
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মাওলানা স্মৃতি সংসদের পুনর্মিলনী ও সিআইপি সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়ার সর্তারকূল হযরত মাওলানা রমজান আলী (রহ:) স্মৃতি সংসদের ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই পুনর্মিলনী ও সিআইপি সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুবাইয়ের মুশরিফ পার্কে দেশীয় ক্রীড়া ও কুইজ প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী, পিঠাপুলি ও নৈশভোজসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজনে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলার হলদিয়ার দুজন সিআইপি। তারা হলেন আবুধাবিপ্রবাসী ব্যবসায়ী আলহাজ মোহাম্মদ ওসমান আলী ও দুবাইপ্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হাসান মোরশেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবিপ্রবাসী রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন হাশেম, দুবাই ব্রেকফাস্ট রেস্টুরেন্টের সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ নাসের, শারজাহপ্রবাসী আইটি ব্যবসায়ী প্রকৌশলী গোলামুর রহমান মন্জু ও মোছাফ্ফাপ্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আজম খান প্রমুখ।
সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক এম আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাজাহান। বক্তব্য দেন মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ রাশেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ সোহেল চৌধুরী, মোহাম্মদ দুলাল চৌধুরী, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ইভেন্ট পরিচালনায় ছিলেন মোহাম্মদ জাগের, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ ফারুক, মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ নোমান, এম আলমগীর, মোহাম্মদ লিটন ও ইমরান প্রমুখ।
আমিরাতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শতাধিক শিশুকিশোর ও নারী–পুরুষের সরব উপস্থিতিতে মুশরিফ পার্ক পরিণত হয় প্রাণবন্ত এক সর্তারকূলে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা এ ধরনের আয়োজনের প্রশংসা করেন। আয়োজনকারীরা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার সহযোগিতা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় অনুষ্ঠান আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মাওলানা স্মৃতি সংসদের পুনর্মিলনী ও সিআইপি সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়ার সর্তারকূল হযরত মাওলানা রমজান আলী (রহ:) স্মৃতি সংসদের ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই পুনর্মিলনী ও সিআইপি সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুবাইয়ের মুশরিফ পার্কে দেশীয় ক্রীড়া ও কুইজ প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী, পিঠাপুলি ও নৈশভোজসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজনে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলার হলদিয়ার দুজন সিআইপি। তারা হলেন আবুধাবিপ্রবাসী ব্যবসায়ী আলহাজ মোহাম্মদ ওসমান আলী ও দুবাইপ্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হাসান মোরশেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবিপ্রবাসী রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন হাশেম, দুবাই ব্রেকফাস্ট রেস্টুরেন্টের সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ নাসের, শারজাহপ্রবাসী আইটি ব্যবসায়ী প্রকৌশলী গোলামুর রহমান মন্জু ও মোছাফ্ফাপ্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আজম খান প্রমুখ।
সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক এম আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাজাহান। বক্তব্য দেন মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ রাশেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ সোহেল চৌধুরী, মোহাম্মদ দুলাল চৌধুরী, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ইভেন্ট পরিচালনায় ছিলেন মোহাম্মদ জাগের, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ ফারুক, মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ নোমান, এম আলমগীর, মোহাম্মদ লিটন ও ইমরান প্রমুখ।
আমিরাতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শতাধিক শিশুকিশোর ও নারী–পুরুষের সরব উপস্থিতিতে মুশরিফ পার্ক পরিণত হয় প্রাণবন্ত এক সর্তারকূলে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা এ ধরনের আয়োজনের প্রশংসা করেন। আয়োজনকারীরা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার সহযোগিতা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় অনুষ্ঠান আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এফ এম বোরহান উদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সেতু এইউ’ অ্যাপটি শুধু অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেই সহায়ক হবে না, বরং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জাফর আহমেদ বলেন, তার কোম্পানিতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও ভিসা বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো বাংলাদেশি শ্রমিক কাজে লাগাতে পারছেন না। তিনি আমিরাতের শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে বাংলাদেশ সরকারকে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার অনুরোধ জানান।
২৬ মার্চ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে বাংলাদেশের নিরীহ, নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মানুষের ওপর পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত ইতিহাসের জঘন্যতম বর্বরোচিত গণহত্যাকে স্মরণ করে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।