
সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরের রু দ্য লিওনের একটি হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব।
বাংলাদেশ উইমেনস ডায়াসপোরা জেনেভার উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ক্লাব জেনেভার সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সারা দিনব্যাপী চলমান ছিল। দুই শতাধিক বাংলাদেশির উপস্থিতিতে হলটি যেন রূপ নেয় এক টুকরো শীতের বাংলাদেশে।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান।
এ ছাড়া, জেনেভাস্থ বাংলাদেশ মিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়োজকদের উৎসাহ ও সমর্থন জোগান।

প্রবাসের মাটিতে দেশীয় সংস্কৃতি, খাদ্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্লাব জেনেভার সহসভাপতি রবিউল আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক মারুফ আনোয়ার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সহিদুল আলম স্বপন। তাদের বক্তব্যে প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় শিল্পী অবন্তী ও রবিন বড়ুয়া। তাদের কণ্ঠে দেশাত্মবোধক ও লোকগানের সুরে পুরো হল মুখরিত হয়ে ওঠে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এক আকর্ষণীয় ফ্যাশন শো, যা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

নৃত্য ও সংগীতের সমন্বয়ে সাজানো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানে যোগ করে বাড়তি আনন্দ। স্বরচিত পুঁথি পাঠ করেন কুদরত এলাহী টুকু।

পরিশেষে ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, দুধচিতই, চন্দ্রপুলি, নকশি পিঠা ও নানা রকম ঘরোয়া মিষ্টান্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। পিঠার স্বাদ, গানের সুর আর প্রবাসী মিলনমেলায় দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

এই পিঠা উৎসব আবারও প্রমাণ করল, হাজার মাইল দূরেও প্রবাসীরা হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছেন বাংলার শেকড়, সংস্কৃতি ও উৎসবের উষ্ণতা।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরের রু দ্য লিওনের একটি হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব।
বাংলাদেশ উইমেনস ডায়াসপোরা জেনেভার উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ক্লাব জেনেভার সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সারা দিনব্যাপী চলমান ছিল। দুই শতাধিক বাংলাদেশির উপস্থিতিতে হলটি যেন রূপ নেয় এক টুকরো শীতের বাংলাদেশে।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান।
এ ছাড়া, জেনেভাস্থ বাংলাদেশ মিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়োজকদের উৎসাহ ও সমর্থন জোগান।

প্রবাসের মাটিতে দেশীয় সংস্কৃতি, খাদ্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্লাব জেনেভার সহসভাপতি রবিউল আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক মারুফ আনোয়ার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সহিদুল আলম স্বপন। তাদের বক্তব্যে প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় শিল্পী অবন্তী ও রবিন বড়ুয়া। তাদের কণ্ঠে দেশাত্মবোধক ও লোকগানের সুরে পুরো হল মুখরিত হয়ে ওঠে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এক আকর্ষণীয় ফ্যাশন শো, যা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

নৃত্য ও সংগীতের সমন্বয়ে সাজানো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানে যোগ করে বাড়তি আনন্দ। স্বরচিত পুঁথি পাঠ করেন কুদরত এলাহী টুকু।

পরিশেষে ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, দুধচিতই, চন্দ্রপুলি, নকশি পিঠা ও নানা রকম ঘরোয়া মিষ্টান্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। পিঠার স্বাদ, গানের সুর আর প্রবাসী মিলনমেলায় দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

এই পিঠা উৎসব আবারও প্রমাণ করল, হাজার মাইল দূরেও প্রবাসীরা হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছেন বাংলার শেকড়, সংস্কৃতি ও উৎসবের উষ্ণতা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।