
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের যে ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় শনিবার (২১ জুন) গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমানগুলো হামলা চালিয়েছে, তার একটি ফোরদো। সেখানে ৬টি বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান উড়ে গিয়ে মোট ১২টি ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
খবর যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ৩০ ‘টিএলএএম’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয়েছে ইরানের নাতাঞ্জ আর ইস্পাহান পারমাণবিক স্থাপনায়। সেই সঙ্গে একটি বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান নাতাঞ্জে উড়ে গিয়ে ২টি বাংকার বাস্টার বোমা ফেলেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
গতকাল রাতে ইরানের ফরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান—৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানে হামলা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পরে ইরানও ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয় নিশ্চিত করে। ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা ‘অ্যাটমিক এনার্জি অর্গানাইজেশন অব ইরান’ (এইওআই) বলেছে, এ হামলা আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) লঙ্ঘন।
যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, যে ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার কথা যুক্তরাষ্ট্র বলছে, আদতে সেখানে তেজস্ক্রিয়তা সৃষ্টি করার মতো কোনো পদার্থ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বহনে সক্ষম। এ বোমা ‘বাংকার বাস্টার’ নামে পরিচিত। বি–২ বিমান থেকে এ বোমা ফেলে ইরানের ফরদো ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে বলে আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
ইসরায়েল ১৩ জুন ইরানে হামলা চালায়। এরপর পাল্টা হামলা চালায় ইরান। তখন থেকে দুই দেশের মধ্যে একের পর এক পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর মধ্যে গতকাল চলমান সংঘাতে ইসরায়েলের পক্ষ হয়ে জড়িয়ে পড়ল তার ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের যে ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় শনিবার (২১ জুন) গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমানগুলো হামলা চালিয়েছে, তার একটি ফোরদো। সেখানে ৬টি বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান উড়ে গিয়ে মোট ১২টি ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
খবর যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ৩০ ‘টিএলএএম’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয়েছে ইরানের নাতাঞ্জ আর ইস্পাহান পারমাণবিক স্থাপনায়। সেই সঙ্গে একটি বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান নাতাঞ্জে উড়ে গিয়ে ২টি বাংকার বাস্টার বোমা ফেলেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
গতকাল রাতে ইরানের ফরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান—৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানে হামলা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পরে ইরানও ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয় নিশ্চিত করে। ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা ‘অ্যাটমিক এনার্জি অর্গানাইজেশন অব ইরান’ (এইওআই) বলেছে, এ হামলা আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) লঙ্ঘন।
যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, যে ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার কথা যুক্তরাষ্ট্র বলছে, আদতে সেখানে তেজস্ক্রিয়তা সৃষ্টি করার মতো কোনো পদার্থ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বহনে সক্ষম। এ বোমা ‘বাংকার বাস্টার’ নামে পরিচিত। বি–২ বিমান থেকে এ বোমা ফেলে ইরানের ফরদো ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে বলে আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
ইসরায়েল ১৩ জুন ইরানে হামলা চালায়। এরপর পাল্টা হামলা চালায় ইরান। তখন থেকে দুই দেশের মধ্যে একের পর এক পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর মধ্যে গতকাল চলমান সংঘাতে ইসরায়েলের পক্ষ হয়ে জড়িয়ে পড়ল তার ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।
নিহতরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ হীরামন (৬০) এবং তার ছেলে নাজমুল রোবেল (৩০)। তারা সপরিবার নিউইয়র্কের লাউডনভিলে বসবাস করতেন। অপরজন হলেন—নড়াইলের ফাহিম আলিম (২৭)।
আরব আমিরাত সরকার জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আরবি বর্ষপঞ্জির সর্বশেষ মাস জিলহজ শুরু হতে পারে আগামী ১৮ মে। এ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগের দিন আরাফাত দিবস। অর্থাৎ দিনটিতে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়।
টরন্টো পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটের দিকে ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউ ও বাইং অ্যাভিনিউ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় আহনাফকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জীবিতরা জানিয়েছেন, সমুদ্রের আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত বৈরী। কয়েক ফুট উঁচু ঢেউয়ের আঘাতে যাত্রার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। লিবীয় জলসীমার ভেতরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় নৌকাটি। জীবন বাঁচাতে অনেকেই সাগরের হিমশীতল পানিতে ঝাঁপ দেন।