
বিডিজেন ডেস্ক

জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন এবং সম্প্রচার কমিশন-সংক্রান্ত দুই অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ।
গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনের অল্প কিছুদিন আগে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশের খসড়া তড়িঘড়ি প্রকাশ করা অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক।
বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন যখন একেবারে সন্নিকটে, তখন এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী প্রভাবসম্পন্ন খসড়া অধ্যাদেশ তড়িঘড়ি প্রকাশ করাকে সম্পাদক পরিষদ অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক মনে করে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার পেশাগত মান এবং সম্প্রচার ব্যবস্থার ভবিষ্যতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট এমন খসড়া আইন যথাযথ আলোচনা ও পর্যালোচনা ছাড়া প্রণয়ন করা গ্রহণযোগ্য নয়।
সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এ খসড়া অধ্যাদেশগুলোর কাঠামো ও বিধানগুলোয় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা স্পষ্ট। এ ছাড়া সীমিত সময়ের মধ্যে মতামত আহ্বান করে আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থি।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন নির্বাচিত সংসদ গঠনের পর সংশ্লিষ্ট সব অংশীজন-সাংবাদিক, সম্পাদক, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তৃত ও অর্থবহ আলোচনার মাধ্যমে হওয়াই সমীচীন। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশ্নে তড়িঘড়ি নয়, বরং স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও দায়িত্বশীল প্রক্রিয়াই দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সর্বোত্তম বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ।

জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন এবং সম্প্রচার কমিশন-সংক্রান্ত দুই অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ।
গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনের অল্প কিছুদিন আগে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশের খসড়া তড়িঘড়ি প্রকাশ করা অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক।
বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন যখন একেবারে সন্নিকটে, তখন এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী প্রভাবসম্পন্ন খসড়া অধ্যাদেশ তড়িঘড়ি প্রকাশ করাকে সম্পাদক পরিষদ অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক মনে করে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার পেশাগত মান এবং সম্প্রচার ব্যবস্থার ভবিষ্যতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট এমন খসড়া আইন যথাযথ আলোচনা ও পর্যালোচনা ছাড়া প্রণয়ন করা গ্রহণযোগ্য নয়।
সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এ খসড়া অধ্যাদেশগুলোর কাঠামো ও বিধানগুলোয় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা স্পষ্ট। এ ছাড়া সীমিত সময়ের মধ্যে মতামত আহ্বান করে আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থি।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন নির্বাচিত সংসদ গঠনের পর সংশ্লিষ্ট সব অংশীজন-সাংবাদিক, সম্পাদক, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তৃত ও অর্থবহ আলোচনার মাধ্যমে হওয়াই সমীচীন। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশ্নে তড়িঘড়ি নয়, বরং স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও দায়িত্বশীল প্রক্রিয়াই দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সর্বোত্তম বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট প্রবাসীদের কাছে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২২ হাজার ৩১৫ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। আর ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ জন। ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯১৪টি পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন নির্বাচিত সংসদ গঠনের পর সংশ্লিষ্ট সব অংশীজন-সাংবাদিক, সম্পাদক, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তৃত ও অর্থবহ আলোচনার মাধ্যমে হওয়াই সমীচীন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে। ভোটকেন্দ্রে শুধু প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কলম নিয়ে যেতে পারবে, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনন্সিল নিয়ে যাবে।
রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জনের মধ্যে ৫ লাখ ২০ হাজার ৫০১ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ জন। ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯৮টি ব্যালট ইতিমধ্যে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।

সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট প্রবাসীদের কাছে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২২ হাজার ৩১৫ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। আর ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ জন। ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯১৪টি পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে।
৪ মিনিট আগে