
বিডিজেন ডেস্ক

ক্যানসার প্রতিরোধে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদর দপ্তরে কমনওয়েলথ হেলথ কোঅর্ডিনেশন ফোরামে (সিএইচসিএফ) এই আহ্বান জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।
গতকাল শনিবার (১৬ মে) বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের (ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি) সাইডলাইনে এই ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়।
জেনেভার জাতিসংঘ দপ্তরে নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জনগণকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। যেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে সবার জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বাংলাদেশে ক্যানসারের ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরে এম এ মুহিত প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ ও নির্মূলে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে স্ক্রিনিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে বাংলাদেশ ধারাবাহিক অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবার অসম বণ্টন, ব্যক্তিগত খরচের উচ্চ হার, বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি এবং সীমিত গবেষণা সক্ষমতা।
এম এ মুহিত বলেন, ক্যানসার প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আরও জোরালো সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
এ বছরের ফোরামে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং ক্যানসার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ক্যানসার প্রতিরোধে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদর দপ্তরে কমনওয়েলথ হেলথ কোঅর্ডিনেশন ফোরামে (সিএইচসিএফ) এই আহ্বান জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।
গতকাল শনিবার (১৬ মে) বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের (ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি) সাইডলাইনে এই ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়।
জেনেভার জাতিসংঘ দপ্তরে নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জনগণকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। যেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে সবার জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বাংলাদেশে ক্যানসারের ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরে এম এ মুহিত প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ ও নির্মূলে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে স্ক্রিনিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে বাংলাদেশ ধারাবাহিক অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবার অসম বণ্টন, ব্যক্তিগত খরচের উচ্চ হার, বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি এবং সীমিত গবেষণা সক্ষমতা।
এম এ মুহিত বলেন, ক্যানসার প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আরও জোরালো সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
এ বছরের ফোরামে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং ক্যানসার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বাংলাদেশে ক্যানসারের ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরে এম এ মুহিত প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।