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন। কোস্টারিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এ পরিচয়পত্র প্রদান সম্পন্ন হয়।
দ্যা ইয়োলো হাউসে এসে পৌঁছলে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীকে গার্ড অব অনারসহ আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও কোস্টারিকার জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। পরিচয়পত্র পেশের পর ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন কোস্টারিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরনোল্ডো আন্দ্রে টিনোকো।

রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা যোগাযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্পে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জলবায়ু অভিযোজন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রস্তাব দেন এবং এ বিষয়ে দুই দেশের অভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পরিপূরক সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানান।

ভাইস প্রেসিডেন্ট মেরি মুনিতে আংগারমুলার রাষ্ট্রদূত মুশফিককে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে কোস্টারিকার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশেই আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং নির্বাচনকালে ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিকর মোকাবিলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রসারে রাষ্ট্রদূত মুশফিকের অতীত অবদানের প্রশংসাও করেন তিনি।

এর আগে একই দিনে রাষ্ট্রদূত মুশফিক কোস্টারিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরনোল্ডো আন্দ্রে টিনোকোর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদার, বাংলাদেশ থেকে আমদানি এবং অন্য পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত মুশফিক কোস্টারিকার কর্মশক্তি এবং উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশি জনশক্তির সম্ভাবনার ওপর জোর দেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত ২০৩১-২০৩২ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদের জন বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়ে কোস্টারিকার সমর্থন কামনা করেন। এ বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব পদে তাদের প্রার্থিতার বিষয়টি তুলে ধরে জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার প্রধান পদে কর্মরত রেবেকা গ্রিন্সপানকে সমর্থন দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।

রাষ্ট্রদূত মুশফিক সান হোসেতে অবস্থিত MEDIGRAY নামক একটি ওষুধ উৎপাদন, বিপণন ও বিতরণ প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের সক্ষমতা, মান ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃক্তির বিষয়গুলো তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানির সম্ভাবনা অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটিকে উৎসাহিত করেন।
এ ছাড়া রাষ্ট্রদূত সান হোসেতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। বিজ্ঞপ্তি

কোস্টারিকার প্রেসিডেন্ট রোদ্রিগো চাভেস রব্লেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে সংযুক্ত বাংলাদেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সান হোসের ন্যাশনাল থিয়েটার হলে আয়োজিত এক সংবর্ধনায় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
প্রেসিডেন্ট চাভেস বিশ্বব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঢাকায় তার সফরের কথা স্মরণ করেন এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত মুশফিক প্রেসিডেন্টের আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী কোস্টারিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. ম্যারি মুনিতে আংগারমুলারের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন। কোস্টারিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এ পরিচয়পত্র প্রদান সম্পন্ন হয়।
দ্যা ইয়োলো হাউসে এসে পৌঁছলে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীকে গার্ড অব অনারসহ আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও কোস্টারিকার জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। পরিচয়পত্র পেশের পর ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন কোস্টারিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরনোল্ডো আন্দ্রে টিনোকো।

রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা যোগাযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্পে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জলবায়ু অভিযোজন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রস্তাব দেন এবং এ বিষয়ে দুই দেশের অভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পরিপূরক সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানান।

ভাইস প্রেসিডেন্ট মেরি মুনিতে আংগারমুলার রাষ্ট্রদূত মুশফিককে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে কোস্টারিকার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশেই আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং নির্বাচনকালে ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিকর মোকাবিলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রসারে রাষ্ট্রদূত মুশফিকের অতীত অবদানের প্রশংসাও করেন তিনি।

এর আগে একই দিনে রাষ্ট্রদূত মুশফিক কোস্টারিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরনোল্ডো আন্দ্রে টিনোকোর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদার, বাংলাদেশ থেকে আমদানি এবং অন্য পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত মুশফিক কোস্টারিকার কর্মশক্তি এবং উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশি জনশক্তির সম্ভাবনার ওপর জোর দেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত ২০৩১-২০৩২ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদের জন বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়ে কোস্টারিকার সমর্থন কামনা করেন। এ বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব পদে তাদের প্রার্থিতার বিষয়টি তুলে ধরে জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার প্রধান পদে কর্মরত রেবেকা গ্রিন্সপানকে সমর্থন দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।

রাষ্ট্রদূত মুশফিক সান হোসেতে অবস্থিত MEDIGRAY নামক একটি ওষুধ উৎপাদন, বিপণন ও বিতরণ প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের সক্ষমতা, মান ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃক্তির বিষয়গুলো তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানির সম্ভাবনা অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটিকে উৎসাহিত করেন।
এ ছাড়া রাষ্ট্রদূত সান হোসেতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। বিজ্ঞপ্তি
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
সভায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক অসহায় ও প্রান্তিক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি করা হয়। বক্তারা বলেন, দেশে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ মব সহিংসতা ও ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে।
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী সাংবাদিকদের কাছে বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি, সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে এই গণতান্ত্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এলডিসি থেকে উত্তরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে সুইস পক্ষকে অবহিত করেন এবং একই সঙ্গে বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর ওপর আলোকপাত করেন।