
বিডিজেন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক শিশু যৌন নিপীড়নের চক্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দীর্ঘ দুই বছর ধরে পলাতক বাংলাদেশি নাগরিক জোবাইদুল আমিনকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। মালয়েশিয়া থেকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ইতিমধ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (৬ মার্চ) এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল এক্স হ্যান্ডলে এই তথ্য জানিয়েছেন।
এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জোবাইদুল আমিনের বিরুদ্ধে ২০২২ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিশুদের যৌন নিপীড়নের একটি বড় চক্র চালানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। এর পর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে জাল বিছিয়েছিল আমেরিকান গোয়েন্দারা।
এফবিআইয়ের কুয়ালালামপুর শাখা এবং মালয়েশিয়া সরকারের প্রত্যক্ষ সহায়তায় দেশটিতে আত্মগোপনে থাকা জোবাইদুলকে আটক এবং ৪ মার্চ (বুধবার) কুয়ালালামপুর থেকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করা হয়। এফবিআইয়ের অ্যাঙ্করেজ শাখা ওই দিন রাতে মালয়েশিয়া থেকে উড়োজাহাজে করে আলাস্কায় নিয়ে যায়।
এফবিআই জানিয়েছে, এই মামলার তদন্তে আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। জোবাইদুলের এই আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং তারা কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করত, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে।
আমেরিকার সরকারি অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে, ২০২২ সালের জুলাইয়ে আলাস্কার একটি গ্র্যান্ড জুরি আমিনের বিরুদ্ধে ১৩টি ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করে শিশুদের শনাক্ত করতেন এবং তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যৌন স্পষ্ট ছবি ও ভিডিও তৈরি করতে বাধ্য করতেন।
মামলায় বলা হয়েছে, এই অপরাধ কেবল আলাস্কায় সীমাবদ্ধ ছিল না; যুক্তরাষ্ট্রের অন্য অঙ্গরাজ্য এবং বিদেশেও তার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত ছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, আমিনের বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিতরণের ষড়যন্ত্র, শিশু শোষণমূলক চক্র পরিচালনা, সাইবারস্টকিং, পরিচয় জালিয়াতি এবং ওয়্যার জালিয়াতিসহ একাধিক ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনি মালয়েশিয়ার একটি মেডিকেল স্কুলে পড়াশোনা করছিলেন। এর আগে ২০২২ সালে মালয়েশিয়াতেও শিশু পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। পরে দুই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে তাকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি এস লেইন টাকার বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিশুদের যৌনভাবে নিপীড়ন করা একটি ভয়ংকর অপরাধ। এতে শিশুদের শৈশব নষ্ট হয়ে যায় এবং তাদের পরিবারসহ জীবন চিরস্থায়ীভাবে প্রভাবিত হয়। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে কীভাবে বিচার নিশ্চিত করা যায়, এই ঘটনা তারই উদাহরণ।”
এফবিআই অ্যাঙ্করেজ ফিল্ড অফিসের বিশেষ এজেন্ট ইনচার্জ অ্যান্টনি জাং বলেন, “এই চক্রের মাধ্যমে শত শত শিশুকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তাদেরকে ছবি পাঠাতে বাধ্য করা হতো এবং অস্বীকার করলে সেই ছবি ফাঁস করার হুমকি দেওয়া হতো। শিশুদের সুরক্ষায় আমাদের কাজ সীমান্তের বাইরেও বিস্তৃত।”
ফেডারেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে জোবাইদুল আমিনের ২০ বছর থেকে যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। মামলাটি এফবিআইয়ের শিশু নিপীড়ন ও মানব পাচারবিরোধী টাস্কফোর্সের একটি বড় তদন্তের অংশ এবং এতে স্থানীয়, রাজ্য ও আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা সংস্থাগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আন্তর্জাতিক শিশু যৌন নিপীড়নের চক্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দীর্ঘ দুই বছর ধরে পলাতক বাংলাদেশি নাগরিক জোবাইদুল আমিনকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। মালয়েশিয়া থেকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ইতিমধ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (৬ মার্চ) এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল এক্স হ্যান্ডলে এই তথ্য জানিয়েছেন।
এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জোবাইদুল আমিনের বিরুদ্ধে ২০২২ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিশুদের যৌন নিপীড়নের একটি বড় চক্র চালানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। এর পর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে জাল বিছিয়েছিল আমেরিকান গোয়েন্দারা।
এফবিআইয়ের কুয়ালালামপুর শাখা এবং মালয়েশিয়া সরকারের প্রত্যক্ষ সহায়তায় দেশটিতে আত্মগোপনে থাকা জোবাইদুলকে আটক এবং ৪ মার্চ (বুধবার) কুয়ালালামপুর থেকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করা হয়। এফবিআইয়ের অ্যাঙ্করেজ শাখা ওই দিন রাতে মালয়েশিয়া থেকে উড়োজাহাজে করে আলাস্কায় নিয়ে যায়।
এফবিআই জানিয়েছে, এই মামলার তদন্তে আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। জোবাইদুলের এই আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং তারা কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করত, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে।
আমেরিকার সরকারি অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে, ২০২২ সালের জুলাইয়ে আলাস্কার একটি গ্র্যান্ড জুরি আমিনের বিরুদ্ধে ১৩টি ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করে শিশুদের শনাক্ত করতেন এবং তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যৌন স্পষ্ট ছবি ও ভিডিও তৈরি করতে বাধ্য করতেন।
মামলায় বলা হয়েছে, এই অপরাধ কেবল আলাস্কায় সীমাবদ্ধ ছিল না; যুক্তরাষ্ট্রের অন্য অঙ্গরাজ্য এবং বিদেশেও তার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত ছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, আমিনের বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিতরণের ষড়যন্ত্র, শিশু শোষণমূলক চক্র পরিচালনা, সাইবারস্টকিং, পরিচয় জালিয়াতি এবং ওয়্যার জালিয়াতিসহ একাধিক ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনি মালয়েশিয়ার একটি মেডিকেল স্কুলে পড়াশোনা করছিলেন। এর আগে ২০২২ সালে মালয়েশিয়াতেও শিশু পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। পরে দুই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে তাকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি এস লেইন টাকার বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিশুদের যৌনভাবে নিপীড়ন করা একটি ভয়ংকর অপরাধ। এতে শিশুদের শৈশব নষ্ট হয়ে যায় এবং তাদের পরিবারসহ জীবন চিরস্থায়ীভাবে প্রভাবিত হয়। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে কীভাবে বিচার নিশ্চিত করা যায়, এই ঘটনা তারই উদাহরণ।”
এফবিআই অ্যাঙ্করেজ ফিল্ড অফিসের বিশেষ এজেন্ট ইনচার্জ অ্যান্টনি জাং বলেন, “এই চক্রের মাধ্যমে শত শত শিশুকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তাদেরকে ছবি পাঠাতে বাধ্য করা হতো এবং অস্বীকার করলে সেই ছবি ফাঁস করার হুমকি দেওয়া হতো। শিশুদের সুরক্ষায় আমাদের কাজ সীমান্তের বাইরেও বিস্তৃত।”
ফেডারেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে জোবাইদুল আমিনের ২০ বছর থেকে যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। মামলাটি এফবিআইয়ের শিশু নিপীড়ন ও মানব পাচারবিরোধী টাস্কফোর্সের একটি বড় তদন্তের অংশ এবং এতে স্থানীয়, রাজ্য ও আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা সংস্থাগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, আমিনের বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিতরণের ষড়যন্ত্র, শিশু শোষণমূলক চক্র পরিচালনা, সাইবারস্টকিং, পরিচয় জালিয়াতি এবং ওয়্যার জালিয়াতিসহ একাধিক ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত শনিবার থেকে পরবর্তী সকল জরিমানা মওকুফ করা হয়েছে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক দণ্ড ছাড়াই তাদের অবস্থান বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটি যে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে তার প্রতিক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো জরুরিভিত্তিতে ৪ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হচ্ছে।