
এমরান হোসাইন, ক্যানসাস, আমেরিকা

বসন্তের প্রথম প্রহরে শিশিরভেজা শিমুল, পলাশ, অশোক ফুল, শাখে-শাখে নানা জাতের আদুরে রঙিন ফুল-ফলের মাতাল দোলায় আটকে আছে কোটি প্রবাসীর প্রাণ।

প্রবাসজীবনে নানা কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যেন পেছনে ফিরে তাকাতে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে নিয়ে যায় বাংলার ছায়াঘেরা সেই গ্রামে। সেই বসন্তের রংমাখা নস্টালজিয়া বাঙালি জীবন থেকে যেন হারিয়ে না যায়। তা ধরে রাখতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস অঙ্গরাজ্যে উচিটা শহরে উচিটা–বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বসন্তবরণ-১৪৩২’ অনুষ্ঠান বাসন্তী রঙে সেজে উঠেছিল। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) উচিটা স্ট্রেট ইউনিভার্সটির স্ট্রুডেন্ট বলরুম মেতে উঠেছিল বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়।‘

‘‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’—জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে বাঙালি মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে, খোঁপায় ফুল গুঁজে, নানা বাহারি রঙে সেজে এতে অংশ নেন।

অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক তানিয়ার সম্পাদনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা নেচে-গেয়ে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে অন্য রকম আবহের সৃষ্টি করেন। যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা আদিয়া, ফাতিমা, তাসফিয়া, সাফা, দিয়া, মায়েশা, তৌসেফ, সুদীপ, আমান, রোমানা কবির বৃষ্টি, শৈবাল, সোনিয়া, শরিয়া নানা ইভেন্টে অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানে মুগ্ধতা ছড়ান।

বসন্তের প্রথম প্রহরে শিশিরভেজা শিমুল, পলাশ, অশোক ফুল, শাখে-শাখে নানা জাতের আদুরে রঙিন ফুল-ফলের মাতাল দোলায় আটকে আছে কোটি প্রবাসীর প্রাণ।

প্রবাসজীবনে নানা কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যেন পেছনে ফিরে তাকাতে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে নিয়ে যায় বাংলার ছায়াঘেরা সেই গ্রামে। সেই বসন্তের রংমাখা নস্টালজিয়া বাঙালি জীবন থেকে যেন হারিয়ে না যায়। তা ধরে রাখতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস অঙ্গরাজ্যে উচিটা শহরে উচিটা–বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বসন্তবরণ-১৪৩২’ অনুষ্ঠান বাসন্তী রঙে সেজে উঠেছিল। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) উচিটা স্ট্রেট ইউনিভার্সটির স্ট্রুডেন্ট বলরুম মেতে উঠেছিল বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়।‘

‘‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’—জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে বাঙালি মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে, খোঁপায় ফুল গুঁজে, নানা বাহারি রঙে সেজে এতে অংশ নেন।

অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক তানিয়ার সম্পাদনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা নেচে-গেয়ে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে অন্য রকম আবহের সৃষ্টি করেন। যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা আদিয়া, ফাতিমা, তাসফিয়া, সাফা, দিয়া, মায়েশা, তৌসেফ, সুদীপ, আমান, রোমানা কবির বৃষ্টি, শৈবাল, সোনিয়া, শরিয়া নানা ইভেন্টে অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানে মুগ্ধতা ছড়ান।
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’—জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে বাঙালি মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে, খোঁপায় ফুল গুঁজে, নানা বাহারি রঙে সেজে এতে অংশ নেন।
গান শেষ হলেও থেমে থাকেনি গল্প। আড্ডায় আড্ডায় উঠে আসে প্রবাসজীবনের না-বলা কথাগুলো। কুইজের মজায় জমে ওঠে হাসির রোল, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে খুলে যায় স্মৃতির ঝাঁপি। কেউ শোনান প্রথম বসন্তে প্রেমে পড়ার গল্প, কেউ আবার ভালোবাসা দিবসের পুরনো চিঠি কিংবা দূরে থেকেও ভালোবাসা আগলে রাখার অভিজ্ঞতা।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মোহাম্মদ ওসমান বলেন, "আমিরাতে আসার পর থেকেই আমার পরিকল্পনা ছিল নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা৷। আর সে লক্ষ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সর্বপ্রথম আজমানে ২০২১ সালে ফয়সাল মাহমুদ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস ট্রেডিং এলএলসি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম৷
রোববার আবুধাবির আল বাহিয়ার একটি ফার্ম হাউজে অনুষ্ঠিত জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদূত তারেক আহমেদ।