
সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

প্রবাসের মাটিতে থেকেও ভালোবাসা যে সীমান্ত মানে না, বসন্ত যে দূরত্ব ভুলিয়ে দিতে পারে তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকল জেনেভায় এক সন্ধ্যা। বসন্ত আর ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে আয়োজিত এই মিলনমেলায় গান, আড্ডা আর বাংলাদেশি খাবারের স্বাদে রঙিন হয়ে ওঠে প্রবাসী জীবনের এক বিশেষ মুহূর্ত।

আমাদের রেসিডেন্স হেলিয়াডেসে শুরু থেকেই ছিল প্রাণের ছোঁয়া। হাসি আর গানের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠে সন্ধ্যার গল্প। একের পর এক পরিবেশনায় ভেসে আসে পরিচিত সুর, পরিচিত অনুভূতি যা উপস্থিত সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় শেকড়ের কাছে।

উৎসরী প্রিতমের কণ্ঠে বসন্তের নরম ডাক শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়। খান সালেহীনের গানে আর এম এইচ নাতাশার পরিবেশনায় প্রেমের আবেশ ছড়িয়ে পড়ে পুরো সন্ধ্যাজুড়ে। নাজিম নূরের চাহনির সুরে আফরিন হক খুলে দেন স্মৃতির জানালা। ডক্টর সোহেল সৈকতের গাম্ভীর্যের মাঝেও ফুটে ওঠে ভালোবাসার স্পষ্ট উচ্চারণ। ডাক্তার তৌফিক উদ্দিন আর ডাক্তার পিংকি ছিলেন গানের ওপেন হার্ট সার্জারির মাঝে। আয়েশা সিদ্দিকা ও আরিবা পন্নীর পরিবেশনা অনুষ্ঠানে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা, কখনো নস্টালজিক, কখনো উচ্ছ্বল।

সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা ফারজানা তানিয়া আলমের আন্তরিক উদ্যোগে পুরো আয়োজনটি যেন পরিণত হয় এক বড় পরিবারের মিলনমেলায়। সেদিন উপস্থিত প্রত্যেকেই ছিলেন তার ভ্যালেন্টাইন। পাশাপাশি নাজাহা, নুসহাব, আমারা, আরফান ও আরিয়ানের বন্ধুত্বের সেতু বয়সের ব্যবধান পেরিয়ে গড়ে তোলে এক অনন্য মানবিক দৃশ্য, যেখানে প্রজন্মের দূরত্ব হার মানে ভালোবাসার কাছে।

গান শেষ হলেও থেমে থাকেনি গল্প। আড্ডায় আড্ডায় উঠে আসে প্রবাসজীবনের না-বলা কথাগুলো। কুইজের মজায় জমে ওঠে হাসির রোল, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে খুলে যায় স্মৃতির ঝাঁপি। কেউ শোনান প্রথম বসন্তে প্রেমে পড়ার গল্প, কেউ আবার ভালোবাসা দিবসের পুরনো চিঠি কিংবা দূরে থেকেও ভালোবাসা আগলে রাখার অভিজ্ঞতা।

এই আবেগঘন সন্ধ্যায় খাবার ছিল আরেকটি বড় আকর্ষণ। বাংলাদেশি রান্নার গন্ধে মুহূর্তেই বদলে যায় জেনেভার পরিবেশ। ভাত, ভর্তা আর ঝাল-ঝোলের স্বাদে মনে পড়ে যায় বাড়ির উঠোন, উৎসবের দুপুর, আর প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো ভালোবাসা দিবসের মুহূর্ত যেখানে ভালোবাসা মানে ছিল একসঙ্গে বসে খাওয়া।

সব মিলিয়ে, এটি কেবল বসন্ত বরণ বা ভ্যালেন্টাইন উদ্যাপন নয়; এটি ছিল প্রবাসে থেকেও শিকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন উপলক্ষ। গান, হাসি আর ভালোবাসার রঙে জেনেভার বুকে লেখা হয়ে রইল আরেকটি উষ্ণ স্মৃতি যা মনে পড়লেই মন আবার বসন্তে ভরে উঠবে, ভালোবাসার অনুভূতিতে নতুন করে রাঙিয়ে দেবে হৃদয়।

প্রবাসের মাটিতে থেকেও ভালোবাসা যে সীমান্ত মানে না, বসন্ত যে দূরত্ব ভুলিয়ে দিতে পারে তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকল জেনেভায় এক সন্ধ্যা। বসন্ত আর ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে আয়োজিত এই মিলনমেলায় গান, আড্ডা আর বাংলাদেশি খাবারের স্বাদে রঙিন হয়ে ওঠে প্রবাসী জীবনের এক বিশেষ মুহূর্ত।

আমাদের রেসিডেন্স হেলিয়াডেসে শুরু থেকেই ছিল প্রাণের ছোঁয়া। হাসি আর গানের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠে সন্ধ্যার গল্প। একের পর এক পরিবেশনায় ভেসে আসে পরিচিত সুর, পরিচিত অনুভূতি যা উপস্থিত সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় শেকড়ের কাছে।

উৎসরী প্রিতমের কণ্ঠে বসন্তের নরম ডাক শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়। খান সালেহীনের গানে আর এম এইচ নাতাশার পরিবেশনায় প্রেমের আবেশ ছড়িয়ে পড়ে পুরো সন্ধ্যাজুড়ে। নাজিম নূরের চাহনির সুরে আফরিন হক খুলে দেন স্মৃতির জানালা। ডক্টর সোহেল সৈকতের গাম্ভীর্যের মাঝেও ফুটে ওঠে ভালোবাসার স্পষ্ট উচ্চারণ। ডাক্তার তৌফিক উদ্দিন আর ডাক্তার পিংকি ছিলেন গানের ওপেন হার্ট সার্জারির মাঝে। আয়েশা সিদ্দিকা ও আরিবা পন্নীর পরিবেশনা অনুষ্ঠানে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা, কখনো নস্টালজিক, কখনো উচ্ছ্বল।

সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা ফারজানা তানিয়া আলমের আন্তরিক উদ্যোগে পুরো আয়োজনটি যেন পরিণত হয় এক বড় পরিবারের মিলনমেলায়। সেদিন উপস্থিত প্রত্যেকেই ছিলেন তার ভ্যালেন্টাইন। পাশাপাশি নাজাহা, নুসহাব, আমারা, আরফান ও আরিয়ানের বন্ধুত্বের সেতু বয়সের ব্যবধান পেরিয়ে গড়ে তোলে এক অনন্য মানবিক দৃশ্য, যেখানে প্রজন্মের দূরত্ব হার মানে ভালোবাসার কাছে।

গান শেষ হলেও থেমে থাকেনি গল্প। আড্ডায় আড্ডায় উঠে আসে প্রবাসজীবনের না-বলা কথাগুলো। কুইজের মজায় জমে ওঠে হাসির রোল, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে খুলে যায় স্মৃতির ঝাঁপি। কেউ শোনান প্রথম বসন্তে প্রেমে পড়ার গল্প, কেউ আবার ভালোবাসা দিবসের পুরনো চিঠি কিংবা দূরে থেকেও ভালোবাসা আগলে রাখার অভিজ্ঞতা।

এই আবেগঘন সন্ধ্যায় খাবার ছিল আরেকটি বড় আকর্ষণ। বাংলাদেশি রান্নার গন্ধে মুহূর্তেই বদলে যায় জেনেভার পরিবেশ। ভাত, ভর্তা আর ঝাল-ঝোলের স্বাদে মনে পড়ে যায় বাড়ির উঠোন, উৎসবের দুপুর, আর প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো ভালোবাসা দিবসের মুহূর্ত যেখানে ভালোবাসা মানে ছিল একসঙ্গে বসে খাওয়া।

সব মিলিয়ে, এটি কেবল বসন্ত বরণ বা ভ্যালেন্টাইন উদ্যাপন নয়; এটি ছিল প্রবাসে থেকেও শিকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন উপলক্ষ। গান, হাসি আর ভালোবাসার রঙে জেনেভার বুকে লেখা হয়ে রইল আরেকটি উষ্ণ স্মৃতি যা মনে পড়লেই মন আবার বসন্তে ভরে উঠবে, ভালোবাসার অনুভূতিতে নতুন করে রাঙিয়ে দেবে হৃদয়।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন আমেরিকান সাহিত্যিক হিসেবে শরিফুল আলম তার লেখনীর মাধ্যমে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সংস্কৃতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন তৈরি করছেন।
সাক্ষাৎকালে সৌদি উপমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি এও বলেন যে, বাংলাদেশি শ্রমিকেরা সৌদি আরবের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে আয়োজকেরা জানান, আপথিঙ্ক এডুকেশন মূলত একদল এইচএসসি গ্র্যাজুয়েটদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। তারা নিজেদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ ও ব্যক্তিগত বিকাশে সহায়তা করতে চান।
আলোচনায় বক্তারা, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বীর যোদ্ধাদের অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।