
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে রবীন্দ্র–নজরুল জয়ন্তী উদ্যাপন করা হয়েছে।
রোববার (১ জুন) বাংলাদেশ দূতাবাসের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

বাংলাদেশ থেকে আমিরাতে প্রশিক্ষণে আগত বিসিএস ক্যাডার মোহাম্মদ এহতেশাম ও মোহাম্মদ আবীরের যৌথ সঞ্চালনায় এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির মহাপরিচালক ইকবাল আহমেদ। বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সমিতি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মিশন উপপ্রধান শাহনাজ আক্তার রানু, জনতা ব্যাংক ইউএইর অপারেশন সিইও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিএনপির ইউএই শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য জাকির হোসেন খতিব, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, সারোয়ার আলম ভুট্টো, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক, আবুল কালাম, আবু রাসেল, দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, আমিরাতে প্রশিক্ষণে আসা বিসিএস কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসী বিভিন্ন সামজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ ও জাতি গঠনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অবদান ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া ছিল, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে রবীন্দ্র–নজরুল জয়ন্তী উদ্যাপন করা হয়েছে।
রোববার (১ জুন) বাংলাদেশ দূতাবাসের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

বাংলাদেশ থেকে আমিরাতে প্রশিক্ষণে আগত বিসিএস ক্যাডার মোহাম্মদ এহতেশাম ও মোহাম্মদ আবীরের যৌথ সঞ্চালনায় এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির মহাপরিচালক ইকবাল আহমেদ। বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সমিতি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মিশন উপপ্রধান শাহনাজ আক্তার রানু, জনতা ব্যাংক ইউএইর অপারেশন সিইও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিএনপির ইউএই শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য জাকির হোসেন খতিব, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, সারোয়ার আলম ভুট্টো, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক, আবুল কালাম, আবু রাসেল, দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, আমিরাতে প্রশিক্ষণে আসা বিসিএস কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসী বিভিন্ন সামজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ ও জাতি গঠনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অবদান ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া ছিল, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।