
মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে

কানাডার শীতপ্রধান আবহাওয়ায় গ্রীষ্মকাল অনেকটাই স্বস্তির এবং আনন্দের সময়। বছরের মাত্র ২-৩ মাস প্রকৃতি থাকে রঙিন ও প্রাণবন্ত। তাই এই সময়টুকু কানাডাবাসী নানা উৎসব, ভ্রমণ ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই-আগস্টে বন্ধ থাকায় পরিবারগুলো একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পায়। শহরের নানা পার্ক, বিচ এবং ক্যাম্পগ্রাউন্ডে ভিড় জমে বেড়াতে আসা মানুষদের। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও পিছিয়ে নেই এই আনন্দে অংশ নিতে।
ঠিক তেমনই এক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বন্ধন মার্কেটিং কো-অপারেটিভ লিমিটেড আয়োজিত বার্ষিক সামার পিকনিক ২০২৫।

গত ১৯ জুলাই (শনিবার) ম্যানিটোবা প্রদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর বার্ডস হিল প্রভিনশিয়াল পার্কে দিনব্যাপী এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বন্ধন কো-অপারেটিভের সদস্য ছাড়াও উইনিপেগসহ আশেপাশের এলাকা থেকে বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন এই মিলনমেলায়। গ্রীষ্মের উজ্জ্বল রোদ আর মনোরম আবহাওয়ায় প্রাকৃতিক ছায়াঘেরা পরিবেশে সবার মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস আর আনন্দের আমেজ।

সকাল থেকেই অতিথিরা আসতে শুরু করেন। শুরু হয় নানা খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক আয়োজন—শিশুদের জন্য দৌড় প্রতিযোগিতা, চামচে মার্বেল দৌড়, ব্যাঙ লাফ
নারীদের জন্য চোখ বেঁধে হাঁড়ি ভাঙা, পুরুষদের জন্য বল নিক্ষেপ । অংশগ্রহণকারীরা খেলার সময় যেন ফিরে যান শৈশবের বাংলাদেশি গ্রাম্য পিকনিকের সেই পুরোনো দিনে।
দুপুরের খাবারে পরিবেশন করা হয় দেশীয় স্বাদের ভরপুর আয়োজন—খাওয়া শেষে ছিল পুরস্কার বিতরণী ও আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র, যেখানে অনেকেই উপহার জিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রাশেদা রাব্বানী, রহিদুল মন্ডল, হারুনুর রশিদ, মাহফুজুর রহমান, শাহীন মাতুব্বর, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান, গাজী সিদ্দিকুর রহমান, আফরুজা ইসলাম, কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, অতীশ কুমার নিয়োগী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বন্ধন কো-অপারেটিভের এই আয়োজন শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না—এটি ছিল বন্ধন, ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সংস্কৃতি বিনিময়ের এক অপূর্ব সুযোগ। প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশি কমিউনিটির এই ঐক্য এবং সাংস্কৃতিক চেতনা প্রমাণ করে যে—‘দেশ ছেড়েও শিকড়কে ভুলে যাওয়া যায় না।’
*লেখক : কানাডাপ্রবাসী. সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

কানাডার শীতপ্রধান আবহাওয়ায় গ্রীষ্মকাল অনেকটাই স্বস্তির এবং আনন্দের সময়। বছরের মাত্র ২-৩ মাস প্রকৃতি থাকে রঙিন ও প্রাণবন্ত। তাই এই সময়টুকু কানাডাবাসী নানা উৎসব, ভ্রমণ ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই-আগস্টে বন্ধ থাকায় পরিবারগুলো একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পায়। শহরের নানা পার্ক, বিচ এবং ক্যাম্পগ্রাউন্ডে ভিড় জমে বেড়াতে আসা মানুষদের। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও পিছিয়ে নেই এই আনন্দে অংশ নিতে।
ঠিক তেমনই এক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বন্ধন মার্কেটিং কো-অপারেটিভ লিমিটেড আয়োজিত বার্ষিক সামার পিকনিক ২০২৫।

গত ১৯ জুলাই (শনিবার) ম্যানিটোবা প্রদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর বার্ডস হিল প্রভিনশিয়াল পার্কে দিনব্যাপী এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বন্ধন কো-অপারেটিভের সদস্য ছাড়াও উইনিপেগসহ আশেপাশের এলাকা থেকে বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন এই মিলনমেলায়। গ্রীষ্মের উজ্জ্বল রোদ আর মনোরম আবহাওয়ায় প্রাকৃতিক ছায়াঘেরা পরিবেশে সবার মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস আর আনন্দের আমেজ।

সকাল থেকেই অতিথিরা আসতে শুরু করেন। শুরু হয় নানা খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক আয়োজন—শিশুদের জন্য দৌড় প্রতিযোগিতা, চামচে মার্বেল দৌড়, ব্যাঙ লাফ
নারীদের জন্য চোখ বেঁধে হাঁড়ি ভাঙা, পুরুষদের জন্য বল নিক্ষেপ । অংশগ্রহণকারীরা খেলার সময় যেন ফিরে যান শৈশবের বাংলাদেশি গ্রাম্য পিকনিকের সেই পুরোনো দিনে।
দুপুরের খাবারে পরিবেশন করা হয় দেশীয় স্বাদের ভরপুর আয়োজন—খাওয়া শেষে ছিল পুরস্কার বিতরণী ও আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র, যেখানে অনেকেই উপহার জিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রাশেদা রাব্বানী, রহিদুল মন্ডল, হারুনুর রশিদ, মাহফুজুর রহমান, শাহীন মাতুব্বর, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান, গাজী সিদ্দিকুর রহমান, আফরুজা ইসলাম, কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, অতীশ কুমার নিয়োগী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বন্ধন কো-অপারেটিভের এই আয়োজন শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না—এটি ছিল বন্ধন, ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সংস্কৃতি বিনিময়ের এক অপূর্ব সুযোগ। প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশি কমিউনিটির এই ঐক্য এবং সাংস্কৃতিক চেতনা প্রমাণ করে যে—‘দেশ ছেড়েও শিকড়কে ভুলে যাওয়া যায় না।’
*লেখক : কানাডাপ্রবাসী. সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর।
বক্তারা বিদায়ী প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের পেশাদারত্ব, সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে তার গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৯ দিন আগে