
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি অনেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনাম অর্জন করেছেন। তারা নিজ চেষ্টায় নিজেদের নিয়ে গেছেন সফলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা ও সফলতায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের গর্বের লাল-সবুজের পতাকার মান সমুন্নত রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে মালয়েশিয়ার বুকে বাংলাদেশকে সেই দেশের সরকার থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ সম্মানের চোখে দেখেন।
তাদের সম্মানিত করতে ভয়েস এশিয়ান আয়োজন করেছে বিশেষ অ্যাওয়ার্ডস প্রোগ্রাম। ২৫ জন সফল প্রবাসীকে ‘ফার্স্ট মালয়েশিয়া অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ডস’ দিয়ে সম্মাননা জানানো হবে।
মালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল তাদেরকে দেওয়া হবে এই অ্যাওয়ার্ডস। জেনারেল ক্যাটাগরিতে ২৫ জনকে ছাড়াও বিশেষ ক্যাটাগরিতে অ্যাসোসিয়েশনসহ প্রবাসী সাংবাদিকদেরও সম্মান জানানো হবে।
৩০ নভেম্বরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের পাঁচ তারকা হোটেল ‘জি টাওয়ারে’ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হবে। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এবং প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অ্যাওয়ার্ডস প্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেবেন।

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি অনেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনাম অর্জন করেছেন। তারা নিজ চেষ্টায় নিজেদের নিয়ে গেছেন সফলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা ও সফলতায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের গর্বের লাল-সবুজের পতাকার মান সমুন্নত রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে মালয়েশিয়ার বুকে বাংলাদেশকে সেই দেশের সরকার থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ সম্মানের চোখে দেখেন।
তাদের সম্মানিত করতে ভয়েস এশিয়ান আয়োজন করেছে বিশেষ অ্যাওয়ার্ডস প্রোগ্রাম। ২৫ জন সফল প্রবাসীকে ‘ফার্স্ট মালয়েশিয়া অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ডস’ দিয়ে সম্মাননা জানানো হবে।
মালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল তাদেরকে দেওয়া হবে এই অ্যাওয়ার্ডস। জেনারেল ক্যাটাগরিতে ২৫ জনকে ছাড়াও বিশেষ ক্যাটাগরিতে অ্যাসোসিয়েশনসহ প্রবাসী সাংবাদিকদেরও সম্মান জানানো হবে।
৩০ নভেম্বরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের পাঁচ তারকা হোটেল ‘জি টাওয়ারে’ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হবে। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এবং প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অ্যাওয়ার্ডস প্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেবেন।
বাংলাদেশের স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, ড. মোহাম্মদ ইকবাল আলী, কনকচাঁপা ও শাহনাজ কুহুর শিল্পকর্ম নিয়ে ১১ দিনব্যাপী এই চিত্র প্রদর্শনী গত রোববার (৭ জুন) উদ্বোধন করা হয়েছে।
অতিথি ও বিএমএস পরিবারসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এই মিলনমেলায় অংশ নেন, যেখানে পেশাদারত্বের পাশাপাশি ছিল উষ্ণ বন্ধুত্ব, সংস্কৃতির আলো আর স্বদেশের সুর।
কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ড্রোন হামলায় আহতদের চিকিৎসার জন্য সেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় নাগরিক ও অন্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসেন।