
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ৫৪তম মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে।
১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় আবুধাবির দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। পতাকা উত্তোলন করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

দূতাবাসে অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের মিশন উপ প্রধান শাহনাজ আক্তার রানু। প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন লেবার কাউন্সিলর মোহাম্মদ উল্লাহ খান এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) রুবাইয়া আফরোজ।
কাউন্সেলর তৌহিদ ইমামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আয়োজনে বাংলাদেশ সমিতি আরব আমিরাত, জনতা ব্যাংক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, বাংলাদেশ স্কুল ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ব্যক্তিরাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সন্ধ্যায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে বিজয় দিবসের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ৫৪তম মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে।
১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় আবুধাবির দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। পতাকা উত্তোলন করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

দূতাবাসে অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের মিশন উপ প্রধান শাহনাজ আক্তার রানু। প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন লেবার কাউন্সিলর মোহাম্মদ উল্লাহ খান এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) রুবাইয়া আফরোজ।
কাউন্সেলর তৌহিদ ইমামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আয়োজনে বাংলাদেশ সমিতি আরব আমিরাত, জনতা ব্যাংক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, বাংলাদেশ স্কুল ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ব্যক্তিরাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সন্ধ্যায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে বিজয় দিবসের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিশ্বজুড়ে নারীরা যখন নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন-তখন এই আয়োজন জানান দিয়েছে, নারীর ক্ষমতায়ন শুধু একটি দিনের উদ্যাপন নয় বরং এটি একটি চলমান আন্দোলন। নারীর শক্তি শুধু পরিবার নয়, সমাজ এবং পুরো বিশ্বকে এগিয়ে নেয়। যখন নারীর কণ্ঠ জাগ্রত হয়, তখন জেগে ওঠে নতুন পৃথিবী।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের ওপর আলোকপাত করেন।
এফ এম বোরহান উদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সেতু এইউ’ অ্যাপটি শুধু অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেই সহায়ক হবে না, বরং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জাফর আহমেদ বলেন, তার কোম্পানিতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও ভিসা বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো বাংলাদেশি শ্রমিক কাজে লাগাতে পারছেন না। তিনি আমিরাতের শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে বাংলাদেশ সরকারকে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার অনুরোধ জানান।