
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুত দক্ষিণ (মেক্সিকো) সীমান্তের দেয়াল নির্মাণ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ আশা করছে।
দেশটির কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) কমিশনার রডনি স্কট গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।
ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে নির্মাণাধীন শক্তিশালী ধাতব বিম দিয়ে তৈরি এ বাঁধ সান ডিয়েগো থেকে মেক্সিকো উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তবে যেসব স্থানে এর প্রয়োজন নেই বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তেমন কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেয়াল নির্মাণ করা হবে না।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির পাঠানো প্রতিবেদনের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এ খবর জানিয়েছে।
স্কট বলেন, “মূল সীমান্ত দেয়ালের কাজ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ শেষ হবে।” তিনি জানান, এখনো দেয়ালটির কয়েকটি অংশে কাজ বাকি রয়েছে।
স্কট বলেন, “যেসব এলাকায় আমরা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে দেয়ালের প্রয়োজন নেই, শুধু সে সব স্থানেই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে বিগ বেন্ড ন্যাশনাল পার্কের কথা বলা যায়। এটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকা এবং সেখানে অনেক উঁচু খাড়া পাহাড় রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, দেয়ালের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক নজরদারি ব্যবস্থা ও অন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। এসব কাজ ২০২৮ সালের জুলাই অথবা সর্বোচ্চ আগস্টের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সীমান্তঘেঁষা রিও গ্র্যান্ডে নদীর দীর্ঘ অংশেও পৃথক ভৌত প্রতিবন্ধক ব্যবস্থা থাকবে। দুই দেশের মধ্যে নদীটির সীমান্ত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ কিলোমিটার।
মেক্সিকো থেকে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার ঠেকানোর লক্ষ্যেই এই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।
তবে স্কটের মতে, শুধু ভৌত দেয়াল নির্মাণ করলেই গোপন তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুত দক্ষিণ (মেক্সিকো) সীমান্তের দেয়াল নির্মাণ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ আশা করছে।
দেশটির কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) কমিশনার রডনি স্কট গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।
ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে নির্মাণাধীন শক্তিশালী ধাতব বিম দিয়ে তৈরি এ বাঁধ সান ডিয়েগো থেকে মেক্সিকো উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তবে যেসব স্থানে এর প্রয়োজন নেই বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তেমন কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেয়াল নির্মাণ করা হবে না।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির পাঠানো প্রতিবেদনের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এ খবর জানিয়েছে।
স্কট বলেন, “মূল সীমান্ত দেয়ালের কাজ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ শেষ হবে।” তিনি জানান, এখনো দেয়ালটির কয়েকটি অংশে কাজ বাকি রয়েছে।
স্কট বলেন, “যেসব এলাকায় আমরা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে দেয়ালের প্রয়োজন নেই, শুধু সে সব স্থানেই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে বিগ বেন্ড ন্যাশনাল পার্কের কথা বলা যায়। এটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকা এবং সেখানে অনেক উঁচু খাড়া পাহাড় রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, দেয়ালের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক নজরদারি ব্যবস্থা ও অন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। এসব কাজ ২০২৮ সালের জুলাই অথবা সর্বোচ্চ আগস্টের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সীমান্তঘেঁষা রিও গ্র্যান্ডে নদীর দীর্ঘ অংশেও পৃথক ভৌত প্রতিবন্ধক ব্যবস্থা থাকবে। দুই দেশের মধ্যে নদীটির সীমান্ত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ কিলোমিটার।
মেক্সিকো থেকে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার ঠেকানোর লক্ষ্যেই এই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।
তবে স্কটের মতে, শুধু ভৌত দেয়াল নির্মাণ করলেই গোপন তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে নির্মাণাধীন শক্তিশালী ধাতব বিম দিয়ে তৈরি এ বাঁধ সান ডিয়েগো থেকে মেক্সিকো উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তবে যেসব স্থানে এর প্রয়োজন নেই বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তেমন কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেয়াল নির্মাণ করা হবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, “সশস্ত্র বাহিনীর চলমান অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হলো।” তবে বিবৃতিতে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েল যদি ইরান ও লেবাননে হামলা চালাতে থাকে তাহলে তেহরান ‘আগের চেয়ে আরও কঠোর এবং শক্তিশালী’ জবাব দেওয়া হবে।
এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ হাজার ৬০ জন রেসিডেন্সি বা আকামা আইন লঙ্ঘন করেছেন। ২ হাজার ৫৭৪ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ১ হাজার ১২৬ জন শ্রম আইন অমান্য করেছেন।