
মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে

কানাডা সরকার দেশটির নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণের বিষয়ে নতুন পরামর্শ জারি করেছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ভ্রমণে কানাডীয় নাগরিকদের উচ্চ মাত্রার সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
কানাডা সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশে কিছু নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ রয়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভ্রমণকারীদের সর্বদা সতর্ক থাকতে, স্থানীয় গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করতে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
ভ্রমণ পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা উচিত এবং শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনেই বাংলাদেশ ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বর্তমানে যারা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, তাদেরও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে কানাডা সরকার।
এ ছাড়া, পরিস্থিতি খারাপ হলে অবিলম্বে বাংলাদেশ ত্যাগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, কানাডা সরকারের ভ্রমণ পরামর্শ ৪টি স্তরে ভাগ করা হয়।
১. স্বাভাবিক সতর্কতা
২. উচ্চমাত্রার সতর্কতা
৩. অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়ানো
৪. সব ধরনের ভ্রমণ এড়ানো
বাংলাদেশের জন্য বর্তমানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের সতর্কতা কার্যকর রয়েছে।

কানাডা সরকার দেশটির নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণের বিষয়ে নতুন পরামর্শ জারি করেছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ভ্রমণে কানাডীয় নাগরিকদের উচ্চ মাত্রার সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
কানাডা সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশে কিছু নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ রয়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভ্রমণকারীদের সর্বদা সতর্ক থাকতে, স্থানীয় গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করতে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
ভ্রমণ পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা উচিত এবং শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনেই বাংলাদেশ ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বর্তমানে যারা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, তাদেরও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে কানাডা সরকার।
এ ছাড়া, পরিস্থিতি খারাপ হলে অবিলম্বে বাংলাদেশ ত্যাগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, কানাডা সরকারের ভ্রমণ পরামর্শ ৪টি স্তরে ভাগ করা হয়।
১. স্বাভাবিক সতর্কতা
২. উচ্চমাত্রার সতর্কতা
৩. অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়ানো
৪. সব ধরনের ভ্রমণ এড়ানো
বাংলাদেশের জন্য বর্তমানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের সতর্কতা কার্যকর রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।