
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের (জিআইএম) অভিযানে নানা অভিযোগে ৫৩২ বাংলাদেশিসহ ৯ হাজার ৪৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
দেশটির বার্তা সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া সাবান বলেন, আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১ হাজার ১৫৮ জনকে ভিসা বা পাসের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
তিনি জানান, অনেক বিদেশি তাদের সাময়িক কাজের পাস ও সোস্যাল ভিজিট পাস ব্যবহার করে এমন কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন, যা তাদের পাসের শর্ত অনুযায়ী অনুমোদিত নয়। তারা এভাবে দেশে প্রবেশ করে রেস্টুরেন্ট, কারখানা বা অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে শুরু করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আটক হওয়া কিছু বিদেশি বৈধ অনুমতি ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ দেশের ইমিগ্রেশন সুবিধার অপব্যবহারকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে যাবে।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের (জিআইএম) অভিযানে নানা অভিযোগে ৫৩২ বাংলাদেশিসহ ৯ হাজার ৪৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
দেশটির বার্তা সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া সাবান বলেন, আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১ হাজার ১৫৮ জনকে ভিসা বা পাসের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
তিনি জানান, অনেক বিদেশি তাদের সাময়িক কাজের পাস ও সোস্যাল ভিজিট পাস ব্যবহার করে এমন কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন, যা তাদের পাসের শর্ত অনুযায়ী অনুমোদিত নয়। তারা এভাবে দেশে প্রবেশ করে রেস্টুরেন্ট, কারখানা বা অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে শুরু করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আটক হওয়া কিছু বিদেশি বৈধ অনুমতি ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ দেশের ইমিগ্রেশন সুবিধার অপব্যবহারকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে যাবে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।