
আল জাজিরা

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে হত্যাকাণ্ড বাড়িয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও হয়রানিও বেড়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নৃশংসতা বৃদ্ধির তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর)।
আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওএইচসিএইচআরের মুখপাত্র তহামিন আল–খেতান বলেন, পশ্চিম তীরে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আরও বেশি এলাকা ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। সেখান থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করা হচ্ছে। তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, আগুন দেওয়া হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা সংঘাত শুরুর পর পশ্চিম তীরে নিহত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ফিলিস্তিনি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিগত ২১ মাসের বেশি সময়ে পশ্চিম তীরে অন্তত ৯৬৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা। এই সময়ে সেখানে অন্তত ২ হাজার ৯০৭টি বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আর ওএইচসিএইচআর বলেছে, গত জানুয়ারি থেকে পশ্চিম তীরে ‘আয়রন ওয়াল’ নামে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। এ সময় ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে অবশ্যই হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন আল–খেতান। আলাদা একটি বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘দখল করা এই অঞ্চলে ইসরায়েলকে অবশ্যই হত্যাকাণ্ড, হয়রানি ও বাড়ি ধ্বংস বন্ধ করতে হবে। দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরায়েলের উচিত পশ্চিম তীরে জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সব ধরনের বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে হত্যাকাণ্ড বাড়িয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও হয়রানিও বেড়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নৃশংসতা বৃদ্ধির তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর)।
আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওএইচসিএইচআরের মুখপাত্র তহামিন আল–খেতান বলেন, পশ্চিম তীরে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আরও বেশি এলাকা ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। সেখান থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করা হচ্ছে। তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, আগুন দেওয়া হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা সংঘাত শুরুর পর পশ্চিম তীরে নিহত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ফিলিস্তিনি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিগত ২১ মাসের বেশি সময়ে পশ্চিম তীরে অন্তত ৯৬৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা। এই সময়ে সেখানে অন্তত ২ হাজার ৯০৭টি বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আর ওএইচসিএইচআর বলেছে, গত জানুয়ারি থেকে পশ্চিম তীরে ‘আয়রন ওয়াল’ নামে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। এ সময় ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে অবশ্যই হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন আল–খেতান। আলাদা একটি বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘দখল করা এই অঞ্চলে ইসরায়েলকে অবশ্যই হত্যাকাণ্ড, হয়রানি ও বাড়ি ধ্বংস বন্ধ করতে হবে। দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরায়েলের উচিত পশ্চিম তীরে জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সব ধরনের বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।