

নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির মিন্টোতে বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাপ্পী অ্যান্ড সাকিলা ফাউন্ডেশন বিডি হাব চাঁদ রাত মেলা’।
রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মিন্টোর ৩৭–৪১ লিংকন স্ট্রিটে অবস্থিত বিডি হাব সিডনির আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

চাঁদ রাত মেলা শুরু হয় বেলা ১১টায়। মেলায় ছিল ৫০টিরও বেশি বাহারি পোশাক, রকমারি গয়না, মেহেদি ও সুস্বাদু খাবারের স্টল ও ফুড ট্রাক। বাচ্চাদের জন্য ছিল ফেস পেইন্টিংসহ বিনোদনের হরেক রকম ব্যবস্থা। সন্ধ্যার পরে মেলায় ছিল প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড়।
ইফতার ও নামাজের পর ড. রতন কুন্ডুর সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন তহমিদ রহমান। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে ক্যাম্বেলটাউনের আল-ফয়সাল কলেজের শিক্ষার্থীরা। কলেজের প্রিন্সিপাল সোনালি লুথরার নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি কয়েকটি নাশিদ পরিবেশন করে। পরে বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা আরও সমৃদ্ধ হয়।

এরপর বিডি হাব সিডনির পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল খান রতন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিডি হাব সিডনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি চাঁদ রাত মেলা, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তিনি কমিউনিটির সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঈদের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্যে বলা হয়, ইসলাম ধর্মে ঈদ কেবল উৎসব নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। ঈদুল ফিতর রমজান মাসের সিয়াম সাধনার সমাপ্তি উদ্যাপন করে এবং দান-খয়রাতের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের প্রতি সহানুভূতির শিক্ষা দেয়। অন্যদিকে ঈদুল আজহা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যের স্মরণ করিয়ে দেয়।

অনুষ্ঠানে বিডি হাব সিডনির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রহমান মিঠু, সহ সভাপতি শফিক শেখ ও নিরব, কোষাধ্যক্ষ শাখাওয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান টিপু ও ফয়সাল আজাদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিল মেয়র ডারসি লাউন্ড। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সমাজে তাদের অবদানের প্রশংসা করেন। পরে তিনি অনুষ্ঠানের বিভিন্ন স্পন্সরদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যাককোয়ারি ফিল্ডসের সংসদ সদস্য ও নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের মন্ত্রী আনোল্যাক চানথিভং। তিনি বলেন, বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটি তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রেখে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। পরে তিনি কমিউনিটির কয়েকজন পৃষ্ঠপোষক ও সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান করেন।

এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন ওয়েরিওয়া আসনের সংসদ সদস্য অ্যান স্ট্যানলি এমপি এবং লেপিংটন আসনের সংসদ সদস্য নাথান হ্যাগার্টি এমপি। তারা বাংলাদেশি কমিউনিটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন ও ক্যামডেন কাউন্সিলের একাধিক কাউন্সিলর, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
পরে রাত ৮টা থেকে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাটকের পরিবেশনায় অংশ নেন ইমরান হোসাইন, নিলুফা ইয়াসমিন, মারিয়া মুন, নাজ আহমদ, মধুমিতা সাহা, নমিতা চৌধুরী, অনুলেখা পন্ডিত সুইটি, রত্না কর তুলী, শ্যামলী দেবরয়, সামির রোজারিওসহ আরও অনেকে। নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঞ্জলি ড্যান্স একাডেমি এবং নাটক পরিবেশন করেন পলি ফারহাদ ও সায়েদ আজিম চঞ্চল।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সমাপনী বক্তব্য দেন বিডি হাব সিডনির সভাপতি আবদুল খান রতন ও সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ রহমান মিঠু। তারা এই আয়োজন সফল করতে সহযোগিতা করা সকল অতিথি, স্পন্সর ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঈদকে সামনে রেখে আয়োজিত এই চাঁদ রাত উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি কমিউনিটির ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির মিন্টোতে বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাপ্পী অ্যান্ড সাকিলা ফাউন্ডেশন বিডি হাব চাঁদ রাত মেলা’।
রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মিন্টোর ৩৭–৪১ লিংকন স্ট্রিটে অবস্থিত বিডি হাব সিডনির আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

