
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলী শামখানি গতকাল বুধবার (১৪ মে) বলেছেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির ব্যাপারে কড়া বিধিনিষেধ মেনে নিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলী শামখানি বলেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে তেহরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে রাজি হতে পারে। পাশাপাশি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বন্ধ করতে এবং পারমাণবিক স্থাপনায় পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরে ইরান রাজি হবে কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে শামখানি ‘হ্যাঁ’ জানিয়ে বলেন, যদি নিষেধাজ্ঞাগুলো ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ তুলে নেওয়া হয়।
শামখানি এমন সময় এ মন্তব্য করলেন, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে চতুর্থ দফায় বৈঠক হয়েছে। গত রোববার এ বৈঠক হয়। গত মাসে দেশ দুটির মধ্যে এ ইস্যুতে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইরান ও পশ্চিমা কয়েকটি দেশের মধ্যে ২০১৫ সালে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিটি থেকে বেরিয়ে আসে। এর এক বছর পর ইরানও চুক্তির বাধ্যবাধকতা থেকে ক্রমেই সরে আসে। এরপর এবারই প্রথম দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি আলাপ-আলোচনা হলো।
২০১৫ সালের চুক্তিতে ইরানকে ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে দেশটি ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে। তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৯০ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও চলতি সপ্তাহে বলেন, ইরানই একমাত্র দেশ, যে পারমাণবিক অস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও এত উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে।
ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে পশ্চিমা দেশগুলো। তবে তেহরান শুরু থেকেই বলে আসছে, তারা শুধু শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
এদিকে আলাপ-আলোচনার মধ্যেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও তেল খাতকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। সর্বশেষ গত সোমবার আরেকটি নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলী শামখানি গতকাল বুধবার (১৪ মে) বলেছেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির ব্যাপারে কড়া বিধিনিষেধ মেনে নিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলী শামখানি বলেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে তেহরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে রাজি হতে পারে। পাশাপাশি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বন্ধ করতে এবং পারমাণবিক স্থাপনায় পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরে ইরান রাজি হবে কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে শামখানি ‘হ্যাঁ’ জানিয়ে বলেন, যদি নিষেধাজ্ঞাগুলো ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ তুলে নেওয়া হয়।
শামখানি এমন সময় এ মন্তব্য করলেন, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে চতুর্থ দফায় বৈঠক হয়েছে। গত রোববার এ বৈঠক হয়। গত মাসে দেশ দুটির মধ্যে এ ইস্যুতে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইরান ও পশ্চিমা কয়েকটি দেশের মধ্যে ২০১৫ সালে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিটি থেকে বেরিয়ে আসে। এর এক বছর পর ইরানও চুক্তির বাধ্যবাধকতা থেকে ক্রমেই সরে আসে। এরপর এবারই প্রথম দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি আলাপ-আলোচনা হলো।
২০১৫ সালের চুক্তিতে ইরানকে ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে দেশটি ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে। তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৯০ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও চলতি সপ্তাহে বলেন, ইরানই একমাত্র দেশ, যে পারমাণবিক অস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও এত উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে।
ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে পশ্চিমা দেশগুলো। তবে তেহরান শুরু থেকেই বলে আসছে, তারা শুধু শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
এদিকে আলাপ-আলোচনার মধ্যেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও তেল খাতকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। সর্বশেষ গত সোমবার আরেকটি নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে।
ন্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সেই লকার থেকে ভল্টের চাবি উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় ভল্ট থেকে বের করে আনেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আইএসকে দমন করতে ২০১৪ সালে সিরিয়ায় প্রায় ২ হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার আমেরিকান সেনা অবস্থান করছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সবাইকে ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
লোকমান এফেন্দি আরও জানান, অভিযানের সময় ২২টি সন্দেহজনক ও জালিয়াতিপূর্ণ বাংলাদেশি পাসপোর্ট, অ্যাক্সেস কার্ড, কম্পিউটার সেট, প্রিন্টার, কাটিং মেশিন, লেজার এনগ্রেভিং মেশিন, কার্ভ কাটার এবং একটি বেনেলি লিওনসিনো মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যা অবৈধ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতো।
ইরান–আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্প্রতি পরমাণু চুক্তি নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে আলোচনায় বসেছিল দুই দেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মজিদ তাখত।