
মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে

কানাডায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের জনবল সংকট তীব্র হওয়ায় দেশটির ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার কেলোনা (Kelowna) এবং ম্যানিটোবার উইনিপেগ (Winnipeg) বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ রাখা হচ্ছে। এয়ার কানাডা তাদের পাইলটদের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক অভ্যন্তরীণ মেমোতে সতর্ক করেছে, ডিউটিতে থাকা একমাত্র কন্ট্রোলার বিরতিতে গেলেই এসব টাওয়ার সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ফলে ফ্লাইট ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এনএভি কানাডা (NAV CANADA) জানিয়েছে, কর্মী সংকটের কারণে টাওয়ারগুলো কম ট্রাফিকের সময় বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে এর প্রভাব ভবিষ্যতে অন্য বিমানবন্দরেও পড়তে পারে। কর্মী সংকটের জেরে প্রয়োজনে ফ্লাইটগুলোকে আকাশে অপেক্ষা করা, অতিরিক্ত জ্বালানি বহন করা বা বিকল্প বিমানবন্দরে নামার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সংগঠন সিএটিসিএ জানিয়েছে, এটি কর্মী সংকটের গভীরতা ও সিস্টেমের দুর্বলতার স্পষ্ট প্রমাণ।
অন্যদিকে এয়ার কানাডা পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি টিম পেরি বলেন, এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সমাধান জরুরি, কারণ কানাডার বিভিন্ন বিমানবন্দরে ইতিমধ্যেই বিলম্ব ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
উত্তর আমেরিকাজুড়ে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার সংকট নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রেও একই কারণে ফ্লাইট বিলম্ব দেখা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে এফএএ।
কানাডার বিমান চলাচল ব্যবস্থায় চলমান এই সংকট দ্রুত না কাটলে যাত্রী ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কানাডায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের জনবল সংকট তীব্র হওয়ায় দেশটির ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার কেলোনা (Kelowna) এবং ম্যানিটোবার উইনিপেগ (Winnipeg) বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ রাখা হচ্ছে। এয়ার কানাডা তাদের পাইলটদের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক অভ্যন্তরীণ মেমোতে সতর্ক করেছে, ডিউটিতে থাকা একমাত্র কন্ট্রোলার বিরতিতে গেলেই এসব টাওয়ার সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ফলে ফ্লাইট ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এনএভি কানাডা (NAV CANADA) জানিয়েছে, কর্মী সংকটের কারণে টাওয়ারগুলো কম ট্রাফিকের সময় বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে এর প্রভাব ভবিষ্যতে অন্য বিমানবন্দরেও পড়তে পারে। কর্মী সংকটের জেরে প্রয়োজনে ফ্লাইটগুলোকে আকাশে অপেক্ষা করা, অতিরিক্ত জ্বালানি বহন করা বা বিকল্প বিমানবন্দরে নামার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সংগঠন সিএটিসিএ জানিয়েছে, এটি কর্মী সংকটের গভীরতা ও সিস্টেমের দুর্বলতার স্পষ্ট প্রমাণ।
অন্যদিকে এয়ার কানাডা পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি টিম পেরি বলেন, এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সমাধান জরুরি, কারণ কানাডার বিভিন্ন বিমানবন্দরে ইতিমধ্যেই বিলম্ব ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
উত্তর আমেরিকাজুড়ে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার সংকট নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রেও একই কারণে ফ্লাইট বিলম্ব দেখা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে এফএএ।
কানাডার বিমান চলাচল ব্যবস্থায় চলমান এই সংকট দ্রুত না কাটলে যাত্রী ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।