
হাবিবুর রহমান, ওমান

ওমানে বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবের বৃহত্তর কুমিল্লা উইংয়ের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ মার্চ) রাজধানী মাস্কাটের আল-ফালাজ ৪ স্টার হোটেলে সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর কুমিল্লা উইংয়ের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল হাসান। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাঈদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাস, মাস্কাটের প্রথম সচিব (শ্রম উইং) আসাদুল হক। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাব ওমানের চেয়ারম্যান সিআইপি সিরাজুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওমান রয়েল পুলিশের কর্নেল নাসের বিন মনসুর আল সালতি।
এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবের সহ-সভাপতি সিআইপি আজিমুল হক বাবুল, সিআইপি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক এম এন আমিনসহ অন্য নেতারা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন হাফেজ আমিনুল ইসলাম। ইফতার কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন আব্দুল মাতিন।
এতে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ সরকারের সিআইপি পদকে ভূষিত প্রকৌশলী শাহআলী এবং ব্যবসায়ী তৌফিক পলাশকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া, স্টার লাইফ ও স্টার গোল্ড কোম্পানির ওমান কান্ট্রি ম্যানেজার এবং উইংয়ের যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন তার কোম্পানির পক্ষ থেকে অতিথিদের ঈদ উপহার প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল হাসান অতিথিদের ধন্যবাদ জানান। পরে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মাহাবুবুর রহমান।

ওমানে বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবের বৃহত্তর কুমিল্লা উইংয়ের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ মার্চ) রাজধানী মাস্কাটের আল-ফালাজ ৪ স্টার হোটেলে সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর কুমিল্লা উইংয়ের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল হাসান। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাঈদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাস, মাস্কাটের প্রথম সচিব (শ্রম উইং) আসাদুল হক। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাব ওমানের চেয়ারম্যান সিআইপি সিরাজুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওমান রয়েল পুলিশের কর্নেল নাসের বিন মনসুর আল সালতি।
এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবের সহ-সভাপতি সিআইপি আজিমুল হক বাবুল, সিআইপি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক এম এন আমিনসহ অন্য নেতারা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন হাফেজ আমিনুল ইসলাম। ইফতার কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন আব্দুল মাতিন।
এতে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ সরকারের সিআইপি পদকে ভূষিত প্রকৌশলী শাহআলী এবং ব্যবসায়ী তৌফিক পলাশকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া, স্টার লাইফ ও স্টার গোল্ড কোম্পানির ওমান কান্ট্রি ম্যানেজার এবং উইংয়ের যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন তার কোম্পানির পক্ষ থেকে অতিথিদের ঈদ উপহার প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল হাসান অতিথিদের ধন্যবাদ জানান। পরে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মাহাবুবুর রহমান।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে