
বিডিজেন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজায় ঈদুল আজহার ঈদেও থেমে নেই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা। ঈদের দিন সকাল থেকে ২ দিনে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে ১০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ত্রাণ নিতে যাওয়া ক্ষুধার্ত মানুষও রয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশের মতো শুক্রবার (৬ জুন) অবরুদ্ধ গাজায় ঈদ উদ্যাপিত হয়। এ নিয়ে টানা চতুর্থ ঈদ ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা ও হত্যাযজ্ঞের মধ্যে কাটিয়েছে সেখানকার বাসিন্দারা।
হাসপাতাল সূত্রগুলো জানায়, ঈদের দিন ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ৪২ জন নিহত হয়। এর মধ্যে উত্তর গাজার জাবালিয়ায় এক হামলায় নিহত হয়েছে ১১ জন। এ ছাড়া, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারায়।
ঈদের পরদিন শনিবার সকাল থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও ৬৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে গাজা নগরীর সাবরা এলাকায় এক হামলার ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৬ জন।
গাজার জরুরি পরিষেবা বিভাগ ‘সিভিল ডিফেন্স’ এ তথ্য দিয়েছে।
এ নিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় সাড়ে ৫৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
জরুরি পরিষেবা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, সাবরা এলাকায় এক হামলায় নিহত ১৬ জনের মধ্যে ৬ শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় ৫০ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া, প্রায় ৮৫ জন বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২টি ক্ষেপণাস্ত্র ওই ভবনে আঘাত হানলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানান জরুরি পরিষেবা বিভাগের মুখপাত্র। এ ঘটনাকে ‘পুরোপুরি হত্যাযজ্ঞ’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, একেবারে সীমিত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে জরুরি পরিষেবা বিভাগ।

ফিলিস্তিনের গাজায় ঈদুল আজহার ঈদেও থেমে নেই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা। ঈদের দিন সকাল থেকে ২ দিনে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে ১০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ত্রাণ নিতে যাওয়া ক্ষুধার্ত মানুষও রয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশের মতো শুক্রবার (৬ জুন) অবরুদ্ধ গাজায় ঈদ উদ্যাপিত হয়। এ নিয়ে টানা চতুর্থ ঈদ ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা ও হত্যাযজ্ঞের মধ্যে কাটিয়েছে সেখানকার বাসিন্দারা।
হাসপাতাল সূত্রগুলো জানায়, ঈদের দিন ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ৪২ জন নিহত হয়। এর মধ্যে উত্তর গাজার জাবালিয়ায় এক হামলায় নিহত হয়েছে ১১ জন। এ ছাড়া, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারায়।
ঈদের পরদিন শনিবার সকাল থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও ৬৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে গাজা নগরীর সাবরা এলাকায় এক হামলার ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৬ জন।
গাজার জরুরি পরিষেবা বিভাগ ‘সিভিল ডিফেন্স’ এ তথ্য দিয়েছে।
এ নিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় সাড়ে ৫৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
জরুরি পরিষেবা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, সাবরা এলাকায় এক হামলায় নিহত ১৬ জনের মধ্যে ৬ শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় ৫০ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া, প্রায় ৮৫ জন বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২টি ক্ষেপণাস্ত্র ওই ভবনে আঘাত হানলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানান জরুরি পরিষেবা বিভাগের মুখপাত্র। এ ঘটনাকে ‘পুরোপুরি হত্যাযজ্ঞ’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, একেবারে সীমিত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে জরুরি পরিষেবা বিভাগ।
কাদরি বলেন, প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশের মানুষ ও পরিবারগুলো তাদের নাগরিকদের সুরক্ষায় সরকারকে পদক্ষেপ নিতে চাপ দিচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে পাওয়া সাড়া বা ভূমিকা খুবই অপর্যাপ্ত।
যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দুবাই এয়ারপোর্টস কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, কিছু ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের চলমান ৬১তম অধিবেশনের মার্জিনে জেনেভার বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী ডেলিগেশন যৌথভাবে এ সাইড-ইভেন্টটি আয়োজন করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ দেশের ইমিগ্রেশন সুবিধার অপব্যবহারকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে যাবে।