
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনির ইঙ্গেলবার্নে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্টার পার্টনার্স ইঙ্গেলবার্ন তাদের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্রেগ পার্সিভাল কমিউনিটি সেন্টারের প্রধান হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তিলওয়াত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্টার পার্টনার্স টিমের সদস্যরা।
আয়োজনের মূল পর্বে মোহাম্মেদ নাইম কোম্পানির গত এক বছরের অর্জন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়াও, অতিথিদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং, ডিনার ও মুক্ত আড্ডার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।

স্টার পার্টনার্স ইঙ্গেলবার্ন প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান। বাড়ি কেনাবেচা, ভাড়া থেকে শুরু করে আবাসন ঋণ—সব ধরনের সেবা এক ছাদের নিচে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু।

বর্তমানে টিমে রয়েছেন—মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সৈয়দ জিয়াউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, মোহাম্মেদ নাইম, শামিম হোসেন, মোহাম্মেদ হেলাল ও বাদ্রি রাউট বাহাদুর, জুবাইদুর রহমান, নুরুল ইসলাম কাজল ও অনুপ কুমার সাহা।

প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজকেরা জানান, স্থানীয় কমিউনিটির আস্থা ও সহযোগিতাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ভবিষ্যতেও একইভাবে নির্ভরযোগ্য আবাসন সেবা দিয়ে কমিউনিটির পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন তারা।
স্টার পার্টনার্স ইঙ্গেলবার্ন টিম সবাইকে ইঙ্গেলবার্নের তাদের অক্সফোর্ড রোড অফিসে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার পর অতিথিদের রাতের খাবারে আপ্যায়িত করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনির ইঙ্গেলবার্নে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্টার পার্টনার্স ইঙ্গেলবার্ন তাদের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্রেগ পার্সিভাল কমিউনিটি সেন্টারের প্রধান হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তিলওয়াত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্টার পার্টনার্স টিমের সদস্যরা।
আয়োজনের মূল পর্বে মোহাম্মেদ নাইম কোম্পানির গত এক বছরের অর্জন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়াও, অতিথিদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং, ডিনার ও মুক্ত আড্ডার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।

স্টার পার্টনার্স ইঙ্গেলবার্ন প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান। বাড়ি কেনাবেচা, ভাড়া থেকে শুরু করে আবাসন ঋণ—সব ধরনের সেবা এক ছাদের নিচে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু।

বর্তমানে টিমে রয়েছেন—মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সৈয়দ জিয়াউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, মোহাম্মেদ নাইম, শামিম হোসেন, মোহাম্মেদ হেলাল ও বাদ্রি রাউট বাহাদুর, জুবাইদুর রহমান, নুরুল ইসলাম কাজল ও অনুপ কুমার সাহা।

প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজকেরা জানান, স্থানীয় কমিউনিটির আস্থা ও সহযোগিতাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ভবিষ্যতেও একইভাবে নির্ভরযোগ্য আবাসন সেবা দিয়ে কমিউনিটির পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন তারা।
স্টার পার্টনার্স ইঙ্গেলবার্ন টিম সবাইকে ইঙ্গেলবার্নের তাদের অক্সফোর্ড রোড অফিসে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার পর অতিথিদের রাতের খাবারে আপ্যায়িত করা হয়।
বিশ্বজুড়ে নারীরা যখন নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন-তখন এই আয়োজন জানান দিয়েছে, নারীর ক্ষমতায়ন শুধু একটি দিনের উদ্যাপন নয় বরং এটি একটি চলমান আন্দোলন। নারীর শক্তি শুধু পরিবার নয়, সমাজ এবং পুরো বিশ্বকে এগিয়ে নেয়। যখন নারীর কণ্ঠ জাগ্রত হয়, তখন জেগে ওঠে নতুন পৃথিবী।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের ওপর আলোকপাত করেন।
এফ এম বোরহান উদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সেতু এইউ’ অ্যাপটি শুধু অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেই সহায়ক হবে না, বরং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জাফর আহমেদ বলেন, তার কোম্পানিতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও ভিসা বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো বাংলাদেশি শ্রমিক কাজে লাগাতে পারছেন না। তিনি আমিরাতের শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে বাংলাদেশ সরকারকে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার অনুরোধ জানান।