
বিডিজেন ডেস্ক

জার্মানির কট্টর ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানির (এএফডি) বিরুদ্ধে আজ শনিবার হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। আসন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটির বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণে বাধা দিতে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
শ্রমিক সংগঠন, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং বামপন্থী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা পূর্বাঞ্চলীয় শহর এরফেটে সমবেত হন। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জার্মানির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামসহ পুলিশের উপস্থিতিতে বিক্ষোভকারীরা সারিবদ্ধভাবে বসে মহাসড়ক ও সম্মেলনস্থলে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করেন। পুলিশের হিসাবে, এরফেট ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
এএফডি-বিরোধী জোট ভিডারজেটসেনের (রেজিস্ট) মুখপাত্র জর্জ বেকার বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই, জার্মানিতে ফ্যাসিবাদের উত্থান আমরা মেনে নেব না।”
নির্বাচনের আগে এএফডির সম্মেলন
দলটির দুই সহসভাপতি আলিস ভাইডেল ও টিনো ক্রুপালার দুই দিনের সম্মেলনে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্মেলনটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন পূর্ব জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট এবং মেকলেনবুর্গ-ফরপোমার্ন রাজ্যে নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। এএফডি আশা করছে, এসব নির্বাচনে সাফল্য জাতীয় পর্যায়ে তাদের আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে।
এক দশকেরও বেশি আগে প্রতিষ্ঠিত এএফডি জাতীয়তাবাদী বক্তব্য, কঠোর অভিবাসন নীতির দাবি এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও সরকারের প্রতি জনগণের অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
বিতর্ক ও রাজনৈতিক অবস্থান
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
জার্মানির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো তথাকথিত ‘ফায়ারওয়াল’ নীতি অনুসরণ করে এএফডির সঙ্গে কোনো ধরনের জোট বা সহযোগিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে এএফডির নেতারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা জার্মানির গণতান্ত্রিক ভিত্তির বিরোধী নন। চলতি বছরের শুরুতে দলটি আদালতের আদেশের মাধ্যমে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থাকে এএফডিকে ‘চরমপন্থি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে বাধ্য করে।
জনমত জরিপে এগিয়ে
সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে এএফডির সমর্থন ২৯ শতাংশ পর্যন্ত দেখা গেছে, যেখানে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের রক্ষণশীল জোটের সমর্থন প্রায় ২২ শতাংশ।
বিশেষ করে সাবেক পূর্ব জার্মান অঞ্চলে এএফডির জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। সেখানে ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ভোটারদের হতাশা তুলনামূলকভাবে বেশি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জার্মানিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ফ্রিডরিখ মের্ৎসের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) ও ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন (সিএসইউ) ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পায়। ক্ষমতায় আসতে সামাজিক গণতান্ত্রিক দলের (এসপিডি) সঙ্গে জোট করে তারা।
সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, স্যাক্সনি-আনহাল্টে এএফডির সমর্থন ৪১ শতাংশ, যেখানে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ২৩ শতাংশ। দলটি সেখানে নিরঙ্কুশ বিজয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। একইভাবে মেকলেনবুর্গ-ফরপোমার্নেও বৃহত্তম দল হওয়ার আশা করছে তারা।

জার্মানির কট্টর ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানির (এএফডি) বিরুদ্ধে আজ শনিবার হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। আসন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটির বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণে বাধা দিতে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
শ্রমিক সংগঠন, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং বামপন্থী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা পূর্বাঞ্চলীয় শহর এরফেটে সমবেত হন। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জার্মানির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামসহ পুলিশের উপস্থিতিতে বিক্ষোভকারীরা সারিবদ্ধভাবে বসে মহাসড়ক ও সম্মেলনস্থলে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করেন। পুলিশের হিসাবে, এরফেট ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
এএফডি-বিরোধী জোট ভিডারজেটসেনের (রেজিস্ট) মুখপাত্র জর্জ বেকার বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই, জার্মানিতে ফ্যাসিবাদের উত্থান আমরা মেনে নেব না।”
নির্বাচনের আগে এএফডির সম্মেলন
দলটির দুই সহসভাপতি আলিস ভাইডেল ও টিনো ক্রুপালার দুই দিনের সম্মেলনে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্মেলনটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন পূর্ব জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট এবং মেকলেনবুর্গ-ফরপোমার্ন রাজ্যে নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। এএফডি আশা করছে, এসব নির্বাচনে সাফল্য জাতীয় পর্যায়ে তাদের আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে।
এক দশকেরও বেশি আগে প্রতিষ্ঠিত এএফডি জাতীয়তাবাদী বক্তব্য, কঠোর অভিবাসন নীতির দাবি এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও সরকারের প্রতি জনগণের অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
বিতর্ক ও রাজনৈতিক অবস্থান
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
জার্মানির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো তথাকথিত ‘ফায়ারওয়াল’ নীতি অনুসরণ করে এএফডির সঙ্গে কোনো ধরনের জোট বা সহযোগিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে এএফডির নেতারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা জার্মানির গণতান্ত্রিক ভিত্তির বিরোধী নন। চলতি বছরের শুরুতে দলটি আদালতের আদেশের মাধ্যমে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থাকে এএফডিকে ‘চরমপন্থি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে বাধ্য করে।
জনমত জরিপে এগিয়ে
সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে এএফডির সমর্থন ২৯ শতাংশ পর্যন্ত দেখা গেছে, যেখানে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের রক্ষণশীল জোটের সমর্থন প্রায় ২২ শতাংশ।
বিশেষ করে সাবেক পূর্ব জার্মান অঞ্চলে এএফডির জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। সেখানে ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ভোটারদের হতাশা তুলনামূলকভাবে বেশি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জার্মানিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ফ্রিডরিখ মের্ৎসের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) ও ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন (সিএসইউ) ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পায়। ক্ষমতায় আসতে সামাজিক গণতান্ত্রিক দলের (এসপিডি) সঙ্গে জোট করে তারা।
সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, স্যাক্সনি-আনহাল্টে এএফডির সমর্থন ৪১ শতাংশ, যেখানে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ২৩ শতাংশ। দলটি সেখানে নিরঙ্কুশ বিজয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। একইভাবে মেকলেনবুর্গ-ফরপোমার্নেও বৃহত্তম দল হওয়ার আশা করছে তারা।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
ইথিওপিয়ায় জন্ম নেওয়া সাবেক নিউইয়র্কের আইনজীবী কিরোস ইসরায়েলের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তার প্রার্থিতা সমর্থন করেছিলেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।