
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে প্রবাসীদের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে চ্যাম্পিয়ন লিগ ২০২৪-২৫ সিজন ফোর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) আল রাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন প্রতি বছর শীত মৌসুমে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে থাকে। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের দল অংশগ্রহণ করে।
এ বছর টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রবাসীদের ২০টি দলকে নিয়ে খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উদ্বোধনী দিন খেলা চলাকালে আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর খান পলাশ, উপদেষ্টা ও কুয়েতের বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, পরিচালনা কমিটির মোয়াজ্জেম হোসেন, শেখ মনির, কাসাদুল ও ইসমাইল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কুয়েতে প্রবাসীদের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে চ্যাম্পিয়ন লিগ ২০২৪-২৫ সিজন ফোর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) আল রাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন প্রতি বছর শীত মৌসুমে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে থাকে। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের দল অংশগ্রহণ করে।
এ বছর টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রবাসীদের ২০টি দলকে নিয়ে খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উদ্বোধনী দিন খেলা চলাকালে আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর খান পলাশ, উপদেষ্টা ও কুয়েতের বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, পরিচালনা কমিটির মোয়াজ্জেম হোসেন, শেখ মনির, কাসাদুল ও ইসমাইল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে জীবন উৎসর্গকারী সকল সূর্য সন্তান, সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
দিবসটি উপলক্ষে কনসাল জেনারেলের সভাপতিত্বে কনস্যুলেট মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণীসমূহ পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর দিবসের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে প্রথমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর স্কুলে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
আলোচনা পর্বে কনসাল জেনারেল তার সমাপনী বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সকল স্বাধীকার আন্দোলনের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।