
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালায়া থেকে এডুকেশন (ল্যাংগুয়েজ & লিটারেসি) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জিনাত এ তাবাসসুম। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল 'ইএফএল’ স্পিকিং দক্ষতা বাড়াতে কমিউনিটি অব ইনকোয়্যারি ও ব্লেন্ডেড লার্নিং একসঙ্গে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অনুশীলন (টিচার্স প্র্যাকটিস অব সিনেজায়জিং কমিউনিটি অব ইনকোয়্যারি অ্যান্ড ব্লেনডেড লার্নিং ইন ইএফএল স্পিকিং কমপিটেন্সি)।

গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) ইউনিভার্সিটি মালায়ার দেওয়ান তুনকু চ্যান্সেলরিতে তার কনভোকেশন অনুষ্ঠিত হয়।
তার শিক্ষাজীবনের এই বড় অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি প্রবাসে অধ্যায়ন ও গবেষণারত অসংখ্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকের জন্য এক অনুপ্রেরণার বিষয়। এই সম্মানজনক ডিগ্রি শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করবে।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি জিনাত এ তাবাসসুম মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি ও স্টুডেন্ট গ্রুপের একজন পরিচিত মুখ।

জিনাত ঢাকার সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে ব্যাচেলর করেন। তিনি ব্যাচের টপ রেজাল্টের অধিকারী ছিলেন। পরে মালয়েশিয়ার জিওম্যাটিকা ইউনিভার্সিটি থেকে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট মেজর নিয়ে এমবিএ করেন। সেখানেও তিনি টপ রেজাল্ট ও বেস্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

জিনাত এ তাবাসসুম বর্তমানে সিনিয়র পিটিই ট্রেইনার হিসেবে একটা ইন্টারন্যাশনাল প্লাটফর্মে কর্মরত আছেন। তার গ্রামের বাড়ি মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজিপুর গ্রামে।তার বাবার নাম আমিনুল হক রতন ও মা রাশিদা খাতুন।

মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালায়া থেকে এডুকেশন (ল্যাংগুয়েজ & লিটারেসি) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জিনাত এ তাবাসসুম। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল 'ইএফএল’ স্পিকিং দক্ষতা বাড়াতে কমিউনিটি অব ইনকোয়্যারি ও ব্লেন্ডেড লার্নিং একসঙ্গে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অনুশীলন (টিচার্স প্র্যাকটিস অব সিনেজায়জিং কমিউনিটি অব ইনকোয়্যারি অ্যান্ড ব্লেনডেড লার্নিং ইন ইএফএল স্পিকিং কমপিটেন্সি)।

গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) ইউনিভার্সিটি মালায়ার দেওয়ান তুনকু চ্যান্সেলরিতে তার কনভোকেশন অনুষ্ঠিত হয়।
তার শিক্ষাজীবনের এই বড় অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি প্রবাসে অধ্যায়ন ও গবেষণারত অসংখ্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকের জন্য এক অনুপ্রেরণার বিষয়। এই সম্মানজনক ডিগ্রি শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করবে।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি জিনাত এ তাবাসসুম মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি ও স্টুডেন্ট গ্রুপের একজন পরিচিত মুখ।

জিনাত ঢাকার সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে ব্যাচেলর করেন। তিনি ব্যাচের টপ রেজাল্টের অধিকারী ছিলেন। পরে মালয়েশিয়ার জিওম্যাটিকা ইউনিভার্সিটি থেকে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট মেজর নিয়ে এমবিএ করেন। সেখানেও তিনি টপ রেজাল্ট ও বেস্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

জিনাত এ তাবাসসুম বর্তমানে সিনিয়র পিটিই ট্রেইনার হিসেবে একটা ইন্টারন্যাশনাল প্লাটফর্মে কর্মরত আছেন। তার গ্রামের বাড়ি মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজিপুর গ্রামে।তার বাবার নাম আমিনুল হক রতন ও মা রাশিদা খাতুন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।