চাঁদ রাত মেলা শুরু হয় বেলা ১১টায়। মেলায় ছিল ৫০টিরও বেশি বাহারি পোশাক, রকমারি গয়না, মেহেদি ও সুস্বাদু খাবারের স্টল ও ফুড ট্রাক। বাচ্চাদের জন্য ছিল ফেস পেইন্টিংসহ বিনোদনের হরেক রকম ব্যবস্থা। সন্ধ্যার পরে মেলায় ছিল প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড়।
ইফতার ও নামাজের পর ড. রতন কুন্ডুর সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন তহমিদ রহমান। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে ক্যাম্বেলটাউনের আল-ফয়সাল কলেজের শিক্ষার্থীরা। কলেজের প্রিন্সিপাল সোনালি লুথরার নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি কয়েকটি নাশিদ পরিবেশন করে। পরে বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা আরও সমৃদ্ধ হয়।

এরপর বিডি হাব সিডনির পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল খান রতন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিডি হাব সিডনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি চাঁদ রাত মেলা, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তিনি কমিউনিটির সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঈদের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্যে বলা হয়, ইসলাম ধর্মে ঈদ কেবল উৎসব নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। ঈদুল ফিতর রমজান মাসের সিয়াম সাধনার সমাপ্তি উদ্যাপন করে এবং দান-খয়রাতের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের প্রতি সহানুভূতির শিক্ষা দেয়। অন্যদিকে ঈদুল আজহা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যের স্মরণ করিয়ে দেয়।

অনুষ্ঠানে বিডি হাব সিডনির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রহমান মিঠু, সহ সভাপতি শফিক শেখ ও নিরব, কোষাধ্যক্ষ শাখাওয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান টিপু ও ফয়সাল আজাদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিল মেয়র ডারসি লাউন্ড। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সমাজে তাদের অবদানের প্রশংসা করেন। পরে তিনি অনুষ্ঠানের বিভিন্ন স্পন্সরদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যাককোয়ারি ফিল্ডসের সংসদ সদস্য ও নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের মন্ত্রী আনোল্যাক চানথিভং। তিনি বলেন, বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটি তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রেখে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। পরে তিনি কমিউনিটির কয়েকজন পৃষ্ঠপোষক ও সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান করেন।

এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন ওয়েরিওয়া আসনের সংসদ সদস্য অ্যান স্ট্যানলি এমপি এবং লেপিংটন আসনের সংসদ সদস্য নাথান হ্যাগার্টি এমপি। তারা বাংলাদেশি কমিউনিটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন ও ক্যামডেন কাউন্সিলের একাধিক কাউন্সিলর, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
পরে রাত ৮টা থেকে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাটকের পরিবেশনায় অংশ নেন ইমরান হোসাইন, নিলুফা ইয়াসমিন, মারিয়া মুন, নাজ আহমদ, মধুমিতা সাহা, নমিতা চৌধুরী, অনুলেখা পন্ডিত সুইটি, রত্না কর তুলী, শ্যামলী দেবরয়, সামির রোজারিওসহ আরও অনেকে। নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঞ্জলি ড্যান্স একাডেমি এবং নাটক পরিবেশন করেন পলি ফারহাদ ও সায়েদ আজিম চঞ্চল।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সমাপনী বক্তব্য দেন বিডি হাব সিডনির সভাপতি আবদুল খান রতন ও সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ রহমান মিঠু। তারা এই আয়োজন সফল করতে সহযোগিতা করা সকল অতিথি, স্পন্সর ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঈদকে সামনে রেখে আয়োজিত এই চাঁদ রাত উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি কমিউনিটির ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।