
বিডিজেন ডেস্ক

মরিশাস প্রজাতন্ত্রের পোর্ট লুইসে ‘এসো দেশ বদলাই, এসো পৃথিবী বদলাই’ স্লোগানে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উদ্যাপিত হয়েছে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫। এ উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে পোর্ট লুইসে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
রোববার ( ২৬ জানুয়ারি) মরিশাস প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা মন্ত্রণালয় ও ন্যাশনাল ব্লাড ট্রান্সফিউশন সার্ভিসের সার্বিক সহযোগিতায় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন ভবনে এ রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মরিশাসে নিযুক্ত হাইকমিশনার জকি আহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরিশাস প্রজাতন্ত্রের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিম। তিনি রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় মরিশাসের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মহাপরিচালক ড. এ দিনাসিং উপস্থিত ছিলেন।
হাইকমিশনার জকি আহাদ প্রথমেই জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহিদ ও বেঁচে থাকা সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রক্তের কোনো বিকল্প নেই এবং এটি প্রবাসী বাংলাদেশি রক্তদাতাদের পক্ষ থেকে মরিশাসের জনগণের প্রতি বিশেষ উপহার। তিনি আরও বলেন যে, আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের মানবিক কাজে সবসময় আপনাদের সহযোগিতা আশা করছি।
মরিশাসের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিম বলেন, বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক আয়োজিত আজকের এ রক্তদান কর্মসূচি এক অনন্য উদাহরণ। প্রবাসী বাংলাদেশিরা আমাদের পরিবারের অংশ এবং আর্ত-মানবতার সেবায় তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সবার জন্য অনুকরণীয়। তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, এ পর্যন্ত আর কোনো দূতাবাস/ হাইকমিশন এ ধরনের কোন অনুষ্ঠান আয়োজন করেনি।
কর্মসূচিতে উল্লেখসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বেচ্ছায় স্বতঃস্ফুর্তভাবে রক্তদান করেন। তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উপলক্ষে মরিশাসস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে এই মহতী উদ্যোগ স্থানীয় জনগণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে ১২৮ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং রক্তদান করেন। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সকল রক্তদাতাকে একটি করে ‘প্রশংসা সনদ’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি মরিশাসের টেলিভিশন ও রেডিও (সরাসরি সম্প্রচার) সহ সকল গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। বিজ্ঞপ্তি

মরিশাস প্রজাতন্ত্রের পোর্ট লুইসে ‘এসো দেশ বদলাই, এসো পৃথিবী বদলাই’ স্লোগানে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উদ্যাপিত হয়েছে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫। এ উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে পোর্ট লুইসে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
রোববার ( ২৬ জানুয়ারি) মরিশাস প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা মন্ত্রণালয় ও ন্যাশনাল ব্লাড ট্রান্সফিউশন সার্ভিসের সার্বিক সহযোগিতায় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন ভবনে এ রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মরিশাসে নিযুক্ত হাইকমিশনার জকি আহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরিশাস প্রজাতন্ত্রের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিম। তিনি রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় মরিশাসের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মহাপরিচালক ড. এ দিনাসিং উপস্থিত ছিলেন।
হাইকমিশনার জকি আহাদ প্রথমেই জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহিদ ও বেঁচে থাকা সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রক্তের কোনো বিকল্প নেই এবং এটি প্রবাসী বাংলাদেশি রক্তদাতাদের পক্ষ থেকে মরিশাসের জনগণের প্রতি বিশেষ উপহার। তিনি আরও বলেন যে, আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের মানবিক কাজে সবসময় আপনাদের সহযোগিতা আশা করছি।
মরিশাসের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিম বলেন, বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক আয়োজিত আজকের এ রক্তদান কর্মসূচি এক অনন্য উদাহরণ। প্রবাসী বাংলাদেশিরা আমাদের পরিবারের অংশ এবং আর্ত-মানবতার সেবায় তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সবার জন্য অনুকরণীয়। তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, এ পর্যন্ত আর কোনো দূতাবাস/ হাইকমিশন এ ধরনের কোন অনুষ্ঠান আয়োজন করেনি।
কর্মসূচিতে উল্লেখসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বেচ্ছায় স্বতঃস্ফুর্তভাবে রক্তদান করেন। তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উপলক্ষে মরিশাসস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে এই মহতী উদ্যোগ স্থানীয় জনগণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে ১২৮ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং রক্তদান করেন। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সকল রক্তদাতাকে একটি করে ‘প্রশংসা সনদ’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি মরিশাসের টেলিভিশন ও রেডিও (সরাসরি সম্প্রচার) সহ সকল গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। বিজ্ঞপ্তি
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।