
বিডিজেন ডেস্ক

মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যানড্রুজ বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বাংলাদেশের প্রতি শুধু কৃতজ্ঞতা প্রকাশে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও বেশি কিছু করা প্রয়োজন।
‘নাইন ইয়ার্স অন : অ্যাডভান্সিং অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড জাস্টিস ফর দ্য ডিউরেবল সলিউশন অব দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস' শীর্ষক সাইড ইভেন্টের প্যানেলিস্ট হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
জেনেভার বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের চলমান ৬১তম অধিবেশনের মার্জিনে জেনেভার বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী ডেলিগেশন যৌথভাবে এ সাইড-ইভেন্টটি আয়োজন করে।

সাইড ইভেন্টের উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশের স্থানীয় সম্প্রদায়ের ওপর প্রভূত সামাজিক, পরিবেশগত এবং অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আলোকপাত করেন।
এই সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে নিহিত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনই হচ্ছে এই সমস্যার একমাত্র টেকসই সমাধান।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা ব্যবস্থার যথাযথ প্রয়োগ কেবল মিয়ানমারে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসানকল্পেই নয়, বরং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতেও অপরিহার্য।

গাম্বিয়ার রাষ্ট্রদূত মুহাম্মাদু কাহ গাম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন এবং ১১টি রাষ্ট্রের সমর্থনে জেনোসাইড কনভেনশনের অধীনে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে কার্যক্রমসহ রোহিঙ্গা বিষয়ে চলমান জবাবদিহিতা প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিতকল্পে মানবাধিকার পরিষদ কর্তৃক সৃষ্ট ইনডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম অন মিয়ানমারের কার্যক্রম এবং গুরুত্বের প্রতি আলোকপাত করেন মেকানিজমের উপ-প্রধান ওকুইজুমি।

মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত টম অ্যানড্রুজ কক্সবাজারের সাময়িকভাবে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা হ্রাস বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ মানবিক দুর্দশাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
তিনি সাময়িকভাবে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এমন অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টির জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন যা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে পারে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ডি'উরসো রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে সংকটের মূল কারণগুলো মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও টেকসই সমাধানকে এগিয়ে নিতে আসিয়ানের মতো আঞ্চলিক পক্ষের ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অব্যাহত সমর্থনসহ টেকসই আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, এক ঘন্টাব্যাপী এই সাইড-ইভেন্টটিতে ৩০টিরও বেশি সদস্য রাষ্ট্র এবং জেনেভাভিত্তিক বেশ কিছু নাগরিক সমাজ, এনজিও, আইএনজিও প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যানড্রুজ বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বাংলাদেশের প্রতি শুধু কৃতজ্ঞতা প্রকাশে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও বেশি কিছু করা প্রয়োজন।
‘নাইন ইয়ার্স অন : অ্যাডভান্সিং অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড জাস্টিস ফর দ্য ডিউরেবল সলিউশন অব দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস' শীর্ষক সাইড ইভেন্টের প্যানেলিস্ট হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
জেনেভার বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের চলমান ৬১তম অধিবেশনের মার্জিনে জেনেভার বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী ডেলিগেশন যৌথভাবে এ সাইড-ইভেন্টটি আয়োজন করে।

সাইড ইভেন্টের উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশের স্থানীয় সম্প্রদায়ের ওপর প্রভূত সামাজিক, পরিবেশগত এবং অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আলোকপাত করেন।
এই সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে নিহিত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনই হচ্ছে এই সমস্যার একমাত্র টেকসই সমাধান।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা ব্যবস্থার যথাযথ প্রয়োগ কেবল মিয়ানমারে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসানকল্পেই নয়, বরং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতেও অপরিহার্য।

গাম্বিয়ার রাষ্ট্রদূত মুহাম্মাদু কাহ গাম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন এবং ১১টি রাষ্ট্রের সমর্থনে জেনোসাইড কনভেনশনের অধীনে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে কার্যক্রমসহ রোহিঙ্গা বিষয়ে চলমান জবাবদিহিতা প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিতকল্পে মানবাধিকার পরিষদ কর্তৃক সৃষ্ট ইনডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম অন মিয়ানমারের কার্যক্রম এবং গুরুত্বের প্রতি আলোকপাত করেন মেকানিজমের উপ-প্রধান ওকুইজুমি।

মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত টম অ্যানড্রুজ কক্সবাজারের সাময়িকভাবে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা হ্রাস বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ মানবিক দুর্দশাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
তিনি সাময়িকভাবে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এমন অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টির জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন যা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে পারে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ডি'উরসো রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে সংকটের মূল কারণগুলো মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও টেকসই সমাধানকে এগিয়ে নিতে আসিয়ানের মতো আঞ্চলিক পক্ষের ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অব্যাহত সমর্থনসহ টেকসই আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, এক ঘন্টাব্যাপী এই সাইড-ইভেন্টটিতে ৩০টিরও বেশি সদস্য রাষ্ট্র এবং জেনেভাভিত্তিক বেশ কিছু নাগরিক সমাজ, এনজিও, আইএনজিও প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
মোলেন বলেন, “হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করে স্থায়ী মর্যাদার আওতায় এখানে থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।”
সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।
বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
ড্রস্কি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই বিইটি অ্যাওয়ার্ডস দেখে বড় হয়েছি। আমার আগে যেসব কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন, তারা মানদণ্ড অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছেন। সেই ইতিহাসের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। তবে মঞ্চে আমি আমার নিজস্ব ধরনের কমেডিই নিয়ে আসব।”

বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে