logo
খবর

ভোররাতে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

প্রতিবেদক, বিডিজেন২ ঘণ্টা আগে
Copied!
ভোররাতে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
ছবি: রয়টার্স

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে এই ভূকম্পন ঘটে। 

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘হালকা’ শ্রেণির। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়।

ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরও দেখুন

ভোররাতে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

ভোররাতে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘হালকা’ শ্রেণির। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়।

২ ঘণ্টা আগে

বিএমইটিতে ১ বছরে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা, অনিষ্পন্ন অর্ধেকের বেশি

বিএমইটিতে ১ বছরে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা, অনিষ্পন্ন অর্ধেকের বেশি

২০২৫ সালজুড়ে বিএমইটিতে বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ৪ হাজার ৭০৩টি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে নিষ্পন্ন অভিযোগের সংখ্যা ২ হাজার ৫৪টি। যা মোট অভিযোগের ৪৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৫৬ দশমিক ৩২ শতাংশ অভিযোগই বছর শেষে অনিষ্পন্ন রয়ে গেছে।

২১ ঘণ্টা আগে

১ লাখ ৯৫ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে

১ লাখ ৯৫ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে

সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট প্রবাসীদের কাছে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২২ হাজার ৩১৫ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। আর ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ জন। ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯১৪টি পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে।

১ দিন আগে

গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ সম্পাদক পরিষদের

গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ সম্পাদক পরিষদের

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন নির্বাচিত সংসদ গঠনের পর সংশ্লিষ্ট সব অংশীজন-সাংবাদিক, সম্পাদক, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তৃত ও অর্থবহ আলোচনার মাধ্যমে হওয়াই সমীচীন।

১ দিন আগে