
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট চ্যানেল জিটিভির ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
গত শুক্রবার (১১ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ৯টায় কুয়েত সিটির রাজবাড়ী হোটেলের হলরুমে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ছিল শিশু হাফেজ আয়ান আব্দুল্লাহ পবিত্র কোরান থেকে তিলাওয়াত। এ ছাড়া কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জিটিভি দর্শক ফোরাম কুয়েতের সভাপতি নাছির উদ্দীন খোকন। উপস্থাপনা করেন জিটিভির কুয়েত প্রতিনিধি আলাল আহমদ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রবাসী সংগঠক আব্দুল হাই মামুন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী সংগঠক মোহাম্মদ আকবর হোসেন, আব্দুল হাই ভুইয়া, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, মিঠুন সেলিম, প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, মোরশেদ আলম ভূঁইয়া, তারেক হোসেন, কোরবান আলী, ইউনুস মাহমুদ, ওয়াসিম সানি, সুরুক মিয়া প্রমুখ।
বক্তব্য দেন সাংবাদিক আ হ জুবেদ, হেবজু মিয়া, আহাদ আম্বিয়া খোকন, জিসান মাহমুদ, আবু বক্কর সিদ্দিক পাভেল, লুৎফুর রহমান, মোস্তফা মিয়া, আব্দুর রহমান, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে, সংগীত পরিবেশন করেন প্রবাসী ব্যান্ডের শিল্পীরা।
শেষে নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

কুয়েতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট চ্যানেল জিটিভির ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
গত শুক্রবার (১১ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ৯টায় কুয়েত সিটির রাজবাড়ী হোটেলের হলরুমে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ছিল শিশু হাফেজ আয়ান আব্দুল্লাহ পবিত্র কোরান থেকে তিলাওয়াত। এ ছাড়া কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জিটিভি দর্শক ফোরাম কুয়েতের সভাপতি নাছির উদ্দীন খোকন। উপস্থাপনা করেন জিটিভির কুয়েত প্রতিনিধি আলাল আহমদ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রবাসী সংগঠক আব্দুল হাই মামুন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী সংগঠক মোহাম্মদ আকবর হোসেন, আব্দুল হাই ভুইয়া, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, মিঠুন সেলিম, প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, মোরশেদ আলম ভূঁইয়া, তারেক হোসেন, কোরবান আলী, ইউনুস মাহমুদ, ওয়াসিম সানি, সুরুক মিয়া প্রমুখ।
বক্তব্য দেন সাংবাদিক আ হ জুবেদ, হেবজু মিয়া, আহাদ আম্বিয়া খোকন, জিসান মাহমুদ, আবু বক্কর সিদ্দিক পাভেল, লুৎফুর রহমান, মোস্তফা মিয়া, আব্দুর রহমান, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে, সংগীত পরিবেশন করেন প্রবাসী ব্যান্ডের শিল্পীরা।
শেষে নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রকাশনা সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান অপূর্ব শর্মা বলেন, আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাগুলো কেবল বই বিক্রির পরিসর নয়; বরং এগুলো প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।
বাংলাদেশে ক্যানসারের ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরে এম এ মুহিত প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।